ঢাকা, মঙ্গলবার ২৮, জুলাই ২০২৬ ১৫:২৪:২৫ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
ছয় মাসে ৮৬ শিশু হ*ত্যা, যৌন নির্যাতনের শিকার ৩৩৬ জন হাইকোর্টে একদিনে ৭ হাজার ৮৫৩ মামলা নিষ্পত্তির রেকর্ড হেপাটাইটিস ‘সি’ সংক্রমণে বিশ্বের শীর্ষ দশে বাংলাদেশ গ্যাসের ঘাটতিতে বাড়ছে বিদ্যুৎ ও শিল্প সংকট রেকর্ড ভাঙতে পারে ইউরোপের দাবানল এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল ১০ আগস্ট

মাইক্রো প্লাস্টিকের বিপদ কমাবেন যেভাবে

লাইফস্টাইল ডেস্ক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ১১:৫৫ এএম, ২৮ জুলাই ২০২৬ মঙ্গলবার

সংগৃহীত ছবি

সংগৃহীত ছবি

সম্প্রতি এক বৈজ্ঞানিক গবেষণায় ৩৪টি টুথপেস্টের মধ্যে ২৬টিতে মাইক্রো প্লাস্টিক শনাক্ত হয়েছে। শুধু টুথপেস্টেই নয়, বরং চিনিসহ নিত্য প্রয়োজনীয় বিভিন্ন দ্রব্যেও বিগত সময়ে মাইক্রো প্লাস্টিকের উপস্থিতি পাওয়া গেছে। এমনকি বাজার থেকে কেনা শাক-সবজীতেও এই ক্ষতিকর পদার্থের উপস্থিতি পাওয়া যায়।

মাইক্রো প্লাস্টিক দূষণ বর্তমানে বিশ্বব্যাপী পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের বড় উদ্বেগের বিষয়। মাইক্রো প্লাস্টিক হলো প্লাস্টিকের অতিক্ষুদ্র কণা। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মাইক্রো প্লাস্টিক নিয়মিত শরীরে প্রবেশ করলে অঙ্গ-পতঙ্গের ক্ষতি করতে পারে, প্রভাব পড়তে পারে প্রজনন স্বাস্থ্যেও। মাইক্রো প্লাস্টিক নির্মূল করার সুযোগ নেই। পরিবেশবিদদের মতে, মাইক্রো প্লাস্টিক প্রবেশ সম্পূর্ণ বন্ধ করা সম্ভব নয়। শুধু খাদ্যদ্রব্য নয়, শ্বাস প্রশ্বাসের মাধ্যমেও আমাদের দেহে প্রবেশ করে এই উপাদান।


দেহে মাইক্রো প্লাস্টিক প্রবেশ সম্পূর্ণ বন্ধ না করা গেলেও কিছু সচেতন কার্যক্রমের মাধ্যমে বিপদের পরিমাণ অনেকাংশ হ্রাস করা সম্ভব। চলুন জেনে নেই কয়েকটি উল্লেখযোগ্য বিষয়-

ট্যাপের পানি ফিল্টার করুন
ট্যাপের পানিতে মাইক্রো প্লাস্টিক থাকতে পারে। তাই ট্যাপের পানি ব্যবহারের সময় অবশ্যই ফিল্টার করা জরুরি। ‘রিভার্স অসমোসিস’-এর মতো আধুনিক ফিল্টার পদ্ধতি এ ক্ষেত্রে আরও কার্যকরী।

প্যাকেটজাত খাবার এড়িয়ে চলুন
বাড়ির খাবার হোক প্রথম পছন্দ। বাইরের প্রক্রিয়াজাত বা প্যাকেটজাত খাবার এড়িয়ে চলা উত্তম। প্লাস্টিকের পাত্র থেকে খাবারে প্লাস্টিক কণা মেশার সম্ভাবনা থাকে। বিশেষ করে গরম খাবার প্লাস্টিকের পাত্রে রাখা অধিক ঝুঁকিপূর্ণ।

খাবার সংরক্ষণে ধাতব বা কাচের পাত্র
বাড়িতে রান্না করা খাবারও প্লাস্টিক পাত্রে সংরক্ষণ করা উচিত না। তারচেয়ে ধাতব বা কাচের পাত্রে সংরক্ষণ করুন। এগুলো খাবার দূষিত করে না বরং তুলনামূলক নিরাপদ।


ওয়ান টাইম প্লাস্টিক বর্জন করুন
ধারণা করা হয় মাইক্রো প্লাস্টিক বেশি ছড়ায় ওয়ান টাইম প্লাস্টিক পণ্য থেকে। তাই বাইরে খাওয়ার সময় প্লাস্টিকের স্ট্র, কাঁটা চামচ, গ্লাস এসব বর্জন করুন। পরিবেশবিদদের পরামর্শ হলো, হয় পুনর্ব্যবহারযোগ্য জিনিস ব্যবহার করুন অথবা পরিবেশবান্ধব জিনিসের ব্যবহার করুন।

পরিবেশবান্ধব ব্যাগের ব্যবহার
ঘরের বাজার করতে গেলেই আমাদের সাধারণ সঙ্গী প্লাস্টিকের ব্যাগ। সতেজ ফলমূল কিংবা শাক সবজিতেও সহজেই এই ব্যাগ থেকে প্লাস্টিক মিশতে পারে। এজন্য বিকল্প পরিবেশবান্ধন ব্যাগ- চট বা সুতির ব্যবহার করা যায়। পাশাপাশি পোশাক কিংবা বিছানার চাদরের ক্ষেত্রেও পলিয়েস্টার জাতীয় কাপড় এড়িয়ে চলুন।

সামুদ্রিক খাবারে সতর্কতা
বিভিন্ন গবেষণায় জানা গেছে, নিত্য ব্যবহার্য বিশাল প্লাস্টিক পতিত হয় সমুদ্রে। এতে সমুদ্র দূষণের পাশাপাশি এসব প্লাস্টিক মিশে যায় সামুদ্রিক মাছসহ অন্যান্য জীবে। পরবর্তীতে খাদ্য হিসেবে মানুষ এসব গ্রহণ করলে মানুষের দেহে প্রবেশ করে এই ক্ষতিকর কণা।

প্রসাধনী কেনার আগে যাচাই
নিত্যদিন আমরা নানা রকম প্রসাধনী ব্যবহার করি। এসব দ্রব্যেও থাকতে পারে প্লাস্টিক কণা। তাই প্রসাধনী কেনার আগে লেভেলে উপকরণের তালিকায় পলিথিন বা পলিপ্রপিলিন জাতীয় কোনও নাম রয়েছে কি তা খেয়াল করুন। এসব উপাদান থাকলে ঐ প্রসাধনী ব্যবহার না করাই ভালো।