বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিব ছিলেন আদর্শ বাঙালি নারীর প্রতিকৃতি
বাসস | উইমেননিউজ২৪প্রকাশিত : ০৯:৪১ এএম, ৮ আগস্ট ২০২২ সোমবার
ছবি: সংগৃহীত
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বঙ্গমাতা ফজিলাতুন নেছা মুজিব ছিলেন আদর্শ বাঙালি নারীর প্রতিকৃতি। নির্লোভ, নিরহংকার ও পরোপকারী এবং পার্থিব বিত্ত-বৈভব বা ক্ষমতার জৌলুস কখনও তাকে আকৃষ্ট করতে পারেনি। রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী হয়েও তিনি ‘ফার্স্ট লেডি’ পরিচয়ে পরিচিত না হয়ে, সব সময় সাদামাটা জীবনযাপন করতেন।
শেখ হাসিনা বলেন, তিনি গরিব-দুঃখীদের সাহায্য করতেন। বঙ্গমাতা যে আদর্শ ও দৃষ্টান্ত রেখে গেছেন, তা যুগে যুগে বাঙালি নারীদের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে। তিনি বঙ্গমাতা ফজিলাতুন নেছা মুজিবের আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন।
সোমবার (৮ আগস্ট) বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিবের ৯২তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে তিনি এসব কথা বলেন।
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুযোগ্য সহধর্মিণীর জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে তার স্মৃতির প্রতি তিনি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, বঙ্গমাতার জন্মবার্ষিকীর এবারের প্রতিপাদ্য ‘মহীয়সী বঙ্গমাতার চেতনা: অদম্য বাংলাদেশের প্রেরণা’- যথার্থ ও তাৎপর্যপূর্ণ হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতার পর পরই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের সঙ্গে বঙ্গমাতা যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ গড়ার কাজে আত্মনিয়োগ করেন। বিশেষ করে নির্যাতিত মা-বোনদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন এবং সামাজিকভাবে তাদের প্রতিষ্ঠিত করার উদ্যোগ নেন। স্বাধীনতা ও দেশ বিরোধী ষড়যন্ত্রকারী অপশক্তি ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের কালরাতে জাতির পিতার সঙ্গে বঙ্গমাতা ফজিলাতুন নেছা মুজিবকেও নৃশংসভাবে হত্যা করে, যা জাতির ইতিহাসে এক কলঙ্কজনক অধ্যায় হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আছে। দেশ ও জাতির জন্য তার অপরিসীম ত্যাগ-তিতিক্ষা এবং অবদানের কারণে জাতি তাকে ‘বঙ্গমাতা’ উপাধিতে ভূষিত করেছে।
শেখ হাসিনা বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ প্রদানের ক্ষেত্রেও বঙ্গমাতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। জাতির পিতা কারাগারে থাকাকালীন বঙ্গমাতা দলের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতেন, প্রয়োজনীয় দিক-নির্দেশনা দিতেন এবং কারাগারের বাইরে অবস্থা সম্পর্কে বঙ্গবন্ধুকে অবহিত করতেন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবকে লেখালেখিতে অনুপ্রেরণার মাধ্যমে বঙ্গমাতা আমাদের ইতিহাস চর্চার ক্ষেত্রেও তাৎপর্যময় অবদান রেখে গেছেন।
তিনি বলেন, ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর হাতে গৃহবন্দী থেকে এবং পাকিস্তানে কারাবন্দী স্বামীর জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে গভীর অনিশ্চয়তা ও শঙ্কা সত্ত্বেও তিনি সীমাহীন ধৈর্য, সাহস ও বিচক্ষণতার সঙ্গে পরিস্থিতি মোকাবিলা করেন। হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী তাকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের জন্য ‘স্রষ্টার দেওয়া অতি অমূল্য দান’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।
