ঢাকা, বৃহস্পতিবার ০৫, নভেম্বর ২০২৬ ২১:২৫:২২ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
নাসিরের মামলায় আত্মসমর্পণ, জামিন পেলেন পরীমনি নীল ঝড়ে ধরাশায়ী ট্রাম্পের শিবির ঢাকা ও আশপাশের বিভিন্ন শিল্পাঞ্চলে ৩৩ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন স্বর্ণের দামে ফের বড় লাফ মোংলায় পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ৮ শতাধিক পর্যটক নিয়ে সেন্টমার্টিনে জাহাজ চলাচল শুরু যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ নারী গভর্নর হলেন ডেমোক্র্যাট কেইশা

অপহরণের চারদিন পর শিশুর লাশ উদ্ধার, গ্রেফতার ২

নিজস্ব প্রতিবেদক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০৩:০৩ পিএম, ২৯ জানুয়ারি ২০১৯ মঙ্গলবার

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

ঢাকার ধামরাইয়ে পাঁচ বছরের শিশু মনির হোসেন অপহরণের চারদিন পর আশুলিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশ থেকে লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

সোমবার রাতে গ্রেফতার দুই অপহরণকারীর স্বীকারোক্তি অনুযায়ী মঙ্গলবার সকালে লাশটি উদ্ধার করা হয়। মনির ধামরাইয়ের আশুলিয়া গ্রামের ব্যবসায়ী সোনা মিয়া ওরফে কালা মিয়ার ছেলে।

সোনা মিয়া জানান, গত শনিবার বিকেল ৫টায় বাড়ির পাশে সালাম মেম্বারের ধানের চাতালে খেলতে যায় মনির। সন্ধ্যার পরও সে বাড়ি না ফিরলে বিভিন্ন স্থানে খোঁজ করেন তারা। কোথাও না পেয়ে পরেরদিন রবিবার ধামরাই থানায় একটি জিডি করেন সোনা মিয়া। এরপর সোমবার বিকেলে তার মোবাইলে ফোন করে ১০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে অপহরণকারীরা। বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে ধামরাই থানা পুলিশকে জানানো হয়। এরপর প্রযুক্তির সহায়তায় সোমবার রাতেই পুলিশ সোনা মিয়ার বাড়ির পাশের মাজেদুল ইসলাম (২৭) ও মানছুর রহমান (২৫) নামের দুই অপহরণকারীকে গ্রেফতার করে। রাতভর ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে তারা মনির হোসেনকে শ্বাসরোধে হত্যার পর মাটিচাপা দেওয়ার কথা স্বীকার করে। পরে মঙ্গলবার সকালে গ্রেফতার দুই খুনিকে সঙ্গে নিয়ে ধামরাইয়ের আশুলিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশ থেকে মাটি খুঁড়ে শিশু মনিরের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

ধামরাই থানার ওসি দীপক চন্দ্র সাহা বলেন, ঘটনার দিনই শিশু মনিরকে অপহরণের পর হত্যা করে লাশ মাটিচাপা দেওয়া হয়। পরে মোবাইল ফোনে ১০ লাখ টাকা মুক্তিপণ চায় অপহরণকারীরা। ওই মোবাইল ফোন ট্র্যাকিং করে তাদের গ্রেফতারের পর স্বীকারোক্তি অনুযায়ী লাশ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় আরও একজন জড়িত রয়েছে। তাকেও গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। এ হত্যার পেছনে অন্য কোনো কারণ রয়েছে কিনা তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

-জেডসি