ঢাকা, বৃহস্পতিবার ০৯, জুলাই ২০২৬ ১৮:০৭:১২ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়ার ৭০ বছর পর ব্রিটিশ নারীর সাজা পরিবর্তন এক দশকে ১৫শ নরমাল ডেলিভারি করিয়েছেন লিলি শিক্ষক পদে ৪৬ হাজার পরীক্ষার্থীর ফল পুনরায় প্রকাশের নির্দেশ আজ চিরনিদ্রায় শায়িত হবেন আয়াতুল্লাহ খামেনি সংবিধানে ফিরলো গণভোট ও তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি হচ্ছেন আইরিন খান বান্দরবানে পাহাড়ধস, ঘুমন্ত অবস্থায় শিশুসহ ৫ জনের প্রাণহানি

নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ে মুসলিম অধ্যাপিকাকে হেনস্থা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০১:৩০ পিএম, ২৩ জুলাই ২০১৯ মঙ্গলবার

ছবি: ইন্টারনেট

ছবি: ইন্টারনেট

সংখ্যালঘু পরিচয়ের কারণে বৈষম্য, হেনস্থা এবং দুর্ব্যবহারের শিকার হতে হচ্ছে বলে দিল্লির সংখ্যালঘু কমিশনে অভিযোগ জানিয়েছেন জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপিকা রোসিনা নাসির। বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রারকে এ নিয়ে নোটিস পাঠিয়েছে কমিশন। অন্তর্বর্তী নির্দেশও জারি করা হয়েছে। খবর আনন্দবাজারের।

রোসিনার অভিযোগ সরাসরি উপাচার্য মামিডালা জগদেশ কুমার এবং তার নিজের বিভাগীয় প্রধান যগতি চিন্না রাওয়ের বিরুদ্ধে। ঘটনাচক্রে রোসিনা সামাজিক বহিষ্করণ এবং অন্তর্ভুক্তি নিয়েই গবেষণা করেন। ‘সেন্টার ফর দ্য স্টাডি অব সোশ্যাল এক্সক্লুশন অ্যান্ড ইনক্লুসিভ পলিসি’ বিভাগেরই অধ্যাপক তিনি। চিন্নারাও এই বিভাগেরই চেয়ারপার্সন।

পরিস্থিতির চাপে তিনি আত্মহননের কথাও ভেবেছেন জানিয়ে রোসিনা কমিশনকে লিখেছেন, নানাভাবে তাকে চাকরি ছাড়ার জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছে। অবিলম্বে হস্তক্ষেপ করা না হলে হয়তো তাকে আর খুঁজেই পাওয়া যাবে না। তিনি লিখেছেন, ‘জেএনইউয়ের ছাত্র নজীবের মতো আমাকেও হয়ত নিরুদ্দেশ করে দেওয়া হবে’।

২০১৩ সালে জেএনইউয়ে আসার আগে রোসিনা হায়দরাবাদের কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ছিলেন। জেএনইউয়ে ২০১৭ সালের আগে কোনো সমস্যা ছিল না বলে দাবি করেছেন রোসিনা। মেয়াদভিত্তিক পদটির জন্য ২০১৭ থেকে তাকে বেতন দেওয়া হচ্ছিল না বলে অভিযোগ। যদিও ইউজিসি তার সেন্টারের মেয়াদ বাড়িয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী, এসব ক্ষেত্রে ইউজিসি বেতন না দিলেও বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে তা দেওয়ার কথা।

রোসিনা গত বছর হাইকোর্টে এ নিয়ে মামলা করে জিতেছেন। এবছর মে মাসে তাকে বকেয়া বেতন দেওয়া হয়েছে, কিন্তু ফের বন্ধ হয়ে গিয়েছে চলতি বেতন। হোস্টেল ওয়ার্ডেনের দায়িত্ব কেড়ে নিয়ে তাকে ক্যাম্পাস থেকে চলে যেতে বলা হচ্ছে। রোসিনার অভিযোগ, কর্তৃপক্ষ তাকে সরাসরি বলেছেন, মুসলিম হয়ে তিনি কাজ চালিয়ে যেতে পারবেন না।

রোসিনার প্রাক্তন সহকর্মী কৌস্তুভ বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, শুধু রোসিনার প্রতি বৈষম্যই নয়। বর্তমান জামানায় সামাজিক বহিষ্করণ এবং অন্তর্ভুক্তির মতো বিষয় নিয়ে গবেষণাকেন্দ্রগুলির ওপরেই আঘাত আসছে। রোসিনার মতো তারও বেতন আটকানো হয়েছিল। হাইকোর্টে তিনিও রোসিনার সঙ্গেই মামলা করেছিলেন। বকেয়া বেতন বুঝে নিয়ে তিনি অন্যত্র চাকরি নিয়েছেন।

-জেডসি