ঢাকা, বুধবার ২২, জুলাই ২০২৬ ১৫:৩০:৩৮ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
জামায়াত এমপির ভিডিওকাণ্ড: তদন্ত দাবি তাসনিম জারার সবজির দামে সেঞ্চুরি, কাঁচা মরিচের কেজি ২৪০ টাকা ছাড়াল তিস্তার পানি বেড়ে বিপৎসীমার ছুঁই ছুঁই তনু হত্যা মামলায় আরও দুই সন্দেহভাজনের ডিএনএ সংগ্রহের নির্দেশ রাহুল-প্রিয়াঙ্কা আটকের ২ ঘণ্টা পর মুক্ত গৌরনদীতে আবাসিক মাদ্রাসা ভবনে ঝুলছিল ছাত্রীর লাশ

লিবাস বুটিক হাউজ : মুন্নির স্বপ্ন

আপডেট: ০৭:২৯ পিএম, ১৬ নভেম্বর ২০১৪ রবিবার

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, উইমেননিউজ২৪.কম, রাজশাহী : সরকারি-বেসরকারি চাকরি ছাড়াও বিভিন্ন স্বাধীন পেশায় যুক্ত হয়ে নারীরা আত্মনির্ভরশীলতা বৃদ্ধির মাধ্যমে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত এবং মর্যাদা বৃদ্ধিতে ক্রমেই সচেষ্ট হচ্ছেন। এমনি অনেক দৃষ্টান্তের মধ্যে একজন হলেন মারেফা আক্তার জাহান (মুন্নি)। তিনি এক সফল ও আত্মনির্ভরশীল নারী। তিনি রাজশাহীর গোদাগাড়ী পৌর এলাকার সাগরপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। স্বামী প্রভাষক মতিউর রহমান খোকন। এক ছেলে ও এক মেয়ে নিয়ে তাদের সুখের সংসার। সংসারে আর্থিক কোনো সঙ্কট না থাকলেও ৭-৮ বছর আগে একরকম সখের বসেই বুটিক শিল্পের কাজ শুরু করেন রংপুর কারমাইকেল বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ থেকে অর্থনীতিতে অনার্স সম্পন্ন করা এ নারী। মানসম্পন্ন কাজের জন্য খুব অল্প সময়ের মধ্যেই তার সুনাম ছড়িয়ে পড়ে চারদিকে। এখন বেশ বড়সড়ভাবেই ‘লিবাস বুটিক হাউস’ নামের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের চালাচ্ছেন তিনি। প্রথমে রাজশাহী কৃষি ব্যাংক গোদাগাড়ী শাখা থেকে ২০ হাজার টাকা ও পরে ইসলামী ব্যাংক থেকে ৫০ হাজার টাকা ঋণ নিয়ে তিনি ব্যবসা শুরু করেছিলেন। ব্যবসার প্রথম দিকে তিনি হাতে তৈরি থ্রি-পিস, শাড়ি, ফতুয়া, ওড়না, বেডশিট, পাঞ্জাবি, কুশন কভার তৈরি করে স্থানীয় দোকানে সরবরাহ করতেন। পরে রাজশাহী শহরের মার্কেটগুলোতেও স্থান পায় তার হাতে তৈরি বুটিকের পণ্য। এখন শুধু রাজশাহীতেই নয়, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নাটোর, দিনাজপুরসহ রাজধানী ঢাকাতেও নিজের প্রতিষ্ঠানের তৈরি বুটিকের পোশাক পাইকারিভাবে সরবরাহ করছেন মুন্নি বেগম। তবে পুঁজির অভাবে অনেক ক্ষেত্রে তিনি চাহিদা অনুসারে মালামাল সরবরাহ করতে পারেন না। শুধু ঢাকার চাহিদা মেটাতে প্রতি মাসে তার ৬ লাখ টাকার প্রয়োজন বলে তিনি জানান। মুন্নি বেগমের বুটিক হাউসে গিয়ে দেখা যায় তার প্রতিষ্ঠানে কাজ করছেন আরও অনেক নারী। মুন্নি বেগম জানান, আশপাশের অনেক নারীই তার প্রতিষ্ঠানে বুটিকের কাজ করেন। বিধবা, গৃহিণী, স্কুল-কলেজের ছাত্রীসহ নারীরা মাসে দেড় থেকে ৩ হাজার টাকা পর্যন্ত আয় করে থাকেন। বুটিক শিল্পের সঙ্গে এখন উপজেলার প্রায় ২০০ নারী জড়িত বলে জানান তিনি। মুন্নি বেগমের বুটিকের কাজের সুনাম ছড়িয়ে পড়লে ২০১০ সালের ২৯ মার্চ তৎকালীন নরওয়ে রাষ্ট্রদূত তার বুটিকের প্রতিষ্ঠানটি পরিদর্শনে আসেন। নারী হয়ে সমাজের অন্য নারীদের আর্থিকভাবে আত্মনির্ভরশীল করায় একজন সফল নারী উদ্যোক্তা হিসেবে তার নাম ছড়িয়ে পড়েছে। মুন্নিকে দেখে এখন উপজেলার অন্য নারীরাও এ কাজে উৎসাহিত হচ্ছেন। গোদাগাড়ী উপজেলা মহিলাবিষয়ক কর্মকর্তা শিমুল বিলাহ সুলতানা জানান, মুন্নি খুবই উদ্যমী একজন নারী। তার অদম্য ইচ্ছাশক্তি আর একাগ্রতা তাকে এতদূর এগিয়ে নিয়ে এসেছে। ১৭.১১.২০১৪