হাত-পা ছাড়াও সফল হেলেনা-জব্বার দম্পতি
নিজস্ব প্রতিবেদক | উইমেননিউজ২৪প্রকাশিত : ১১:৫৯ এএম, ২৯ জানুয়ারি ২০২২ শনিবার
ফাইল ছবি
দুই হাত দুই পা- কিছুই নেই। এরপরও কারও কাছে হাত না পেতে করছেন ফার্মেসি ব্যবসা, দিচ্ছেন চিকিৎসাসেবা। স্ত্রীর কোলে চড়েই সারছেন সব কাজ। সেখানে চার হাত-পা হীন জব্বার পরিশ্রম করে অর্থ উপার্জন করছেন, আর স্ত্রী হেলেনা বেগম দিন রাত্রি স্বামীর হাত-পা হয়ে সেবা দিয়ে যাচ্ছেন। বর্তমান সময়ের এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন এই দম্পতি।
ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার আজিমনগর ইউনিয়নের শিমুলবাজার। এই বাজারেই ফার্মেসি ব্যবসা পল্লী চিকিৎসক মো. জব্বার হাওলাদারের। দড়ি দিয়ে বাহুর সঙ্গে কলম বেঁধে ওষুধের নাম লিখেন, লিখেন রোগীর রোগের বিবরণও। চলাফেরা করেন স্ত্রী হেলেনা বেগমের কোলে চড়ে।
একসময়ে টিউশনি ও ফার্মেসির দোকানে কর্মচারীর চাকরি করে জীবিকা নির্বাহ করতেন জব্বার হাওলাদার। তখন আর ১০টি মানুষের মতো স্বাভাবিক ছিল তার জীবন। পায়ে আঘাত পেয়েছিলেন, সেখান থেকে ১৯৮৫ সালে প্রথম গ্যাং গ্রিন রোগ ধরা পড়ে। সেখান থেকে বাম পা, পরে ডান পা, এরপরে দুই হাতে গ্যাং গ্রিন ছড়িয়ে যায়। অসংখ্যবার চিকিৎসকের কাছে গিয়ে ১১ বার সার্জারির মাধ্যমে সুস্থ হয়ে ওঠেন তিনি। কিন্তু কেটে বাদ দিতে হয় কনুইয়ের ওপর থেকে দুই হাত এবং কোমড়ের নিচ থেকে দুই পা।
এরপরে জীবনযুদ্ধে নামতে হয় তাকে। সুস্থ থাকা অবস্থায় পল্লী চিকিৎসকের (এমএলএফ) কোর্স সম্পন্ন করেছিলেন। আর যে ফার্মেসিতে কর্মচারি ছিলেন তার মালিক অসুস্থ হয়ে পড়লে ফার্মেসির লাইসেন্স তাকে দিয়ে দেন। এই ফার্মেসি লাইসেন্স আর নিজের এমএলএফ করা জ্ঞান নিয়ে বাড়ির অদূরে শিমুল বাজারে দেন ফার্মেসি। নাম রাখেন আলামিন ফার্মেসি।
প্রতিদিন সকাল ৮টায় স্ত্রীর সহায়তায় বাজারে আসেন থাকেন ১২টা পর্যন্ত। এরপরে আবার আসেন বিকেল ৪টায় থাকেন রাত ৮টা পর্যন্ত।
তিনি বলেন, ডাক্তার তো লিখতে বা বলতে পারেন না তারা। সামান্য চিকিৎসা সেবা দেন। ওষুধ বিক্রি করেন, তাই দিয়ে জীবিকা চলে যায়। স্ত্রীর ছাড়া আমি তো অচল। খাওয়া দাওয়া থেকে শুরু করে সব কিছুই করে দেয় সে। বললেন সহনশীল ধৈর্যশীল এক নারী সে।
