ঢাকা, শনিবার ২৭, জুন ২০২৬ ১২:০৫:৪৭ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
ইতিহাস গড়ে প্রথমবার নকআউটে কেপ ভার্দে স্বর্ণের দামে বড় লাফ, ভরিতে বাড়ল ৫৪৮২ ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পে প্রাণহানি বেড়ে ৯২০, নিখোঁজ ৫০ হাজারের বেশি ইতালিতে নারী ও শিশুসহ তিন বাংলাদেশি খুন, গুরুতর আহত একজন ভেনেজুয়েলার ধ্বংসস্তূপ থেকে অলৌকিকভাবে উদ্ধার জীবিত নারী! চীন সফর শেষে দেশে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী

অস্ট্রেলিয়ার নতুন প্রধানমন্ত্রীকে শেখ হাসিনার অভিনন্দন

বাসস | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ১২:০৪ পিএম, ২২ মে ২০২২ রবিবার

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

অস্ট্রেলিয়ার নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী এবং লেবার পার্টির নেতা অ্যান্থনি আলবেনিজকে বাংলাদেশের জনগণ ও নিজের পক্ষ থেকে অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ রোববার এক বার্তায় শেখ হাসিনা বলেন, অ্যান্থনি আলবেনিজের বিজয়ে অস্ট্রেলিয়ার জনগণের আস্থার প্রতিফলন ঘটেছে। তিনি নিশ্চয় তাঁর দেশকে শান্তি ও সমৃদ্ধির দিকে নিয়ে যাবেন। 
অভিনন্দন বার্তায় বাংলাদেশের স্বাধীনতার প্রতি অস্ট্রেলিয়ার অকুণ্ঠ সমর্থন এবং কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের পর থেকে অস্ট্রেলিয়ার উদার সহযোগিতার কথা কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, ‘বাণিজ্য, অর্থনীতি, সংস্কৃতি, শিক্ষাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়ানোর মাধ্যমে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক আরও গভীর ও মজবুত হয়েছে। ক্লিন এনার্জি, মেরিটাইম সিকিউরিটি, ওসিয়ান গভর্নেন্স এবং ব্লু ইকোনমিতে সহযোগিতার জন্য আমাদের অপার সম্ভাবনা রয়েছে।’ 
 অভিনন্দন বার্তায় শেখ হাসিনা আরও বলেন, আমরা আমাদের পারস্পরিক সম্পর্ক ও বন্ধুত্বের ৫০ বছর উদ্‌যাপন করেছি। আশা করি ভবিষ্যতে আমরা পারস্পরিক স্বার্থ ও আন্তঃনির্ভরশীলতার ক্ষেত্রে নতুন নতুন দিক অন্বেষণ করতে পারব, যাতে আমাদের সম্পর্ক অংশীদারত্বের দিকে উন্নীত হতে পারে। আশা করি আমরা ভারত মহাসাগর অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে কাজ করতে পারব। 
সবশেষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অস্ট্রেলিয়ার নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে বলেন, আমি আন্তরিকভাবে আশা করি, ১৯৭৫ সালে বাংলাদেশ সফরে আসা অস্ট্রেলীয় প্রধানমন্ত্রী গফ হুইটলামের পর আপনি দ্বিতীয় প্রধানমন্ত্রী হিসেবে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব বাংলাদেশ সফরে আসবেন। আপনার সফর আমাদের বিদ্যমান বন্ধুত্বকে আরও দৃঢ় করবে, পাশাপাশি আমাদের দ্বিপক্ষীয় স্বার্থ এবং আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক সমস্যাগুলো নিয়ে বোঝাপড়া তৈরি করতে সাহায্য করবে।