মিয়ানমারে ত্রাণ সহায়তা বন্ধের হুমকি জাতিসংঘের
আন্তর্জাতিক ডেস্ক | উইমেননিউজ২৪প্রকাশিত : ০১:২০ পিএম, ১৭ জুন ২০১৯ সোমবার
ছবি: ইন্টারনেট
রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে মিয়ানমার সরকারের জাতিগত বিদ্বেষী নীতির কারণে দেশটিতে ত্রাণ সহায়তা প্রত্যাহারের হুমকি দিয়েছে জাতিসংঘ।
রাখাইন সংকটের পরিপ্রেক্ষিতে প্রথমবারের মতো মিয়ানমারের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে এ আন্তর্জাতিক সংস্থাটি। খবর দ্য গার্ডিয়ানের।
মিয়ানমারে জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারী কেনাট ওস্টবি নেইপিদোকে চিঠি দিয়ে এ বার্তা জানিয়ে দিয়েছেন।
চিঠিতে বলা হয়েছে, বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গারা এখনও রাখাইনের শরণার্থী শিবিরে (ইন্টারন্যালি ডিসপ্লেসড পারসনস-আইডিপি ক্যাম্প) আটকে রাখা হয়েছে।
তাদের মৌলিক মানবাধিকার ও চলাফেরার স্বাধীনতা নিশ্চিত না হলে ত্রাণ সহায়তা বন্ধ করে দেয়া হবে। মিয়ানমার অবশ্য চিঠিটিকে হুমকি হিসেবে মানতে নারাজ। তাদের দাবি, ওই চিঠিতে সহায়তার বার্তা দেয়া হয়েছে। ২০১৭ সালের আগস্টে রাখাইনের কয়েকটি নিরাপত্তাচৌকিতে হামলার পর পূর্বপরিকল্পিত ও কাঠামোগত সহিংসতা জোরালো করে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী।
হত্যা-ধর্ষণসহ বর্বর নির্যাতন থেকে বাঁচতে নতুন করে বাংলাদেশে পালিয়ে আসে সাত লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা। জাতিগত নিধনের ভয়াবহ বাস্তবতায় রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর বড় অংশটি বাংলাদেশে পালিয়ে এলেও জাতিসংঘের হিসাবে চার লাখেরও বেশি মানুষ এখনও সেখানে থেকে গেছে।
২০১২ সালে রাখাইনে সহিংসতা শুরুর পর বাস্তুচ্যুত হয়ে পড়া জনগোষ্ঠীদের জন্য স্থাপন করা হয় আইডিপি ক্যাম্প। তখন থেকেই এই ক্যাম্পে সহায়তা দিয়ে আসছে জাতিসংঘ।
রোহিঙ্গা ও কামান জনগোষ্ঠীর প্রায় এক লাখ ২৮ হাজার সদস্য এসব ক্যাম্পে বসবাস করে। তবে তাদের চলাফেরায় কঠোর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করে রেখেছে মিয়ানমার সরকার।
২০১৭ সালে রোহিঙ্গাবিরোধী নতুন অভিযান জোরালো করার পাশাপাশি এসব ক্যাম্প বন্ধ করার অঙ্গীকার করে মিয়ানমার সরকার। তবে সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের কোনো পদক্ষেপ দেখা যায়নি। উল্টো অভ্যন্তরীণ বাস্তুচ্যুতদের পরিস্থিতি দিনকে দিন আরও অবনতির দিকে গেছে।
২০১৮ সালের এপ্রিলে জাতিসংঘ এক প্রতিবেদনে জানায়, অভ্যন্তরীণ বাস্তুচ্যুতির শিকার হওয়া এসব মানুষ সেখানকার শিবিরে মানবেতর দিন কাটাচ্ছে। সংস্থাটির ত্রাণবিষয়ক উপপ্রধান উরসুলা মুলার সে সময় দাবি করেন, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গাদের প্রতি মনোযোগী হলেও রাখাইনে থেকে যাওয়া ওই চার লাখ রোহিঙ্গা আলোচনার বাইরে রয়েছে।