স্ত্রী হেলেনা বেগমও মেনে নিয়েছেন নিয়তি। স্বামী সন্তানদের নিয়ে আল্লাহ যেভাবে রাখছেন সেভাবেই থাকতে হবে। স্বামীর প্রাকৃতিক ডাক থেকে শুরু করে খাওয়া দাওয়া গোসল সব নিজ হাতে করান হাসিমুখেই।
এলাকাবাসী জানিয়েছেন, তারা ভিক্ষা করে খাওয়ার কথা ছিল কিন্তু সেটা না করে তিনি কাজ করে খাচ্ছেন। জানালেন এখান থেকে উপজেলা সদর জেলা সদর বেশ দূরে। ব্যক্তিজীবনে জব্বার হাওলাদার ৩ মেয়ে ১ ছেলের বাবা। ২ মেয়েকে ইতোমধ্যে বিয়ে দিয়েছেন। ছেলে ক্লাস টেনে পড়ছে আর ছোট মেয়ে কেজি ওয়ানে।
- ‘এখন আরও দ্বিগুণ উদ্যমে কাজ করছি’
- চ্যাম্পিয়ন সাবিনাদের জন্য ছাদখোলা বাস
- পুকুর পাড়ে হলুদ শাড়িতে ভাবনা
- ‘শৈশবে ফিরলেন’ নেদারল্যান্ডসের ক্রিকেটাররা
- নারীর অংশগ্রহণ কমে যাওয়া অর্থনীতিতে সতর্ক সংকেত
- ইরান অভিমুখে আরও মার্কিন নৌবহর
- বৃহস্পতিবার রাজধানীর যেসব মার্কেট বন্ধ
- বিয়ের আসর থেকে পালিয়ে থানায় আশ্রয় নিলেন কনে
- রাউজানে নলকূপের গর্তে পড়া সেই শিশুকে মৃত ঘোষণা
- ‘শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে শত শত তদবির, আগে টাকা দিলেই কাজ হতো’
- কর্মক্ষেত্রে এআই ব্যবহারে ফ্রি প্রশিক্ষণ দিচ্ছে যুক্তরাজ্য
- আমলকির তেল কি চুল পড়া বন্ধ করে?
- এক বছরে ১৭ লাখ শিশুর জন্ম অপ্রয়োজনীয় অস্ত্রোপচারে
- হামলা-অপমানে ভাঙছে মাঠপুলিশের মনোবল
- কোনো দল নিষিদ্ধ করার পক্ষে নন তারেক রহমান
- নারী, সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তা বিষয়ে ১০ দফা সুপারিশ
- ‘কিছুই পাল্টায়নি, এখনও মেয়েদের হেনস্তা করা হচ্ছে’
- সারা দেশে অবাধে শিকার ও বিক্রি হচ্ছে শীতের পাখি
- ৩ দিন চলবে না মোটরসাইকেল, একদিন মাইক্রো-ট্রাক
- সাবস্ক্রিপশন পরীক্ষা করবে মেটা
- নিরপেক্ষ নির্বাচন চাই: পাপিয়া
- আয়রনের ঘাটতি, যে কারণে শুধু সাপ্লিমেন্ট যথেষ্ট নয়
- মেয়েদের টানা জয়ের প্রভাব পড়েছে আইসিসি র্যাঙ্কিংয়ে
- ঋতুপর্ণার হ্যাটট্রিকে ১৩-০ গোলের জয়
- দুবাইয়ে তৈরি হচ্ছে বিশ্বের প্রথম ‘স্বর্ণের রাস্তা’
- ১৭ বছর বড় বড় গল্প শুনেছি: তারেক রহমান
- প্রধান উপদেষ্টার কাছে কর কাঠামো পুনর্বিন্যাসের সুপারিশ
- ৪০ হাজার কোটির রাজস্ব হলেও ক্ষতি ৮৭ হাজার কোটি
- গণভোট নিয়ে কারিগরি-মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের ৮ উদ্যোগ
- স্কুল জীবনের বন্ধুত্ব ভাঙলেন সাইফ কন্যা

