ঢাকা, বুধবার ২৮, অক্টোবর ২০২৬ ২২:১৪:২০ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
কাজাখস্তানকে হারিয়ে বাংলাদেশের মেয়েদের স্বর্ণ জয় নারী ও শিশুদের কল্যাণে ইউনিসেফের সঙ্গে সহযোগিতা বাড়াতে চায় সরকার শনিবার এইচএসসির ফল প্রকাশ: অনলাইনে জানবেন যেভাবে ঢামেক চত্বরে অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট, রোগী-স্বজনদের ভোগান্তি ৬৩০ কোটি ডলার জাপানি বিনিয়োগ নিয়ে আলোচনা: প্রধানমন্ত্রী ভারতে তাণ্ডব চালিয়ে বাংলাদেশের দিকে ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’

রোহিঙ্গা শিশুদের শিক্ষা বন্ধের খবর মিথ্যা: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়

নিজস্ব প্রতিবেদক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ১০:২৯ এএম, ৬ মে ২০২২ শুক্রবার

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

রোহিঙ্গা শিশুদের শিক্ষার সুযোগ বন্ধ ও শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের ক্লাসে যেতে বাধা দেওয়ার খবরটি মিথ্যা বলে দাবি করেছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

বৃহস্পতিবার (৫ মে) মন্ত্রণালয় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ দাবি করে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত মিয়ানমার নাগরিক/রোহিঙ্গা শিশুদের শিক্ষার সুযোগের ব্যাপারে মিথ্যা তথ্য গভীর উদ্বেগের বিষয়।’

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, স্বেচ্ছাসেবী শিক্ষকদের সম্পৃক্ততা গতিশীল করে এবং রোহিঙ্গাদের দক্ষতা বৃদ্ধির নীতি গ্রহণের মাধ্যমে ধীরে ধীরে মিয়ানমার কারিকুলামের আওতায় শিক্ষার সুযোগ বৃদ্ধি করতে বাংলাদেশ সরকার জাতিসংঘ সংস্থাগুলোর সঙ্গে কাজ করছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, বাংলাদেশ সরকার সকলের জন্য বিশেষত নারী শিক্ষা নিশ্চিত করাকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে থাকে এবং একইভাবে রোহিঙ্গা শিবিরে শিশুদের জন্যও শিক্ষার সুযোগ অবারিত রেখেছে।

এতে বলা হয়, ‘রোহিঙ্গা শিশুদের শিক্ষার সুযোগ বন্ধ হওয়া এবং শিক্ষার্থী-শিক্ষকদের ক্লাসে যোগদানে বাধা প্রদানের খবরটি মিথ্যা।’

মন্ত্রণালয় আরও জানায়, বাংলাদের সরকার শিবিরগুলোতে প্রায় ৫ হাজার ৬১৭টি শিক্ষাকেন্দ্র স্থাপন করে রোহিঙ্গা শিশুদের শিক্ষার সুযোগ সৃষ্টি করেছে। রোহিঙ্গা ক্যাম্পের এডুকেশন সেক্টর অপারেশনস বা ইউনিসেফ কেউই এই শিক্ষা সুযোগ বন্ধের ব্যাপারে কোনো ধরনের উদ্বেগ প্রকাশ করেনি।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, বাংলাদেশ মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গাদের দ্রুত, টেকসইভাবে ও সেচ্চায় প্রত্যাবাসনে বাংলাদেশকে সহযোগিতার জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রশংসা করছে। বাংলাদেশ মিয়ানমার কারিকুলামের আওতায় রোহিঙ্গা শিশুদের শিক্ষা প্রদানের বিষয়টিকে এই শিশুদের গঠনমূলক ও দক্ষতা বৃদ্ধির প্রচেষ্টা হিসেবে বিবেচনা করছে-যা তাদের শিগগিরই স্বেচ্ছায় প্রত্যাবাসনে উৎসাহ দেবে। সূত্র : বাসস