বঙ্গমাতা ফজিলাতুন নেছা মুজিব ১৯৩০ সালের ৮ আগস্ট বর্তমান গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গিপাড়ার এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। ৩ বছর বয়সে তিনি পিতা এবং ৫ বছর বয়সে মাকে হারান। তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের পিতা-মাতার কাছে লালিত-পালিত হন। মহীয়সী নারী ফজিলাতুন নেছা মুজিব ছোটবেলা থেকেই ছিলেন দৃঢ়চেতা ও বলিষ্ঠ চরিত্রের অধিকারী। তিনি শুধু জাতির পিতার সহধর্মিণীই ছিলেন না, বাঙালির সুদীর্ঘ স্বাধিকার আন্দোলন ও মুক্তিসংগ্রামের নেপথ্যের কারিগর হিসেবে প্রতিটি পদক্ষেপে তাকে সক্রিয় সহযোগিতা করেছেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের দৃঢ় চেতনাকে আরো শাণিত করেন।
জাতির পিতা কলকাতার ইসলামিয়া কলেজে অধ্যয়নকালে ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনে যোগ দেন। তখন থেকেই বঙ্গমাতা তার রাজনীতি ও ভবিষ্যৎ কর্মপস্থার সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন। দেশ বিভাগের পূর্বে ১৯৪৬ সালে দাঙ্গার সময় বঙ্গমাতা নিজে অসুস্থতা সত্ত্বেও স্বামীকে কাছে না রেখে কলকাতার দাঙ্গাপীড়িত মানুষকে সহায়তা করার পরামর্শ দিয়ে দেশপ্রেমের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন। আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলায় তার সাহসী ও দূরদৃষ্টিসম্পন্ন সিদ্ধান্তে মামলার সকল রাজবন্দীর জীবন রক্ষা হয় এবং স্বাধীনতার আন্দোলনকে আরো বেগবান করে তোলে। ৬-দফা ও ১১-দফা আন্দোলনে তিনি বলিষ্ঠ অবদান রাখেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমি আশা করি, তার জীবনী চর্চার মাধ্যমে নতুন প্রজন্ম দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হবে এবং জাতির পিতার সংগ্রামী জীবন, বাঙালির স্বাধিকার আন্দোলন, মহান মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতা সংগ্রামে অনেক অজানা অধ্যায় সম্পর্কে জানতে পারবে। তিনি বঙ্গমাতা ফজিলাতুন নেছা মুজিবের ৯২তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে গৃহীত সকল কর্মসূচির সাফল্য কামনা করেন।
সূত্র : বাসস
- সাংবাদিকের কলমে ভয় দেখানোর অধিকার কারও নেই
- অবহেলিত নারীদের স্বপ্ন পূরণ করছে ‘নীলসাগর’
- স্নাতক পাসেই নিয়োগ দেবে এনসিসি ব্যাংক, নেই বয়সসীমা
- বদলে গেল মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের নাম
- এবার সংগ্রাম ও মাতৃত্বের গল্পে দেখা যাবে পরীমনিকে
- বায়ুদূষণে ঢাকার উন্নতি, শীর্ষে লাহোর
- মস্তিষ্ককে সচল রাখতে প্রতিদিন সকালে যে ৫ কাজ করবেন
- শীতকালীন শাকসবজি চাষে ব্যস্ত বগুড়ার কৃষকরা
- অন্ধ্র উপকূলে আঘাত হানতে পারে ঘূর্ণিঝড় অর্ণব, বাংলাদেশে কী প্রভাব
- তেঁতুলিয়ায় জেঁকে বসেছে শীত, তাপমাত্রা ১৫.৪ ডিগ্রি
- সাংবাদিকদের নিয়ে আইজিপির বক্তব্য প্রত্যাহারের আলটিমেটাম ডিআরইউর
- জাপানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে শীর্ষ বৈঠকে তারেক রহমান
- ইয়ামাল-এমবাপের হৃদয় ভেঙে ব্যালন ডি’অর কেইনের
- জর্ডানের ভয়াবহ বিমান হামলা, নারী-শিশুসহ নিহত ৭
- সীতাকুণ্ডে লরিচাপায় নারী-শিশুসহ নিহত ৫
- আজ স্পেন যাচ্ছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
- বিমানে করে আমার জন্য একজন শিউলি ফুল পাঠিয়েছেন: পরীমণি
- কী অদ্ভুত এই স্বাধীনতা! যে দেশে মুক্তিযোদ্ধার কবরও নিরাপদ নয়
- সাংবাদিকদের ফুল ফান্ডেড ফেলোশিপ দিচ্ছে জাতিসংঘ
- জাপানে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
- নির্বাসন শেষে ভেনেজুয়েলায় ফিরলেন নোবেলজয়ী মাচাদো
- চতুর্থবার কমলো স্বর্ণের দাম, ভরিতে কমেছে ৩৩২৪ টাকা
- তানজিন তিশার বিরুদ্ধে তদন্তে সিআইডি
- অবহেলিত নারীদের স্বপ্ন পূরণ করছে ‘নীলসাগর’
- সীতাকুণ্ডে লরিচাপায় নারী-শিশুসহ নিহত ৫
- জনপ্রিয়তা পাচ্ছে ‘অনিন্দিতা’র শাড়ি-গয়না
- পিএসসির সদস্য হলেন ড. শামীমা সুলতানা
- মস্তিষ্ককে সচল রাখতে প্রতিদিন সকালে যে ৫ কাজ করবেন
- স্নাতক পাসেই নিয়োগ দেবে এনসিসি ব্যাংক, নেই বয়সসীমা
- জর্ডানের ভয়াবহ বিমান হামলা, নারী-শিশুসহ নিহত ৭











