ঢাকা, বৃহস্পতিবার ০৪, জুন ২০২৬ ৮:৩০:২৯ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
সেই বৃদ্ধার ছেলে যুগ্মসচিব আনিসুরকে প্রত্যাহার মিরপুরের বৃদ্ধার মৃত্যু: তদন্ত কমিটি চেয়ে রিট তৃণমূলের সব সাংগঠনিক কমিটি ভেঙে দিলেন মমতা হামে প্রাণ গেল আরো ৭ শিশুর, মোট মৃত্যু ৬০০ ছাড়ালো সাগরিকার শেষ সময়ের গোলে সাফের ফাইনালে বাংলাদেশ এক মামলায় জামিন পেলেন দীপু মনি, ছয়টিতে রুল

বৈশাখের আগে ইলিশের চড়া দাম, স্বস্তি নেই অন্য মাছেও

জোসেফ সরকার | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ১১:০৫ এএম, ১১ এপ্রিল ২০২৬ শনিবার

ছবি: সংগ্রহিত।

ছবি: সংগ্রহিত।

পয়লা বৈশাখকে সামনে রেখে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন কাঁচাবাজারে নিত্যপণ্যের দামে নতুন করে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। উৎসব ঘিরে চাহিদা বাড়লেও সরবরাহ কম থাকায় সবচেয়ে বেশি চাপ পড়েছে ইলিশের বাজারে।

মাত্র এক সপ্তাহের ব্যবধানে ইলিশের কেজিপ্রতি দাম বেড়েছে ৪০০ থেকে ৬০০ টাকা পর্যন্ত। বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বড় আকারের (১.২ থেকে ১.৫ কেজি) ইলিশ এখন বিক্রি হচ্ছে ৩১০০ থেকে ৩৫০০ টাকায়, যা কিছুদিন আগেও ছিল ২৭০০ থেকে ৩০০০ টাকার মধ্যে। এক কেজির ইলিশ কিনতে গুনতে হচ্ছে ২৫০০ থেকে ২৮০০ টাকা। ৮০০-৯০০ গ্রামের ইলিশের দাম ২২০০ থেকে ২৪০০ টাকা, আর ছোট (৫০০-৬০০ গ্রাম) ইলিশও ১৮০০ থেকে ২২০০ টাকার নিচে মিলছে না।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, নদীতে মাছ ধরা কমে যাওয়ায় সরবরাহ কমেছে। এর সঙ্গে বৈশাখের বাড়তি চাহিদা যোগ হয়ে দামকে আরও উসকে দিয়েছে। ফলে অনেক ক্রেতা ইলিশ থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন। তবে বিকল্প মাছেও স্বস্তি নেই।

রুই ও কাতলা বিক্রি হচ্ছে কেজিতে ৩২০-৩৮০ টাকা, পাঙাশ ১৮০-২০০, তেলাপিয়া ১৮০-২২০ টাকা। চিংড়ি কিনতে হচ্ছে ৬৫০-৭৫০ টাকা কেজি দরে। কই মাছ ২০০-২৫০, দেশি শিং ৬৫০-৭৫০, শোল ৬৫০, সুরমা ৩০০-৩৫০ এবং পাবদা ৩৫০-৪০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

মুরগির বাজারেও রয়েছে ভিন্ন চিত্র। ব্রয়লার তুলনামূলক কমদামে ১৮০-১৯০ টাকায় মিললেও সোনালি মুরগির দাম এখনো চড়া—প্রতি কেজি ৩৮০ থেকে ৪২০ টাকা।

অন্যদিকে সাম্প্রতিক বৃষ্টির প্রভাবে সবজির দামও বেড়েছে। অধিকাংশ সবজি এখন ৮০ টাকার আশপাশে। পটোল ও ঢ্যাঁড়শ ৬০-৮০ টাকা, সিম ও সজিনা ৮০-১২০ টাকা, আর ঝিঙা, করলা ও বরবটি ১০০-১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। কাকরোলের দাম আরও বেশি, ১২০ থেকে ১৬০ টাকা। আলু কিছুটা স্বস্তি দিচ্ছে—২০-২৫ টাকা কেজি। পেঁয়াজ ৩০-৩৫ এবং কাঁচামরিচ ১০০-১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

চালের বাজারেও রয়েছে ভিন্নতা। মঞ্জুর ও সাগর ব্র্যান্ডের মিনিকেট চাল ৮৫-৮৮ টাকা, রশিদ মিনিকেট ৭৫-৮০ টাকা এবং নন-ব্র্যান্ড মিনিকেট ৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। মোজাম্মেল মিনিকেটের দাম উঠেছে ৯০ টাকা পর্যন্ত।

ডালের বাজারেও ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। চিকন মসুর ডাল ১৬০-১৭০ টাকা, মোটা মসুর ১০০ টাকা, বড় মুগ ১৪০, ছোট মুগ ১৭০, খেসারি ১০০, বুটের ডাল ১১৫ এবং মাষকলাই ১৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

সব মিলিয়ে বৈশাখের আগমনে বাজারে বাড়তি চাপ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে ইলিশের দাম সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে যাওয়ায় উৎসবের আনন্দে খানিকটা অস্বস্তির ছাপ পড়েছে।