গত ৬ জুন মিয়ানমার সরকারকে লেখা চিঠিতে দেশটিতে জাতিসংঘের আবাসিক প্রতিনিধি বলেছেন, এখন থেকে চলাফেরার স্বাধীনতাসহ মৌলিক ইস্যুতে বাস্তব উন্নতি হলেই কেবল জাতিসংঘ ও তাদের দাতাগোষ্ঠীর সহায়তা দেয়া হবে।
বাংলাদেশে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে জাতিসংঘ-বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যে ত্রিপক্ষীয় প্রত্যাবাসন চুক্তি হয়েছে। তবে মুখে প্রত্যাবাসনের কথা বললেও মিয়ানমার শুরু থেকেই রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নেয়ার ব্যাপারে কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেয়নি।
-জেডসি
- বুলগেরিয়ার প্রথম নির্বাচিত নারী প্রেসিডেন্ট হচ্ছেন ইলিয়ানা
- মিষ্টির আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত এলিজা জামান
- শুক্র-শনিবার ছুটিসহ ওয়ার্ল্ড ভিশনে চাকরি, পাবেন প্রভিডেন্ট ফান্ড
- শাহরুখের জন্মদিনে ‘কিং’-এর প্রথম গান প্রকাশ
- শীতের আগেই শুরু হোক প্রস্তুতি
- চলতি সপ্তাহে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে টানা তিন দিনের ছুটি
- ‘স্বর্ণের ডিম’ আবুধাবিতে ফেরত নেওয়ার পথে আটক
- মিরপুরে সড়কে নামার চেষ্টা শ্রমিকদের, পুলিশের ধাওয়া
- গাজীপুরে আজও শ্রমিকদের বিক্ষোভ-অবরোধ, যানবাহন ভাঙচুর
- অভাব-অনটন জয় করে যমজ দুই বোন পেলেন জিপিএ-৫
- চার মাসে রপ্তানি আয় ছাড়াল ১৭ বিলিয়ন ডলার
- সোনার শহরে তৈরি হচ্ছে বিশ্বের প্রথম সোনার রাস্তা
- প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়েছে ‘মুরাসু’, সর্বশেষ যা জানা গেল
- টানা ৪ দিন গ্যাস সংকটে ভুগবে ঢাকাসহ সারাদেশ
- ট্রাম্পের প্রাসাদ থেকে অল্প দূরে বিমান বিধ্বস্ত, নিহত ৯
- আজ শিশুসাহিত্যিক ফারুক নওয়াজের জন্মদিন
- অক্টোবরে ডেঙ্গুতে মৃত্যু ১৭৪, চলতি বছরে সর্বোচ্চ
- ফ্রান্সের পর জার্মানিতেও বিক্ষোভের আগুন, রাজপথে লাখো মানুষ
- এইচএসসির ফল পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন শুরু, জেনে নিন নিয়ম
- মিরপুরে আজও পোশাকশ্রমিকদের অবরোধ
- হজমশক্তি ভালো রাখতে পারে প্রতিদিনের এই ৫ অভ্যাস
- মিরপুরে পোশাকশ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের দফায় দফায় সংঘর্ষ
- পর্যটকদের জন্য খুললো সেন্টমার্টিন
- জার্মানির প্রেসিডেন্ট পদে নারী দেখতে চান আঙ্গেলা ম্যার্কেল
- ক্যানসার ধরা পড়ার পরই ‘১৫ মিনিটে’ বিয়ে করেন হিনা খান
- বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ, বৃষ্টি হতে পারে যেসব অঞ্চলে
- ৬ রুটে পরীক্ষামূলক বাস চলাচল শুরু আজ
- চার মাসে রপ্তানি আয় ছাড়াল ১৭ বিলিয়ন ডলার
- গাজীপুরে আজও শ্রমিকদের বিক্ষোভ-অবরোধ, যানবাহন ভাঙচুর
- ট্রাম্পের প্রাসাদ থেকে অল্প দূরে বিমান বিধ্বস্ত, নিহত ৯











