ঢাকা, সোমবার ২৩, মার্চ ২০২৬ ৯:২৭:৫২ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
একাত্তরে গণহত্যাকে স্বীকৃতির দাবিতে মার্কিন কংগ্রেসে প্রস্তাব কুমিল্লায় যাত্রীবাহী বাসে ট্রেনের ধাক্কা, নিহত ১২ দেশের বাজারে সোনার দামে বড় পতন নারী ফুটবলের বিকাশে নতুন সিদ্ধান্ত ফিফার কুমিল্লায় ট্রেন দুর্ঘটনা: ২ গেটম্যান বরখাস্ত, তদন্তে ৩ কমিটি অনেক নারী এখনও ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত: এড. দিলশাদ

১০ ই-কমার্স সাইটের প্রতিনিধিদের সিআইডিতে তলব

নিজস্ব প্রতিবেদক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০১:৩৬ পিএম, ১৪ মার্চ ২০১৯ বৃহস্পতিবার

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

ফেসবুকে বিজ্ঞাপনবাবদ বড় অঙ্কের অর্থ বিদেশে পাচার হওয়ার অভিযোগ তদন্তে দ্বিতীয়বারের মতো ১০টি ই-কমার্স সাইটের প্রতিনিধিদের ডেকে নিয়েছে অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। এই ১০ সাইট হলো- আজকের ডিল, দারাজ ডটকম, ফুডপান্ডা, খাশফুড, অথবা ডটকম, বিক্রয় ডটকম, চালডাল ডটকম, পিকাবু, রকমারি ও সেবা ডট এক্সওয়াইজেড।

আজ বৃহস্পতিবার সকালে ওই প্রতিনিধিরা রাজধানীর মালিবাগে সিআইডি কার্যালয়ে গেছেন।

সিআইডির অতিরিক্ত বিশেষ পুলিশ সুপার মাহমুদ গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, গত ফেব্রুয়ারিতে ওয়েবসাইটগুলোর প্রতিনিধিদের ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। সেদিন তাদের ফেসবুকের বিজ্ঞাপন সংক্রান্ত কিছু ডকুমেন্ট (কাগজপত্র) জমা দিতে বলা হয়। আজ তারা এসব ডকুমেন্ট জমা দিচ্ছে।

এর আগে সিআইডির কাছে তথ্য আসে দেশের ই-কমার্স খাতের ছোট প্রতিষ্ঠানগুলো প্রতি মাসে অন্তত ১ হাজার এবং বড় প্রতিষ্ঠানগুলো ৮ থেকে ১০ হাজার ডলার বিজ্ঞাপনবাবদ ফেসবুককে পরিশোধ করে। বিজ্ঞাপনের অর্থ পরিশোধ করার জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংকের একটি বিধান রয়েছে। সেই বিধান অনুযায়ী ডুয়াল কারেন্সির ক্রেডিট কার্ড থেকে সার্কভুক্ত দেশে সর্বোচ্চ ৫ হাজার ডলার আর সার্কের বাইরে সর্বোচ্চ ৭ হাজার ডলার খরচ করা যায়।

তাই কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নিয়ম ভাঙার কারণে ২৭ ফেব্রুয়ারি তাদের প্রথম দফা ডেকেছিল সিআইডি। প্রত্যেককে পর্যায়ক্রমে এ বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তাদের ব্যাখ্যা শোনা হয়। সেদিন প্রথমবারের জিজ্ঞাসাবাদে তারা সবাই দাবি করেন- ফেসবুকে বিজ্ঞাপনের অর্থ তাদের বিদেশি পার্টনাররা পরিশোধ করেন।

সিআইডি অফিসার মাহমুদ জানান, আমরা আজকে হাতে পাওয়া এসব কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করা হবে। এগুলো যাচাই-বাছাই শেষে প্রয়োজন হলে পরবর্তীতে তাদের আবারও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হতে পারে।

-জেডসি