৩০ ভাগ নারী শিক্ষক নেই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে!
আপডেট: ০৫:৩৭ পিএম, ২৫ অক্টোবর ২০১৩ শুক্রবার
বিভাষ বাড়ৈ, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, উইমেননিউজ২৪.কম
ঢাকা : কেবল উচ্চ শিক্ষাঙ্গনই নয়, সরকারি ঘোষণা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় সংখ্যক মহিলা শিক্ষক নিশ্চিত করতে পারছেনা দেশের নিম্ম মাধ্যমিক ও মাধ্যমিক স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা এবং কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। নারী উন্নয়নের লক্ষ্য বাস্তবায়নে মহিলাদের জন্য সরকারিভাবে ৩০ শতাংশ কোটা বরাদ্দ করা হলেও তা নিশ্চিত করতে পুরোপুরি ব্যার্থ এসব প্রতিষ্ঠান। এই মুহুর্তে স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ৫ লাখ শিক্ষকের মধ্যে মহিলাদের সংখ্যা মাত্র ১৮ দশমিক ৭৩ শতাংশ। স্কুলে ২৩ দশমিক সাত, কলেজে ২০ দশমিক চার, কারিগরি ও ভোকেশনালে ১৯ দশমিক চার এবং মাদ্রাসায় মহিলা শিক্ষকের সংখ্যা সবচেয়ে কম মাত্র ৯ দশমিক তিন শতাংশ। এসব প্রতিষ্ঠানে গড়ে ১৪ জন শিক্ষকের মধ্যে মহিলা শিক্ষক আছেন মাত্র দুই জন।
খোদ সরকার পরিচালিত এক শিক্ষা জরিপে বেরিয়ে এসেছে দেশের নিম্ম ও মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক-শিক্ষিকার সংখ্যার এই তারতম্যের চিত্র। বাংলাদেশ শিক্ষা তথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরো (ব্যানবেইস) পরিচালিত জরিপে বিষয়টির প্রতি বিশেষভাবে গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। এদিকে এই পরিস্থিতি মোটেই সন্তোষজনক নয় মনে করেন ব্যানবেইস কর্মকর্তারা। শিক্ষকের এই তারতম্যের কথা বলতে গিয়ে জরিপের সঙ্গে সংশিষ্ট ব্যানবেইসের গবেষণা কর্মকর্তারা বলেছেন, আমরা কাজ করতে গিয়ে দেখেছি মেধার দিক থেকে মেয়েরা পিছিয়ে নেই। বরং অনেক ক্ষেত্রেই তাদের ফলাফল ভালো। কিন্তু শিক্ষক হিসাবে তারা আসতে নানামুখি সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছে। কারণ মেধার চেয়ে কর্তৃপক্ষের সঙ্গে প্রার্থীর নানামূখি সম্পর্কই প্রাধান্য পাচ্ছে। প্রাধান্য পায় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আত্মীয়তা ও ব্যক্তিগত সম্পর্ক এবং ক্ষমতার দাপট। আর এসব কারণে স্বাভাবিকভাবেই পিছিয়ে পরেন নারীরা, এমনকি মেধাবী ছেলেরাও। নিয়োগ প্রক্রিয়ার এই সংকটের কারণে দিনদিন প্রতিষ্ঠনগুলো মেধাবিদের হাড়াচ্ছে।
