ঢাকা, সোমবার ২১, সেপ্টেম্বর ২০২০ ৭:৫৯:০৪ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
করোনায় আরও ২৬ জনের প্রাণহানি শীতে করোনা খারাপের দিকে যেতে পারে: প্রধানমন্ত্রী বনানীর আহমেদ টাওয়ারে আগুন নিয়ন্ত্রণে খালেদা জিয়ার আরও চার মামলার স্থগিতাদেশ বহাল বিশ্বে একদিনে করোনায় আক্রান্ত প্রায় ৩ লাখ, মৃত্যু ৫১৪২

ফের বেড়েছে পেঁয়াজের ঝাঁজ, স্বস্তি নেই সবজিতেও

নিজস্ব প্রতিবেদক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ১২:২৬ পিএম, ৬ মার্চ ২০২০ শুক্রবার

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

ভারত থেকে পেঁয়াজ রপ্তানির নিষেধাজ্ঞা ওঠে যাচ্ছে এমন ঘোষণা আসায় দেশের বাজারে কমেছিল পেঁয়াজের দাম। গত ৩ মার্চ ভারত থেকে পেঁয়াজ আসার কথা থাকলেও তা না আশায় আবারও কিছুটা বেড়েছে পেঁয়াজের দাম। ব্যবসায়ীরা বলছেন, ভারত থেকে পেঁয়াজ আসলে আবার সেই আগের মত ২০ থেকে ৩০ টাকায় নামবে পেঁয়াজ।

আজ শুক্রবার রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, গত সপ্তাহের থেকে পেঁয়াজের কেজিতে বেড়েছে ১০ থেকে ১৫ টাকা। আর এর জন্য ব্যবসায়ীরা ভারত থেকে পেঁয়াজ না আসাকে দায়ী করছেন।

কারওয়ান বাজারে প্রতি কেজি দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৭০ টাকায় আর মিয়ানমার থেকে আমদানি করা পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৭৫ টাকায়। আর খুচরা বাজারে পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে কেজি প্রতি ৫ টাকা বেশি দামে। যেখানে গত সপ্তাহে দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছিল ৬০ টাকায় এবং মিয়ানমারের পেঁয়াজ ২৫ টাকায় বিক্রি করতে দেখা যায়। অর্থাৎ সপ্তাহের ব্যবধানে আবারও প্রায় ১০ থেকে ১৫ টাকা বেড়েছে পেঁয়াজের দাম।

পেঁয়াজ ব্যবসায়ীরা জানান, ভারত থেকে পেঁয়াজ না আসায় আবারও দাম এ সপ্তাহে বেড়ে গেছে। তবে ১৫ তারিখের পরে আবার পেয়াজ আসার কথা রয়েছে তখন আবারও পেঁয়াজের দাম কমে যাবে বলে তিনি জানান। আর পেঁয়াজের দাম কমলে সেটা আগের মতই ২০ থেকে ৩০ টাকায় নেমে আসবে।

এদিকে পেঁয়াজের দাম কমে আসার পরে আবারো বাঁড়ার কারণে ক্ষুব্ধ ক্রেতারা। তাদের অভিযোগ, ব্যবসায়ীরা সব সময়ই সিন্ডিকেট করে পেঁয়াজের দামে ওঠা-নামা করান।

এদিকে দেশি রসুন বাজারে ভরপুর থাকায় কমেছে চীন থেকে আমদানি করা রসুনের দাম। বাজারে প্রতি কেজি চীনা রসুন বিক্রি হচ্ছে ১৭০ থেকে ১৮০ টাকায়। পাশাপাশি কমেছে দেশীয় ও চীনা আদার দাম। প্রতি কেজি দেশি আদা বিক্রি হচ্ছে ১১০ থেকে ১২০ টাকায়। আর আমদানি করা চায়না আদা বিক্রি হচ্ছে ১৪০ থেকে ১৫০ টাকায়। এদিকে আগের মতই বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে চাল-ডাল. তেল-লবন ও চিনি। নতুন করে এ সপ্তাহে আর বাড়েনি উচ্চ দামে বিক্রি হওয়া এই পণ্যগুলোর দাম।

বিভিন্ন কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা গেছে, লাউ, করলা, টমেটো, শশা, শিম, শালগম, মুলা, গাজর, ফুলকপি, বাঁধাকপি, বেগুনের দাম সপ্তাহের ব্যবধানে কিছুটা কমেছে। গত সপ্তাহে ১২০ থেকে ১৩০ টাকা কেজি বিক্রি হওয়া করলার দাম কমে ১০০ থেকে ১১০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। মাঝারি আকারের লাউ বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকা পিস। বরবটির কেজি বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৮০ টাকা।

গত সপ্তাহে ৩০-৫০ টাকা কেজি বিক্রি হওয়া শসার দাম কমে ২০-৩০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। পেঁপে গত সপ্তাহের মতো ৩০-৪০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। দেশি পাকা টমেটোর কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩০-৪০ টাকা, যা গত সপ্তাহে ছিল ৪০-৬০ টাকা। ভালো মানের শিমের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩০-৪০ টাকা, যা গত সপ্তাহে ছিল ৪০-৫০ টাকা। ফুলকপি পিস বিক্রি হচ্ছে ৩০-৩৫ টাকা, যা গত সপ্তাহে ছিল ৩৫-৪০ টাকা। একই দামে বিক্রি হচ্ছে বাঁধাকপি। গাজর বিক্রি হচ্ছে ২০-৩০ টাকা কেজি, যা গত সপ্তাহে ছিল ৩০-৪০ টাকা। শালগম বিক্রি হচ্ছে ২৫-৩০ টাকা, যা গত সপ্তাহে ছিল ৩০-৪০ টাকা কেজি।

দাম কমার এ তালিকায় রয়েছে বেগুন, মুলা, কাঁচা মরিচও। গত সপ্তাহে ৩০-৩৫ টাকা কেজি বিক্রি হওয়া মুলার দাম কমে ২০-২৫ টাকা হয়েছে। ৬০-৭০ টাকার বেগুন দাম কমে ৪০-৫০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। কাঁচা মরিচের পোয়া (২৫০ গ্রাম) বিক্রি হচ্ছে ১৫-২০ টাকা, যা গত সপ্তাহে ছিল ২০-৩০ টাকা।

এদিকে মাছ বাজার ঘুরে দেখা গেছে, রুই মাছের কেজি বিক্রি হচ্ছে ২২০ থেকে ৫০০ টাকা। তেলাপিয়া ১৩০ থেকে ১৭০ টাকা, শিং মাছ ৩০০ থেকে ৪৫০ টাকা, শোল মাছ ৪০০ থেকে ৭৫০ টাকা, পাবদা ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা, টেংরা ৪৫০ থেকে ৬০০ টাকা, নলা ১৮০ থেকে ২০০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে।

ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১২০ থেকে ১৩০ টাকা কেজি। পাকিস্তানি কক মুরগির কেজি বিক্রি হচ্ছে ২৩০ থেকে ২৪০ টাকা। লাল লেয়ার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ২০০ থেকে ২২০ টাকা কেজি। গরুর মাংস ৫৩০ থেকে ৫৫০ টাকা এবং খাসির মাংস ৭৫০ থেকে ৮৫০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। মাছ ও মাংসের দাম সপ্তাহের ব্যবধানে অপরিবর্তিত রয়েছে।

-জেডসি