ঢাকা, বুধবার ১০, জুন ২০২৬ ৩:৩৫:৪০ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
আগামী ২৪ ঘণ্টায় ঝড়-বৃষ্টি হতে পারে যেসব অঞ্চলে অনার্স-এ ৬ বিষয় বাতিলের পরিকল্পনা নেই: শিক্ষামন্ত্রী ২১ বছর পর ওয়ানডেতে অস্ট্রেলিয়াবধ বাংলাদেশের শিশু রামিসা হত্যা মামলা: আসামিদের ডেথ রেফারেন্স হাইকোর্টে সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় প্রতিষ্ঠার রায় আপিল বিভাগে স্থগিত প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে একনেক সভা চলছে পদ্মায় গোসল করতে নেমে গৃহবধূ নিখোঁজ ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলে টাকার নৈরাজ্য, নেই নিয়ম-নীতির বালাই

মা-বাবা আলাদা হলে সন্তানের মানসিক বিকাশ হয় না : হাইকোর্ট

নিজস্ব প্রতিবেদক | উইমেননিউজ২৪.কম

আপডেট: ০৮:৩০ পিএম, ২৫ জুলাই ২০১৮ বুধবার

একটি সংসারে মা-বাবা আলাদা হয়ে গেলে ছেলে-মেয়েরা মানসিকভাবে পরিপূর্ণ হয় না বলে মন্তব্য করেছে হাইকোর্ট।


বিচারপতি জেবিএম হাসান ও বিচারপতি মো. খায়রুল আলম সমন্বয়ে গঠিত একটি হাইকোর্ট ডিভিশন বেঞ্চ বিচ্ছেদে থাকা দম্পতির উদ্দেশ্যে এ মন্তব্য করেন।


নওগাঁর সদর উপজেলার বাংগাবাড়িয়া গ্রামের বিচ্ছেদে থাকা এক দম্পতির ৮ বছরের শিশুর হেফাজতে থাকার মামলার শুনানিতে আদালত বলেন, ভাঙা সংসারে শিশুর শারীরিক বিকাশ ঘটলেও মানসিক বিকাশ ঘটে না।


আদালতে শিশুর মায়ের পক্ষে মামলা পরিচালনা করেন সুপ্রিমকোর্ট লিগ্যাল এইড কমিটির প্যানেল আইনজীবী অমিত দাশ গুপ্ত। শিশুর বাবার পক্ষে ছিলেন আইনজীবী এএসএম শাহরিয়ার কবির।


আইনজীবী অমিত দাশ গুপ্ত সাংবাদিকদের বলেন, আদালত উভয়পক্ষকে পারস্পরিক বোঝাপড়া করতে সময় দিয়েছেন। এ মামলার পরবর্তী আদেশের জন্য ৫ আগষ্ট দিন ঠিক করে রেখেছে আদালত।


২০০৮ সালের ২৭ জুন নওগাঁর সদর উপজেলার বাংগাবাড়িয়া গ্রামের সাজ্জাদুর রহমানের সঙ্গে একই উপজেলার কুসুমদি গ্রামের তৌহিদা আক্তারের বিয়ে হয়। পরে জন্ম নেয় সন্তান সাজফা সাজিদা। দাম্পত্য কলহের কারণে গত বছর ১৮ ডিসেম্বর তাদের বিবাহ বিচ্ছেদ হয়। সন্তানকে নিজের কাছে রাখতে হাইকোর্টে রিট করেন সাজ্জাদুর। এর প্রেক্ষিতে গত ৩০ মে হাইকোর্ট শিশুটিকে আদালতে হাজির করতে নওগাঁ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) নির্দেশ দেয়। এরপর ২৭ জুন শিশুটিকে আদালতে হাজির করা হয়। একইসঙ্গে উপস্থিত ছিলেন বাবা-মাও। ওইদিন শিশু সাজফা সাজিদাকে (৮) আপাতত মায়ের হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেয় আদালত। তবে তার বাবা সপ্তাহে কমপক্ষে একদিন সন্তানকে দেখতে পারবেন। তবে এসময়ের মধ্যে স্বামী-স্ত্রীর দ্বন্ধ মেটানো যায় কিনা সে বিষয়ে উভয় পক্ষকে চেষ্টা চালাতে বলেছে আদালত।


অমিত দাশ গুপ্ত বলেন, আদেশ অনুসারে শিশুটির বাবা দুইবার তার সঙ্গে দেখা করেছে। শিশুটির সঙ্গে সম্পর্ক হয়েছে। এখন বাবা শিশুর ভরণ পোষণের জন্য ৫ হাজার টাকা দিতে প্রস্তুত রয়েছে। এরপর আদালত বাবা-মায়ের পারস্পরিক বোঝাপড়ার জন্য আরও সময় দিয়ে ৫ আগস্ট-পরবর্তী আদেশের দিন ধার্য করেছে।