ঢাকা, বুধবার ০৯, সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৯:০৭:৪৭ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
রামেকে ডেঙ্গুতে আরও একজনের মৃত্যু, হাসপাতালে ৬৯ এসএসসির খাতা পুনর্মূল্যায়নের ফল বৃহস্পতিবার ন্যূনতম প্রমাণ ছাড়া মৃত্যুদণ্ড দেওয়া দায়িত্বহীন কাজ: হাইকোর্ট অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হয়ে নকআউটে বাংলাদেশ ধূমপানে কমে সন্তান ধারণের সম্ভাবনা, ঝুঁকিতে নারী-পুরুষ উভয়েই দেশের বাজারে আবারও কমলো স্বর্ণের দাম ১১ সন্তানের সাফল্যের কারিগর মা চেমন আরা ১৩ মার্কিন বিমানবন্দরে টিকিট ছাড়াই টার্মিনালে প্রবেশের সুযোগ

মুসলিম নারীকে বাংলাদেশে পুশইনে আসাম সরকারকে ক্ষতিপূরণের নির্দেশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০৯:৩১ এএম, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ মঙ্গলবার

সংগৃহীত ছবি

সংগৃহীত ছবি

বাংলাদেশি আখ্যা দিয়ে এক মুসলিম নারীকে জোরপূর্বক বাংলাদেশে পুশইনের ঘটনায় এই নারীকে ২ লাখ রুপি ক্ষতিপূরণ দিতে আসাম সরকারকে নির্দেশ দিয়েছেন গুয়াহাটি হাইকোর্ট। 

মুমতাজ বেগম নামের ওই নারীকে বাংলাদেশি আখ্যা দিয়ে পরিবারের কাউকে না জানিয়ে বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। পরে তার স্বামী মুজাম্মেল হক গৌহাটি হাইকোর্টে হেবিয়াস করপাস (জোর করে হেফাজতে রাখা কাউকে আদালতে প্রদর্শন) আবেদন করেন। সেই আবেদনের শুনানি শেষে বিচারপতি কল্যাণ রাই সুরানা ও বিচারপতি সুস্মিতা ফুকন খাউন্দের বেঞ্চ গত ৩ সেপ্টেম্বর এ নির্দেশ দেন।

আদালত পর্যবেক্ষণে বলেন, মুমতাজকে বাংলাদেশি ঘোষণার পর তার পরিবারকে বিষয়টি জানানো হয়নি এবং সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করার সুযোগও দেওয়া হয়নি। তাকে আটক ও বাংলাদেশে পাঠানোর প্রক্রিয়ায় আইনি বিধি যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়নি।

মুমতাজের মামলাটি এর আগে নাগাঁওয়ের ফরেনার্স ট্রাইব্যুনালে চলছিল। ২০১৯ সালে ট্রাইব্যুনাল তাকে বিদেশি ঘোষণা করে। পরে তিনি হাইকোর্টে আবেদন করলে আদালত দেখতে পান, তার দাখিল করা সব প্রমাণ বিবেচনায় নেওয়া হয়নি। চলতি বছরের এপ্রিলে হাইকোর্ট ট্রাইব্যুনালের আগের সিদ্ধান্ত বাতিল করে মামলাটি নতুন করে বিবেচনার নির্দেশ দেন।

এরপর গত ৩০ মে মুমতাজ ট্রাইব্যুনালে হাজির হলে তাকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তাকে আটক কেন্দ্রে নেওয়া হয়। কর্তৃপক্ষের ভাষ্য অনুযায়ী, ১৪ জুন রাতে তাকে সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। তবে এ বিষয়ে তার পরিবারকে আগে জানানো হয়নি।

হাইকোর্ট এ ঘটনায় নাগাঁওয়ের ফরেনার্স ট্রাইব্যুনালের ভূমিকা নিয়েও কঠোর মন্তব্য করেন। আদালতের পর্যবেক্ষণে, ট্রাইব্যুনালের কার্যক্রমে ‘আইনের অপব্যবহারের প্রবণতা’ স্পষ্ট হয়েছে।

আদালত আরও নির্দেশ দিয়েছেন, কোনো ব্যক্তিকে বিদেশি ঘোষণা করে আটক করার আগে তাকে ট্রাইব্যুনালের সিদ্ধান্ত সম্পর্কে জানাতে হবে। পাশাপাশি তাকে জেলা থেকে সরিয়ে নেওয়ার আগে পরিবারের একজন প্রাপ্তবয়স্ক সদস্যকেও বিষয়টি জানাতে হবে।

এ ছাড়া পুরো ঘটনার বিষয়ে আসামের স্বরাষ্ট্র দপ্তরকে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে মুমতাজকে বাংলাদেশ থেকে শনাক্ত করে ভারতে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে উদ্যোগ নিতে বলা হয়েছে।

মামলাটির পরবর্তী শুনানি আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

সূত্র: দ্যা ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস