শত প্রতিকূলতার মধ্যে এই উন্নয়ন, এটা অব্যাহত রাখতে হবে
বাসস | উইমেননিউজ২৪প্রকাশিত : ০৭:৩৩ পিএম, ২ আগস্ট ২০২২ মঙ্গলবার
ছবি: সংগৃহীত
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, অনেক প্রতিকূলতা পেরিয়ে বাংলাদেশ আজ যে অবস্থানে পৌঁছেছে সেই উন্নয়নের ধারাটা যেন অব্যাহত থাকে। অনেক ঘাত প্রতিঘাতের মধ্য দিয়ে আমরা একটা জায়গায় আসতে পেরেছি, এই ধারা (উন্নয়নের) যেন অব্যাহত থাকে।
আজ (মঙ্গলবার) সকালে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) নিয়মিত সভায় সূচনা বক্তব্যে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে মাধ্যমে রাজধানীর শেরে বাংলা নগরের পরিকল্পনা কমিশনের এনইসি সম্মেলন কেন্দ্রে বৈঠকে যুক্ত হন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘চিরদিন আমিও থাকব না, কিন্তু বাংলাদেশের এই উন্নয়নের অগ্রযাত্রা যেন ব্যাহত না হয়, এটাই আমি চাই। আমরা যেন এগিয়ে যেতে থাকি এবং যে আদর্শ নিয়ে বাংলাদেশ গড়ে উঠেছিল সেই আদর্শ যেন বাস্তবায়ন করতে পারি।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, এদেশের প্রতিটি গৃহহীনকে ঘর করে দেওয়া, খাদ্য নিরাপত্তা প্রদান, চিকিৎসা সেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া, শিক্ষার ব্যবস্থা করা, সব ক্ষেত্রেই আজকে সরকার সাফল্য অর্জন করেছে।
আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সরকার প্রধান বলেন, আওয়ামী লীগ জাতির পিতার হাতে গড়া সংগঠন, তার আদর্শের সংগঠন, তাই যখনই ক্ষমতায় এসেছে জনগণের ভাগ্যোন্নয়নেই কাজ করেছে। তাই আজকে যতটুকুই অর্জন আমি মনে করি তা জনগণেরই অবদান।
শেখ হাসিনা বলেন, যেভাবে আমরা উন্নয়নের পরিকল্পনা নিয়েছি, সেভাবেই বাস্তবায়ন করতে পেরেছি বলেই ঠিক যখন ২০২০ সালে জাতির পিতা জন্ম শতবার্ষিকী এবং ২০২১ সালে স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী উদযাপন করছি তখনই উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা পেয়েছি। এটা আমাদের একটা বিরাট অর্জন। তবে আরও সামনের দিকে এগিয়ে যেতে হবে।
তিনি বলেন, একটানা (তিনবার) জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে ক্ষমতায় থাকতে পারার কারণে আমরা বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পেরেছি এবং আজ বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা পেয়েছে। কাজেই আমাদের ওপর জনগণের যেমন আস্থা ও বিশ্বাস রয়েছে তেমনি আমারও জনগণের প্রতি সেই আস্থা ও বিশ্বাস রয়েছে।
আজকের অর্জনের পেছনে পরিকল্পনা কমিশনের একটা বিরাট অবদান রয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী তাদেরও ধন্যবাদ জানান।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা ঔপনিবেশিক আমলের শাসন কাঠামোকে পরিবর্তন করে ক্ষমতাকে বিকেন্দ্রীকরণ করতে চেয়েছিলেন এবং সেজন্য পদক্ষেপও নিয়েছিলেন, যার সুফল দেশের মানুষ পেতে শুরু করেছিল। জাতির পিতা পরিকল্পনা কমিশন গঠন করেন এবং এদেশের স্বনামধন্য অর্থনীতিবিদদের নিয়ে বাংলাদেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নে দীর্ঘ পরিকল্পনা প্রণয়ণ ও বাস্তবায়নের মাধ্যমে এদেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষের উন্নয়নে পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। বাংলাদেশ যেন কারও মুখাপেক্ষী না থেকে আত্মমর্যাদাশীল ভাবে গড়ে ওঠে সেটাই ছিল তার চিন্তা এবং দেশকে তিনি স্বল্পোন্নত দেশের পর্যায়ে নিয়ে যেতে সক্ষম হন।
সরকারপ্রধান বলেন, তিনি এদেশের যে মাটি ও মানুষ আছে, তা দিয়েই বাংলাদেশ গড়তে চেয়েছিলেন। এজন্য তার যেমন আত্মবিশ্বাস ছিল, তেমনি মাটি ও মানুষের প্রতি ছিল গভীর ভালোবাসা। কারণ, তার ডাকে সাড়া দিয়েই বাংলাদেশের জনগণ মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে এবং তার নির্দেশে যার যেটুকু সামর্থ্য ছিল তাই নিয়ে বিভিন্ন স্থানে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলে। কিন্তু যুদ্ধ বিধ্বস্ত একটি দেশকে গড়ে তুলে জাতির পিতা যখন বাংলাদেশকে উন্নয়নের পথে নিয়ে যাচ্ছিলেন, তখনই আঘাত এলো, তাকে নির্মমভাবে হত্যা করা হলো। শুধু তাই নয় মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, আদর্শ এবং মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে বিকৃত করা হলো। বাংলাদেশে আবার নেমে এলো স্থবিরতা।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ’৭৫ এর পর অবৈধভাবে সংবিধান লঙ্ঘন করে ক্ষমতা দখল এদেশের মানুষের ভাগ্যের কোনো পরিবর্তন করেনি, তবে ক্ষমতাসীনদের ভাগ্যের পরিবর্তন করেছে। মানুষের তখন গণতান্ত্রিক অধিকার বা ভোটের অধিকার কিছুই ছিল না, প্রতি রাতে কারফিউ থাকত। ক্ষমতা ক্যান্টনমেন্টে বন্দি ছিল। আমরাই আন্দোলন সংগ্রাম করে জনগণের ক্ষমতা আবার জনগণের হাতে ফিরিয়ে দেই।
আপনজন হারানোর ব্যথা বুকে ধারণ করে কেবল বাবার যে স্বপ্ন, এ দেশের দুঃখি মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নেই তার পথ চলা বলেও তিনি জানান।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আপনজন হারানোর যে ব্যথা, বেদনা, কষ্ট তা সহ্য করা যায় না। কিন্তু আমি দেখেছি ছোটবেলা থেকে এদেশের মানুষকে ভালবাসতে এবং মানুষের জন্য কিছু একটা করার তাগিদ অনুভব করতেন তিনি। তাছাড়া তার সঙ্গে যেটুকু কথা বলার সুযোগ পেতাম এই একই গল্প হতো কীভাবে এই দেশের মানুষের উন্নতিটা হবে। কাজেই আমারও সেই প্রচেষ্টা।
জাতির পিতার খুনিদের বিচার বন্ধে ইনডেমনিটি অর্ডিন্যান্সের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, আমরা যারা ’৭৫ এর ১৫ আগস্ট আপনজন হারিয়েছি, তাদের কোনো বিচার চাওয়ার অধিকার পর্যন্ত ছিল না। মামলা করার বা বিচার চাওয়ার সে অধিকারটুকুও কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। আমাদের প্রতি যে অবিচারটা হয়েছিল, যেভাবে মানবাধিকার লঙ্ঘন করা হয়েছিল, জানি না তা আর কেউ স্মরণ করে কি-না। ’৯৬ সালে আওয়ামী সরকারে এসে সেই ইনডেমনিটি অর্ডিন্যান্স বাতিলের পরই কেবল মামলার সুযোগ পাই।
তিনি বলেন, অনেক প্রতিবন্ধকতা ছিল, খুনিদের পুরস্কৃত করে রাজনৈতিকভাবে প্রতিষ্ঠিত করা, কূটনৈতিক মিশনে চাকরি দিয়ে তাদের উৎসাহিত করা, কী না করা হয়েছে। কত অন্যায় কাজ এদেশে হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, হত্যা হলে যে কেউ বিচার চাইতে পারে কিন্তু আমাদের সে অধিকার তো ছিলই না বরং আমার চোখের সামনে দেখেছি জনগণের ভোট চুরি করে সেই খুনিদের খালেদা জিয়া পার্লামেন্টে বসিয়েছে। জিয়াউর রহমান তাদের বিভিন্ন দূতাবাসে চাকরি দিয়ে পুরস্কৃত করেছে। এরশাদ তাদের রাজনৈতিক দল করে রাষ্ট্রপতি প্রার্থী হওয়ার সুযোগ করে দিয়েছে।
- সাংবাদিকের কলমে ভয় দেখানোর অধিকার কারও নেই
- অবহেলিত নারীদের স্বপ্ন পূরণ করছে ‘নীলসাগর’
- স্নাতক পাসেই নিয়োগ দেবে এনসিসি ব্যাংক, নেই বয়সসীমা
- বদলে গেল মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের নাম
- এবার সংগ্রাম ও মাতৃত্বের গল্পে দেখা যাবে পরীমনিকে
- বায়ুদূষণে ঢাকার উন্নতি, শীর্ষে লাহোর
- মস্তিষ্ককে সচল রাখতে প্রতিদিন সকালে যে ৫ কাজ করবেন
- শীতকালীন শাকসবজি চাষে ব্যস্ত বগুড়ার কৃষকরা
- অন্ধ্র উপকূলে আঘাত হানতে পারে ঘূর্ণিঝড় অর্ণব, বাংলাদেশে কী প্রভাব
- তেঁতুলিয়ায় জেঁকে বসেছে শীত, তাপমাত্রা ১৫.৪ ডিগ্রি
- সাংবাদিকদের নিয়ে আইজিপির বক্তব্য প্রত্যাহারের আলটিমেটাম ডিআরইউর
- জাপানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে শীর্ষ বৈঠকে তারেক রহমান
- ইয়ামাল-এমবাপের হৃদয় ভেঙে ব্যালন ডি’অর কেইনের
- জর্ডানের ভয়াবহ বিমান হামলা, নারী-শিশুসহ নিহত ৭
- সীতাকুণ্ডে লরিচাপায় নারী-শিশুসহ নিহত ৫
- আজ স্পেন যাচ্ছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
- বিমানে করে আমার জন্য একজন শিউলি ফুল পাঠিয়েছেন: পরীমণি
- কী অদ্ভুত এই স্বাধীনতা! যে দেশে মুক্তিযোদ্ধার কবরও নিরাপদ নয়
- সাংবাদিকদের ফুল ফান্ডেড ফেলোশিপ দিচ্ছে জাতিসংঘ
- জাপানে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
- নির্বাসন শেষে ভেনেজুয়েলায় ফিরলেন নোবেলজয়ী মাচাদো
- চতুর্থবার কমলো স্বর্ণের দাম, ভরিতে কমেছে ৩৩২৪ টাকা
- তানজিন তিশার বিরুদ্ধে তদন্তে সিআইডি
- অবহেলিত নারীদের স্বপ্ন পূরণ করছে ‘নীলসাগর’
- সীতাকুণ্ডে লরিচাপায় নারী-শিশুসহ নিহত ৫
- জনপ্রিয়তা পাচ্ছে ‘অনিন্দিতা’র শাড়ি-গয়না
- পিএসসির সদস্য হলেন ড. শামীমা সুলতানা
- মস্তিষ্ককে সচল রাখতে প্রতিদিন সকালে যে ৫ কাজ করবেন
- স্নাতক পাসেই নিয়োগ দেবে এনসিসি ব্যাংক, নেই বয়সসীমা
- জর্ডানের ভয়াবহ বিমান হামলা, নারী-শিশুসহ নিহত ৭











