ঠাকুরগাঁওয়ে ১৬৩ কোটি টাকার মরিচ উৎপাদন
নিজস্ব প্রতিবেদক | উইমেননিউজ২৪প্রকাশিত : ০১:০২ পিএম, ২৬ মে ২০২৩ শুক্রবার
সংগৃহীত ছবি
চলতি মৌসুমে ঠাকুরগাঁওয়ে মরিচের বাম্পার ফলন হয়েছে। জেলার হাট-বাজারগুলোতে উঠতে শুরু করেছে কাঁচা ও পাকা মরিচ। এছাড়া মরিচের ভালো দাম পেয়ে কৃষকের মুখেও ফুটছে হাসি।
বৃহস্পতিবার (২৫ মে) সকালে ঠাকুরগাঁওয়ের রুহিয়া রেলস্টেশন এলাকায় দেখা যায়, লাল মরিচের সমারোহ। রেললাইনের শুকনা মাটিতে পাটির উপরে শুকাতে দেওয়া হয়েছে লাল মরিচ। এ রেলগেট এলাকাতেই প্রতিদিন আশপাশের কয়েকটি এলাকার চাষিরা মরিচ শুকাতে আসেন। এছাড়া এখান থেকেও পাইকারি দরে মরিচ কিনে নেন ব্যবসায়ীরা।
স্থানীয় ব্যবসায়ী রবিউল ইসলাম ঢাকা পোস্টকে বলেন, প্রতিদিন এ স্টেশন এলাকা থেকে ২৫ থেকে ৩০ লাখ টাকার শুকনা মরিচ কেনাবেচা হয়।
লিয়াকত আলী লাবু নামে এক কৃষক এক বিঘা জমিতে বিন্দু ও বাঁশগাড়া জাতের মরিচ আবাদ করেছেন।তিনি জানান, নিড়ানি, সেচ ও পরিচর্যা পর্যন্ত তার ৫০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। আর ওই জমিতে মরিচ উৎপাদন হয়েছে কমপক্ষে ১০ মণ। এবার প্রতি মণ মরিচ ১৫ হাজার টাকা দরে বিক্রি করে বিঘাপ্রতি প্রায় দেড় লাখ টাকা পাওয়া যাবে বলে তিনি জানান।
একই এলাকার কৃষক শাহীন আলম বলেন, এবার আবহাওয়া ভালো থাকায় মরিচের ফলন আশানুরূপ হয়েছে। দামও পাওয়া যাচ্ছে ভালো। এই রেলগেট এলাকার প্রায় ৭০ ভাগ কৃষকই মরিচ চাষের সঙ্গে যুক্ত। আমি দুই বিঘা জমিতে মরিচ চাষ করেছি, এতে এক লাখ টাকা খরচ হলেও লাভ থাকবে প্রায় ৩ লাখ টাকা।
সামেদুল নামে আরেক কৃষক বলেন, পৌষ মাসে মরিচের চারা রোপণ করার পর থেকে মরিচ পাকা পর্যন্ত প্রায় ছয় মাস সময়ের প্রয়োজন হয়। বিন্দু, সেকা, মাশকারা, মল্লিকাসহ বিভিন্ন জাতের মরিচ চাষ হয় এই এলাকায়।
স্বামীর সঙ্গে মরিচ শুকাতে আসা পাশের এলাকার সাবিনা বেগম বলেন, ১৫ কাঠা জমিতে মরিচ চাষ করেছি। মরিচের চারা রোপণ, সার-বিষ, রোদে শুকানোসহ সব কাজ নিজেরাই করি। গতবারের তুলনায় এবার অনেক ভালো মরিচ উৎপাদন হয়েছে। এবার মরিচ নষ্ট হয়নি, এছাড়া মরিচের দামও বেশ ভালো। আমরা সবাই এবার অনেক খুশি।
এদিকে, জমি থেকে মরিচ তোলার কাজে শিশু-কিশোরের পাশাপাশি বয়স্ক সদস্যরাও যোগ দিচ্ছেন। তারা প্রতিটি মরিচের ঝুড়ি ভর্তি হলে ২৫ থেকে ৩০ টাকা হিসেবে দিনে আয় করছেন কমপক্ষে ২০০ থেকে ২৫০ টাকা।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপপরিচালক আলমগীর হোসেন বলেন, এবার আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় মরিচের ফলন ভালো হয়েছে। কৃষকরাও বেশ লাভবান হচ্ছেন। চলতি মৌসুমে জেলায় দুই হাজার ২২৩ হেক্টর জমিতে মরিচ চাষ হয়েছে। উৎপাদিত মরিচের মূল্য প্রায় ১৬৩ কোটি টাকা।
- ‘এখন আরও দ্বিগুণ উদ্যমে কাজ করছি’
- চ্যাম্পিয়ন সাবিনাদের জন্য ছাদখোলা বাস
- পুকুর পাড়ে হলুদ শাড়িতে ভাবনা
- ‘শৈশবে ফিরলেন’ নেদারল্যান্ডসের ক্রিকেটাররা
- নারীর অংশগ্রহণ কমে যাওয়া অর্থনীতিতে সতর্ক সংকেত
- ইরান অভিমুখে আরও মার্কিন নৌবহর
- বৃহস্পতিবার রাজধানীর যেসব মার্কেট বন্ধ
- বিয়ের আসর থেকে পালিয়ে থানায় আশ্রয় নিলেন কনে
- রাউজানে নলকূপের গর্তে পড়া সেই শিশুকে মৃত ঘোষণা
- ‘শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে শত শত তদবির, আগে টাকা দিলেই কাজ হতো’
- কর্মক্ষেত্রে এআই ব্যবহারে ফ্রি প্রশিক্ষণ দিচ্ছে যুক্তরাজ্য
- আমলকির তেল কি চুল পড়া বন্ধ করে?
- এক বছরে ১৭ লাখ শিশুর জন্ম অপ্রয়োজনীয় অস্ত্রোপচারে
- হামলা-অপমানে ভাঙছে মাঠপুলিশের মনোবল
- কোনো দল নিষিদ্ধ করার পক্ষে নন তারেক রহমান
- নারী, সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তা বিষয়ে ১০ দফা সুপারিশ
- ‘কিছুই পাল্টায়নি, এখনও মেয়েদের হেনস্তা করা হচ্ছে’
- সারা দেশে অবাধে শিকার ও বিক্রি হচ্ছে শীতের পাখি
- ৩ দিন চলবে না মোটরসাইকেল, একদিন মাইক্রো-ট্রাক
- আয়রনের ঘাটতি, যে কারণে শুধু সাপ্লিমেন্ট যথেষ্ট নয়
- সাবস্ক্রিপশন পরীক্ষা করবে মেটা
- নিরপেক্ষ নির্বাচন চাই: পাপিয়া
- মেয়েদের টানা জয়ের প্রভাব পড়েছে আইসিসি র্যাঙ্কিংয়ে
- ঋতুপর্ণার হ্যাটট্রিকে ১৩-০ গোলের জয়
- দুবাইয়ে তৈরি হচ্ছে বিশ্বের প্রথম ‘স্বর্ণের রাস্তা’
- ১৭ বছর বড় বড় গল্প শুনেছি: তারেক রহমান
- প্রধান উপদেষ্টার কাছে কর কাঠামো পুনর্বিন্যাসের সুপারিশ
- ৪০ হাজার কোটির রাজস্ব হলেও ক্ষতি ৮৭ হাজার কোটি
- গণভোট নিয়ে কারিগরি-মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের ৮ উদ্যোগ
- স্কুল জীবনের বন্ধুত্ব ভাঙলেন সাইফ কন্যা


