ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা রেকর্ড ছাড়িয়েছে
স্বাস্থ্য ডেস্ক | উইমেননিউজ২৪.কমআপডেট: ০২:০৩ পিএম, ৬ অক্টোবর ২০১৮ শনিবার
চলতি বছরের শুরু থেকে বৃহস্পতিবার (৪ অক্টোবর) পর্যন্ত সরকারি হিসেবে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ছয় হাজার ৪৭৯ জনে। বিগত বছরগুলোর মধ্যে ২০০২ এ ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ছিলো সর্বোচ্চ সংখ্যক ৬ হাজার ২৩২ জন। সেই হিসেবে এ বছরের ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়েছে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে, ডেঙ্গু প্রকোপ অঞ্চলে বাংলাদেশসহ ভারত, নেপাল, ভুটান, মালদ্বীপ, শ্রীলঙ্কা, মিয়ানমার, ইন্দোনেশিয়া, থাইল্যাণ্ড, পূর্ব তিমুর ও উত্তর কোরিয়া রয়েছে। সংস্থাটি বলছে, বিশ্বের মোট জনসংখ্যার এক-চতুর্থাংশ মানুষ এই অঞ্চলে বসবাস করে। দ্রুত নগরায়ণ ও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে এই অঞ্চলে এই দুটি রোগ ছাড়াও কীটবাহিত অন্যান্য রোগের ঝুঁকিও বাড়ছে।
স্বাস্থ্য অধিদফতরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশনস সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে পাওয়া তথ্যানুযায়ী গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে কোনো মৃত্যু না হলেও বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হওয়া রোগীর সংখ্যা ৫৬ জন। বর্তমানে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন ৩৫ জন, মিটফোর্ড হাসপাতালে ৪৫ জন, শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৩১ জন, হলি ফ্যামিলি রেড ক্রিসেন্ট হাসপাতালে ১৬ জন, বারডেম হাসপাতালে চার জন, পিলখানার বিজিবি হাসপাতাল ৮ জনসহ ঢাকার বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে মোট ২৭৬ জন ভর্তি রয়েছেন।
অপরদিকে, এখন পর্যন্ত চিকিৎসা নিয়ে সরকারি হাসপাতাল থেকে ঘরে ফিরেছেন ছয় হাজার ১৮৭ জন। এখন পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে ১৬ জনের।
চলতি বছরে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে মোট মারা যায় ১৬ জন। তবে এর মধ্যে নারী এবং শিশুর সংখ্যাই বেশি।
স্বাস্থ্য অধিদফতর সূত্রে জানা যায়, দেশে প্রথম ডেঙ্গুর প্রকোপ দেখা যায় ২০০০ সালে। সে বছরে রেকর্ড সংখ্যক ৯৩ জন রোগী মারা যান। মোট রোগী ছিলেন ৫ হাজার ৫৫১ জন। ২০০১ সালে দুই হাজার ৪৩০ জন রোগীর মধ্যে মারা যান ৪৪ জন রোগী, ২০০২ সালে ৬ হাজার ২৩২ জন রোগীর মধ্যে মারা যান ৫৮ জন, ২০০৩ সালে ৪৮৬ জন রোগীর মধ্যে মারা যান ১০ জন, ২০০৪ সালে ৩ হাজার ৪৩৪ জন রোগীর মধ্যে মারা যান ১৩ জন, ২০০৫ সালে ১ হাজার ৪৮ জন রোগীর মধ্যে মারা যান ৪ জন, ২০০৬ সালে মারা যান ১১ জন, রোগী ছিলেন দুই হাজার ২শ জন, ২০০৭ থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত কেউ মারা না গেলেও রোগী সংখ্যা ছিলেন যথাক্রমে ৪৬৬ জন, এক হাজার ১৫৩ জন, ৪৭৪ জন এবং ৪০৯ জন। তবে তার পরের বছর থেকেই আবারও রোগীর মৃত্যু শুরু হয়।
২০১১ সালে মারা যান ৬ জন, রোগী ছিলেন এক হাজার ৩৫৯ জন, ২০১২ সালে মারা যান একজন, রোগী ছিলেন ৬৭১ জন। ২০১৩ সালে মারা যান ২ জন, রোগী ছিলেন এক হাজার ৭৪৯ জন। আবার ২০১৪ সালে কেউ মারা না গেলেও রোগী ছিলেন ৩৭৫ জন। ২০১৫ সালে মারা যান ৬ জন, রোগী ছিলেন ৩ হাজার ১৬২ জন। ২০১৬ সালে মারা যান ১৪ জন, রোগী ছিলেন ছয় হাজার ৬০ জন এবং গত বছরে মারা যান ৮ জন এবং রোগী সংখ্যা ছিল দুই হাজার ৭৬৯ জন।
- বিদ্রোহী কবি নজরুল ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সেই গল্প
- রাজধানীতে প্রতিদিন গড়ে ভাঙছে প্রায় ৪৪টি সংসার
- বিশ্বব্যাপী অনেক ওয়েবসাইট কেন বন্ধ?
- ক্যানসারের কাছে হার মানলেন মডেল ও অভিনেত্রী তুলনা
- শীতের আগমনে খেজুর গাছ পরিচর্যায় ব্যস্ত গাছিরা
- সবজি পোলাও: রঙিন সবজি দিয়ে ঝরঝরে ভাত
- রোদ ঝলমলে ঢাকার আকাশ, গরম বাড়বে কি
- ২০২৭ শিক্ষাবর্ষে চতুর্থ ও ষষ্ঠ শ্রেণিতে যুক্ত হচ্ছে নতুন ৪ বই
- কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী মান্না দের প্রয়াণ দিবস আজ
- বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ, ঘূর্ণিঝড়ের আশঙ্কা
- মোহাম্মদপুরে নারী-কিশোরসহ ১৩ ছিনতাইকারী গ্রেফতার
- সৌদিতে বাংলাদেশি নারী কর্মীদের সুরক্ষার ব্যবস্থা কতটা আছে
- এবার স্প্যানিশ ‘নোবেল পুরস্কার’ জিতলেন মেসি
- মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে বাস খাদে, ৩ জনের প্রাণহানী
- মেয়ের বিচার চাইতে গিয়েছিলাম, মব সৃষ্টি করতে নয়: রুমি
- রাজধানী ঢাকার তাপমাত্রা কেমন থাকবে জেনে নিন
- অপ্রতীম হত্যা মামলার চার্জশিট দাখিল
- বিদ্রোহী কবি নজরুল ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সেই গল্প
- ঢাকা-কক্সবাজার রুটে ২৬ অক্টোবর থেকে চলবে মহানগর এক্সপ্রেস
- এবার স্প্যানিশ ‘নোবেল পুরস্কার’ জিতলেন মেসি
- বাজারে ক্রেতা কম, তবু দামে স্বস্তি নেই
- এক বাটি উষ্ণতায় মিশুক মিষ্টি কুমড়ার স্যুপ
- কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী মান্না দের প্রয়াণ দিবস আজ
- তিব্বতে ৭ মাত্রার ভূমিকম্প: নিহত ১৬, আহত অর্ধশতাধিক
- আজ থেকে রাত ৮টায় বন্ধ হবে দোকানপাট ও শপিং মল
- মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে বাস খাদে, ৩ জনের প্রাণহানী
- টানা তিন দফা কমল স্বর্ণেল দাম, ভরি কত?
- বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ, ঘূর্ণিঝড়ের আশঙ্কা
- ক্যানসারের কাছে হার মানলেন মডেল ও অভিনেত্রী তুলনা
- কমছে না পোলাওয়ের চাল ও আটা-ময়দার দাম





