ঢাকা, শুক্রবার ১০, জুলাই ২০২৬ ৪:০৪:২৭ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
ইরানের বিরুদ্ধে কোনো যুদ্ধে অংশ নেবে না ইতালি: মেলোনি শেখ হাসিনাকে ফেরানোর চেষ্টায় কূটনৈতিক ঘাটতি নেই: শামা ওবায়েদ মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়ার ৭০ বছর পর ব্রিটিশ নারীর সাজা পরিবর্তন শিক্ষক পদে ৪৬ হাজার পরীক্ষার্থীর ফল পুনরায় প্রকাশের নির্দেশ জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি হচ্ছেন আইরিন খান বান্দরবানে পাহাড়ধস, ঘুমন্ত অবস্থায় শিশুসহ ৫ জনের প্রাণহানি

মিয়ানমার সেনাবাহিনীর সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্নের আহ্বান জাতিসংঘের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০১:৪২ পিএম, ১৫ মে ২০১৯ বুধবার

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

জাতিসংঘের তদন্তকারীরা মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর সঙ্গে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সব ধরনের সহায়তা ছিন্ন করার আহ্বান জানিয়েছেন। মিয়ানমারের সেনা কমান্ডারদের মানবতা বিরোধী অপরাধ ও গণহত্যার জন্য জবাবদিহিতার ভেতর আনার অংশ হিসেবে তারা এই আহ্বান জানিয়েছেন। খবর দ্য গার্ডিয়ানের।

জাতিসংঘ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, রাখাইন অঞ্চলে ‘ক্লিয়ারেন্স অপারেশনের’ পর পালিয়ে আসা ১০ লাখের বেশি রোহিঙ্গা সংখ্যালঘুদের রক্ষার ব্যাপারে তেমন কোনও অগ্রগতি নেই।

জাতিসংঘের স্বাধীন আন্তর্জাতিক ফ্যাক্ট-ফাইন্ডিং মিশনের চেয়ারম্যান মারজুকি দারুসমান বলেছেন, সেখানে পরিস্থিতি পুরোপুরি থমকে আছে।

তিনি বলেন, বৌদ্ধ সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশটির কর্তৃপক্ষ রোহিঙ্গাদের ফেলে যাওয়া ঘরবাড়িতে আগুন ধরিয়ে দিয়েছে এবং অপরাধের সাক্ষ্যপ্রমাণ নষ্ট করেছে। আবারও সেনা অভিযানের আশঙ্কায় প্রায় এক লাখ ২০ হাজার মানুষ ক্যাম্পে রয়েছে। কর্তৃপক্ষের উচিত ‘মিয়ানমারে থাকা অবশিষ্ট রোহিঙ্গাদের সত্যিকারে ভালোর’ দিকে নজর দেয়া

মিয়ানমারের নিরাপত্তা বাহিনীর বিরুদ্ধে হত্যা, গণধর্ষণ ও অগ্নিকাণ্ডের অভিযোগ রয়েছে। ২০১৭ সালে চালানো ওই অভিযানের পর সহিংসতা থেকে বাঁচতে সাত লাখ ৩০ হাজার রোহিঙ্গা প্রতিবেশী বাংলাদেশে পালিয়ে যায়।

তবে মিয়ানমার শুরু থেকেই তাদের বিরুদ্ধে আনা মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে। তারা বলছে, দেশটির নিরাপত্তা বাহিনী বেসামরিক ব্যক্তিদের লক্ষ্যবস্তু পরিণত করেনি। একই সঙ্গে গত বছরের সেপ্টেম্বরে জাতিসংঘের প্যানেলের করা একটি প্রতিবেদনকেও প্রত্যাখ্যান করেছে মিয়ানমার। ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে অভিযান চালানো সেনা কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের বিচার শুরু করা উচিত।

-জেডসি