জানা গেছে, সরকারের বর্তমান নীতিমালা অনুযায়ী ৩০ শতাংশ মহিলা শিক্ষক নিয়োগের কথা। কোন প্রতিষ্ঠান ৩০ শতাংশ মহিলা শিক্ষক নিশ্চিত না করে কোন পুরুষ শিক্ষক নিয়োগ দিলেও বিধান অনুসারে সেই শিক্ষকের এমপিওভুক্ত হওয়ার যোগ্য হতে পারেন না। এমনকি মহিলাদের অংশগ্রহন বৃদ্ধিতে সরকারিভাবে মহিলাদের জন্য ৪০ শতাংশ কোটা বরাদ্দের উদ্যোগও নেয়া হচ্ছে। জাতীয় শিক্ষা জরিপের প্রতিবেদনে নিন্ম মাধ্যমিক ও মাধ্যমিক স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা এবং কারিগরি ও ভোকেশনাল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সার্বিক চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।
জানা গেছে, দেশে এ ধরনের মোট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা (সরকারি বেসরকারি) ৩৫ হাজার। শিক্ষক আছেন ৫ লাখ ৫০ হাজার জন। যাদের মধ্যে মাত্র ১৮ দশমিক ৭৩ শতাংশ মহিলা। বেসরকারি স্কুল ও কলেজের তুলনায় সরকারি মাধ্যমিক স্কুলের অবস্থান তুলনামূলকভাবে ভালো। এখানে প্রতি তিন জন শিক্ষকের মধ্যে একজন মহিলা। বেসরকারি মাধ্যমিক স্কুলে মহিলা শিক্ষকেরে অনুপাত প্রতি পাঁচ জনে একজন।
নিম্ন মাধ্যমিক ও মাধ্যমিক স্কুলের সংখ্যা আছে সারাদেশে ১৮ হাজার ৭৭০টি। এখানে মহিলা শিক্ষকের সংখ্যা ২৩ দশমিক সাত শতাংশ। প্রতিটি স্কুলে গড়ে ১১ জন শিক্ষকের মধ্যে মহিলা মাত্র দুই জন। দেশের বেসরকারি নিম্ন মাধ্যমিক স্কুলে মহিলা শিক্ষক আছেন ২৫ শতাংশ। সরকারি মাধ্যমিক স্কুলে ৩৫ শতাংশ, বেসরকারি মাধ্যমিক স্কুলে ২২ শতাংশ এবং বেসরকারি স্কুল এন্ড কলেজের স্কুল শাখায় মহিলা শিক্ষকের সংখ্যা ৩৫ শতাংশ। অন্যদিকে বিভাগ ভিত্তিক পরিসংখ্যানে দেখা যায়, বরিশালে ২১ শতাংশ, চট্টগ্রামে ২৪, ঢাকায় ২৮, খূলনায় ২২, রাজশাহীতে ২২ এবং সিলেট বিভাগের স্কুলগুলোতে মহিলা শিক্ষক আছেন ২১ শতাংশ। দেশের কলেজের শিক্ষকের মাত্র ২০ দশমিক চার শতাংশ মহিলা। বেসরকারি স্কুল এন্ড কলেজের কলেজ শাখায় ২৪ দশমিক ছয় শতাংশ, সরকারি উচ্চ মাধ্যমিকে ২১ শতাংশ, বেসরকারি উচ্চ মাধ্যমিকে ২০ দশমিক এক শতাংশ, সরকারি ডিগ্রি কলেজে ১৮ দশমিক ছয়, বেসরকারি ডিগ্রি কলেজে ১৭ দশমিক নয়, সরকারি ডিগ্রি সম্মানে ২০ দশমিক তিন, বেসরকারি ডিগ্রি সম্মানে ২৭ দশমিক পাঁচ, সরকারি মাস্টার্স কলেজে ২৯ এবং বেসরকারি মাস্টার্স কলেজে মহিলা শিক্ষক আছেন ২৪ দশমিক চার শতাংশ। বিভাগের পরিসংখ্যান অনুসারে বরিশালের কলেজে ২০ দশমিক তিন, চট্টগ্রামে ২১ দশমিক চার, ঢাকায় ২৬ দশমিক নয়, খুলনায় ১৬ দশমিক নয়, রাজশাহীতে ১৭ দশমিক দুই, এবং সিলেটের কলেজে আছেন ১৯ দশমিক নয় শতাংশ মহিলা শিক্ষক। দেশের কারিগরি ও ভোকেশনাল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে দেখা গেছে, সরকারি অনুমোদন প্রাপ্ত মোট প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা তিন হাজার ৫৯০টি। যেখানে মোট শিক্ষকের মাত্র ১৯ দশমিক চার শতাংশ মহিলা শিক্ষক। কারিগরি ও ভোকেশনাল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রতিটিেিত