ঢাকা, বৃহস্পতিবার ০৫, নভেম্বর ২০২৬ ১১:০৪:০৯ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
স্বর্ণের দামে ফের বড় লাফ মোংলায় পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ৮ শতাধিক পর্যটক নিয়ে সেন্টমার্টিনে জাহাজ চলাচল শুরু যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ নারী গভর্নর হলেন ডেমোক্র্যাট কেইশা ট্রাম্পের শক্ত ঘাঁটিতে ডেমোক্র্যাটদের চমক, সিনেটর হলেন অ্যানি সিনেটের নিয়ন্ত্রণ নিল ডেমোক্র্যাটরা

৭ মার্চের ভাষণ ছিল জাতির ভবিষ্যৎ বিনির্মাণের ঘোষণা: প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০৮:৫৬ পিএম, ৮ মার্চ ২০১৯ শুক্রবার

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ৭ মার্চ ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে যে ভাষণ দিয়েছিলেন তাতে স্বাধীনতার পাশাপাশি জাতির ভবিষ্যৎ বিনির্মাণের ঘোষণা ছিল জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, স্বাধীনতার ঘোষণা নিয়ে প্রশ্ন তোলার কোনো সুযোগ নেই। এই ভাষণ নিয়ে অনেকে অনেক ধরনের ব্যাখ্যা দেন, যা ঠিক নয়। ৭ মার্চের ভাষণেই বঙ্গবন্ধু বলে দিয়েছিলেন স্বাধীনতার জন্য কী করতে হবে। তিনি জানতেন ভাষণের পর নাও ফিরতে পারেন। এজন্য সব নির্দেশনা দিয়ে গিয়েছিলেন। সেই ভাষণে অসহযোগ থেকে সশস্ত্র যুদ্ধের প্রতি উদ্বুদ্ধ করা হয়েছিল বলে জানান তিনি।

শুক্রবার বিকেল ৪টায় রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন কমপ্লেক্স মিলনায়তনে এক সেমিনারে সভাপতির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন। ৭ মার্চ উপলক্ষে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে এই সেমিনারের আয়োজন করে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ।

রাজনীতিকদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ব্যক্তিজীবনে আমি কী পেলাম আর কী পেলাম না এ হিসাব করলে চলবে না। রাজনীতিতে এসেছেন দেশের মানুষের সেবা করতে। মানুষের জন্য কতটুকু করতে পারলাম সেটাই বড় কথা। যা বঙ্গবন্ধু আমাদের শিখিয়ে গিয়েছেন।

শেখ হাসিনা বলেন, ৭৫-এর পরে এ দেশের রাজনীতি ইতিহাস ব্যর্থতায় পর্যবেশিত হতে ছিল। যুব সমাজ এক সময় অন্ধকারে নিমজ্জিত ছিল। তারা প্রকৃত ইতিহাস নিয়ে দ্বিধাদ্বন্দ্বে ছিল। স্বাধীনতার ঘোষক হিসেবে একজন খল নায়ককে দাঁড় করানো হয়েছিল। তিনি নাকি কোন ড্রামের ওপর উঠে ঘোষণা দিয়েছিলেন। এভাবে ইতিহাসকে বিকৃত করা হয়েছে।

সেমিনারে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বঙ্গবন্ধু মেমোরিয়াল ট্রাস্টের সদস্য সচিব শেখ হাফিজুর রহমান। সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান প্রফেসর আবদুল মান্নান।

মূল প্রবন্ধের ওপর আলোচনা করেন বঙ্গবন্ধু জাদুঘরের সভাপতি শিল্পী হাসিম খান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অান্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের শিক্ষক ড. নিলয় রঞ্জন বিশ্বাস, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ড. ফারজানা ইসলাম। অনুষ্ঠানে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন বঙ্গবন্ধু জাদুঘরের প্রধান নির্বাহী মাসুদা হোসেন।

-জেডসি