ঢাকা, বৃহস্পতিবার ২৯, অক্টোবর ২০২৬ ০:৩৩:০৬ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
কাজাখস্তানকে হারিয়ে বাংলাদেশের মেয়েদের স্বর্ণ জয় নারী ও শিশুদের কল্যাণে ইউনিসেফের সঙ্গে সহযোগিতা বাড়াতে চায় সরকার শনিবার এইচএসসির ফল প্রকাশ: অনলাইনে জানবেন যেভাবে ঢামেক চত্বরে অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট, রোগী-স্বজনদের ভোগান্তি ৬৩০ কোটি ডলার জাপানি বিনিয়োগ নিয়ে আলোচনা: প্রধানমন্ত্রী ভারতে তাণ্ডব চালিয়ে বাংলাদেশের দিকে ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’

বাংলাদেশে করোনার চতুর্থ ঢেউয়ের শঙ্কা কম: মার্কিন সংস্থা

নিজস্ব প্রতিবেদক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০৯:৫৫ এএম, ২৮ এপ্রিল ২০২২ বৃহস্পতিবার

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

বাংলাদেশে করোনাভাইরাসের চতুর্থ ঢেউ আসার শঙ্কা কম বলে মনে করছে মার্কিন রোগ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ সংস্থা (সিডিসি)। সংস্থাটি জানায়, প্রতিবেশী দেশ ভারত, চীন, যুক্তরাষ্ট্রসহ কয়েকটি ইউরোপীয় দেশে করোনার চতুর্থ ঢেউ এলেও বাংলাদেশে এ ঢেউয়ের শঙ্কা খুবই কম।

বুধবার (২৭ এপ্রিল) রাজধানীর গুলশানে আমেরিকান সেন্টার বাংলাদেশের সঙ্গে ইউএস সিডিসির পার্টনারশিপ নিয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সিডিসির কান্ট্রি ডিরেক্টর নিলি কায়দোস ডেনিয়েলস এসব কথা জানান।

তিনি বলেন, ‘করোনার টিকা কর্মসূচিতে যুক্তরাষ্ট্রের চেয়ে বাংলাদেশ এগিয়ে রয়েছে। জনসংখ্যার অনুপাতে বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্রের চেয়ে বেশি করোনার টিকা দেওয়া হয়েছে। করোনা টিকার দ্বিতীয় ডোজ নিয়েছে এমন পরিসংখ্যানেও বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রের থেকে এগিয়ে। এছাড়া এদেশের মানুষের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা অনেক ভালো। যে কারণে নতুন করে কোনো ঢেউ আসার সম্ভাবনা কম।’

তিনি আরও বলেন, ‘চতুর্থ ঢেউ বাংলাদেশে এলেও তা হবে ছোট পরিসরে। তবে করোনা আক্রান্ত একজন রোগীই ফের মহামারি তৈরি করতে পারেন। তাই সতর্ক থাকতে হবে। মহামারি সবার জন্য শিক্ষা। আমাদের এটি ভুলে গেলে চলবে না। সুতরাং সতর্ক থাকতে হবে।’

বাংলাদেশে অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধের ব্যবহার নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে সিডিসির কান্ট্রি ডিরেক্টর বলেন, ‘অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধের ব্যবহার যেভাবে বাড়ছে, তা উদ্বেগজনক। কারও দুদিনের অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধ দিলে কাজ হবে, কিন্তু তাকে দেওয়া হচ্ছে পাঁচ দিনের।’


নিলি কায়দোস বলেন, ‘বাংলাদেশের ওষুধের দোকানগুলোতে প্রেসক্রিপশন ছাড়াই ওষুধ বিক্রি করা হচ্ছে। ফলে মানুষের জীবাণু নিরোধক প্রতিরোধ ব্যবস্থা কমে যাচ্ছে। এতে অবস্থা এমন হতে পারে, যেমন মনে করুন আপনার হাত একটু কাটল, আর তাতেই আপনি মারা যাবেন।’