ঢাকা, রবিবার ১৮, অক্টোবর ২০২৬ ৮:৩৪:০৫ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
হাসপাতালে ডাক্তারের ধূমপান, বরখাস্তের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ইনানী রিসোর্টে আগুন: নিহতদের ৬ জনের পরিচয় মিলেছে ইনানীতে রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডে প্রাণহানী বেড়ে ৭ বিশ্বমঞ্চে স্বীকৃতি পেল নারী শ্রমিকদের কারখানা আজ মহাসপ্তমী পাঁচ দিনের মাথায় চাকরি হারালেন ট্রাম্পের নতুন প্রেস সেক্রেটারি আজ খোলা থাকবে সব ব্যাংক এক দিনে হাম উপসর্গে আরও ৫ জনের প্রাণহানি

৩ মাসের শিশুর পা মোচড় দেওয়া চাচি পলাতক, আটক ৩

নিজস্ব প্রতিবেদক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ১১:১৩ এএম, ১৫ জুলাই ২০২৬ বুধবার

সংগৃহীত ছবি

সংগৃহীত ছবি

নরসিংদীতে তিন মাস বয়সী এক শিশুর পা মোচড় দেওয়ার অভিযোগে অভিযুক্ত চাচি লতা বেগম (৩২) পলাতক রয়েছেন। এ ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এবং তদন্তের স্বার্থে অভিযুক্তের স্বামীসহ পরিবারের তিন সদস্যকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছে পুলিশ।

ঘটনাটি সদর উপজেলার মাধবদী থানার আমদিয়া ইউনিয়নের পাইকারদী এলাকার চাঁনগাঁও গ্রামে ঘটে।

মাধবদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ কামাল হোসেন জানান, প্রায় পাঁচ দিন আগের ঘটনার একটি ভিডিও মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওতে দাবি করা হয়, পারিবারিক বিরোধের জেরে শিশুটির পা ভেঙে দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি নজরে আসার পরপরই তদন্ত শুরু করে পুলিশ।

পুলিশ জানায়, পারিবারিক কলহের জেরে অভিযুক্ত লতা বেগম রাগের বশে ঘরে ঢুকে তিন মাস বয়সী শিশু রিজিকের পা মোচড় দেন। এ সময় শিশুটির মা গোপনে মোবাইল ফোনে ঘটনাটি ধারণ করেন। পরে গত ১১ জুলাই তিনি ভিডিওটি তার ভাই ইব্রাহিমের কাছে পাঠান। তবে ভিডিওটি কীভাবে এবং কার মাধ্যমে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

তদন্তে ভাইরাল ভিডিওতে প্রচারিত তথ্যের সঙ্গে শিশুটির মা-বাবার বক্তব্যের অমিল পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

ওসি বলেন, শিশুর পা ভেঙে যাওয়ার দাবির সত্যতা পাওয়া যায়নি। শিশুটির বাবা জহিরুল হক জহির ও মা সাইফা জানিয়েছেন, ঘটনাটি পারিবারিকভাবে তিন দিন আগেই মীমাংসা হয়েছে। শিশুটি বর্তমানে সুস্থ রয়েছে এবং তার পা ভাঙেনি। এমনকি পায়ে কোনো ব্যান্ডেজ বা চিকিৎসারও প্রয়োজন হয়নি। এ ঘটনায় তাদের কোনো অভিযোগও নেই। তাদের দাবি, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মনগড়া তথ্য যুক্ত করে ভিডিওটি ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।

তবে তদন্তের স্বার্থে অভিযুক্ত লতা বেগমের স্বামী কাউছার আহমেদ, শ্বশুর আলমাছ মিয়া এবং শাশুড়ি শেফালী বেগমকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নেওয়া হয়েছে। এ সময় একটি মোবাইল ফোনও জব্দ করেছে পুলিশ।

এদিকে ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। তারা ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত এবং অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে অভিযুক্তের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

পুলিশ জানিয়েছে, পলাতক লতা বেগমকে গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।