গড়ে শিক্ষক আছেন ছয় জন। প্রতিষ্ঠান প্রতি মহিলা শিক্ষক আছেন মাত্র দশমিক ১৭ শতাংশ। মহিলা শিক্ষককের উপস্থিতি সবচেয়ে কম মাদ্রাসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে। এখানে দশমিক তিন শতাংশ মহিলা শিক্ষক। দাখিল মাদ্রাসায় ১০ দশমিক সাত, আলিমে আট দশমিক দুই, ফাজিলে ছয় দশমিক এক এবং কামিল মাদ্রাসায় মহিলা শিক্ষক আছেন মাত্র চার দশমিক চার শতাংশ। এই স্তরের বিভাগের পরিসংখ্যানে দেখা যায়, বরিশালের মাদ্রাসায় ছয় দশমিক পাঁচ, চট্টগ্রামের মাদ্রাসায় সাত দশমিক এক, ঢাকায় ১০ দশমিক সাত, খুলনায় নয় দশমিক আট, রাজশাহীতে ১০ দশমিক পাঁচ এবং সিলেট বিভাগের মাদ্রাসায় মহিলা শিক্ষক আছেন মাত্র ছয় দশমিক সাত শতাংশ। - দেড় হাজার বছরের ইতিহাসের জীবন্ত সাক্ষী আয়া সুফিয়া
- বিক্রির জন্য বাড়িতেই গাঁজা চাষ, গাছসহ নারী আটক
- ৪ অঞ্চলে‘অতি ভারী’বৃষ্টির পূর্বাভাস, চট্টগ্রামে ভূমিধসের শঙ্কা
- ঢাকায় হতে পারে বজ্রসহ বৃষ্টি, ১০ নদীবন্দরে সতর্কতা
- চারদিন পর বন্ধ হলো কাপ্তাই বাঁধের ১৬ জলকপাট
- টুর্নামেন্টের সেরা একাদশ ঘোষণা করেছে ফিফা
- ভারতে ছাত্র আন্দোলনে সমর্থন বাড়ছে, আন্দোলনে সংসদ অচল
- দেশের ৮ অঞ্চলে রাতে ৬০ কিমি বেগে ঝোড়ো বৃষ্টির আভাস
- হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৬ শিশুর মৃত্যু
- ১৮ বছরেই চলে গেলেন ‘গডজিলা’ তারকা কাইলি
- হেনা দাস: অসাম্প্রদায়িক সমাজ গঠনের ইতিহাসে উজ্জ্বল নাম
- সাহারা মরুভূমি পাড়ি দেওয়া থেকে ইয়ামাল ও নিকোর বিশ্বজয়
- ঢাকাসহ সারা দেশে টানা পাঁচ দিন বৃষ্টির পূর্বাভাস
- জামায়াত এমপির ড্রাইভারের নিরাপত্তা ইস্যুতে নীলার পোস্ট
- খরচ কমলো হজের, সর্বনিম্ন ব্যয় ৫ লাখ ৫ হাজার ৬৪৮ টাকা
- ফাইনালে মারামারি: তদন্ত শুরু করল ফিফা
- জামায়াত এমপির ভিডিওকাণ্ড: তদন্ত দাবি তাসনিম জারার
- জামায়াত এমপির ড্রাইভারের নিরাপত্তা ইস্যুতে নীলার পোস্ট
- সৈকতের নীল জলে মুগ্ধতা ছড়ালেন কেয়া পায়েল
- সাহারা মরুভূমি পাড়ি দেওয়া থেকে ইয়ামাল ও নিকোর বিশ্বজয়
- টুর্নামেন্টের সেরা একাদশ ঘোষণা করেছে ফিফা
- ভারতে ছাত্র আন্দোলনে সমর্থন বাড়ছে, আন্দোলনে সংসদ অচল
- রাহুল-প্রিয়াঙ্কা আটকের ২ ঘণ্টা পর মুক্ত
- ১৮ বছরেই চলে গেলেন ‘গডজিলা’ তারকা কাইলি
- পুষ্টিগুণে ভরপুর স্বাস্থ্যকর খাবার পটল
- হেনা দাস: অসাম্প্রদায়িক সমাজ গঠনের ইতিহাসে উজ্জ্বল নাম
- সবজির দামে সেঞ্চুরি, কাঁচা মরিচের কেজি ২৪০ টাকা ছাড়াল
- তিস্তার পানি বেড়ে বিপৎসীমার ছুঁই ছুঁই
- তনু হত্যা মামলায় আরও দুই সন্দেহভাজনের ডিএনএ সংগ্রহের নির্দেশ
- ৪ অঞ্চলে‘অতি ভারী’বৃষ্টির পূর্বাভাস, চট্টগ্রামে ভূমিধসের শঙ্কা










