ঢাকা, বৃহস্পতিবার ০৪, জুন ২০২৬ ১৩:৪২:৫০ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
রামিসা হত্যা মামলা: রায়ের দিন নির্ধারণ হতে পারে আজ সেই বৃদ্ধার ছেলে যুগ্মসচিব আনিসুরকে প্রত্যাহার মিরপুরের বৃদ্ধার মৃত্যু: তদন্ত কমিটি চেয়ে রিট তৃণমূলের সব সাংগঠনিক কমিটি ভেঙে দিলেন মমতা হামে প্রাণ গেল আরো ৭ শিশুর, মোট মৃত্যু ৬০০ ছাড়ালো

যুদ্ধবিরতিকে ‘যুক্তরাষ্ট্রের জয়’ দাবি হোয়াইট হাউসের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ১১:৪২ এএম, ৮ এপ্রিল ২০২৬ বুধবার

ছবি: সংগ্রহিত।

ছবি: সংগ্রহিত।

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সাম্প্রতিক যুদ্ধবিরতির ঘোষণার পর নিজেদের অবস্থানকে বিজয় হিসেবে তুলে ধরেছে হোয়াইট হাউস। তবে এই বিষয়ে এখন পর্যন্ত ইসরায়েলের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি, যা পুরো পরিস্থিতিকে কিছুটা অনিশ্চিত করে রেখেছে।

হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট এক সামাজিকমাধ্যম পোস্টে বলেন, এই যুদ্ধবিরতি যুক্তরাষ্ট্রের জন্য একটি বড় সাফল্য। তার ভাষায়, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং দেশটির সামরিক বাহিনী এই সাফল্য বাস্তবে রূপ দিয়েছে।

তিনি আরও দাবি করেন, ট্রাম্পের কৌশলগত পদক্ষেপের ফলেই গুরত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়া সম্ভব হয়েছে। এর মাধ্যমে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও জ্বালানি সরবরাহে যে চাপ তৈরি হয়েছিল, তা কিছুটা হলেও কমবে বলে মনে করা হচ্ছে।

ক্যারোলিন লেভিট তার বক্তব্যে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ নামের সামরিক অভিযানের কথাও উল্লেখ করেন। তিনি জানান, এই অভিযানটি মূলত ৪ থেকে ৬ সপ্তাহের জন্য পরিকল্পনা করা হয়েছিল, তবে যুক্তরাষ্ট্র মাত্র ৩৮ দিনের মধ্যেই তাদের প্রধান সামরিক লক্ষ্য অর্জন করেছে এবং প্রত্যাশার চেয়েও বেশি সাফল্য পেয়েছে।

এই সাফল্যের ধারাবাহিকতায় যুক্তরাষ্ট্র এখন কূটনৈতিক ক্ষেত্রেও সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। লেভিট বলেন, সামরিক অর্জনের ফলে একটি শক্তিশালী অবস্থান তৈরি হয়েছে, যা আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্রকে বাড়তি সুবিধা দিয়েছে।

এদিকে হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ এবং জয়েন্ট চিফস অফ স্টাফের চেয়ারম্যান জেনারেল ড্যান কেইন এ বিষয়ে বিস্তারিত বক্তব্য দিতে পারেন। বুধবার সকালে তাদের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক ব্রিফিং আসতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বিশ্লেষকদের মতে, যুদ্ধবিরতির পরপরই এমন বিজয়ের দাবি মূলত কূটনৈতিক অবস্থান শক্ত করার কৌশল হতে পারে। এর মাধ্যমে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিজেদের প্রভাব বজায় রাখার চেষ্টা করছে যুক্তরাষ্ট্র।

তবে এখনো পর্যন্ত ইসরায়েলের আনুষ্ঠানিক অবস্থান পরিষ্কার না হওয়ায় পুরো পরিস্থিতি পুরোপুরি স্থিতিশীল হয়েছে—এমনটা বলা যাচ্ছে না। ফলে যুদ্ধবিরতির ভবিষ্যৎ নিয়ে কিছুটা সংশয় থেকেই যাচ্ছে। তথ্যসূত্র : বিবিসি