ঢাকা, সোমবার ১৬, মার্চ ২০২৬ ১২:১১:৩৪ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
প্রথমবারের মতো ‘সেজ্জিল ক্ষেপণাস্ত্র’ ছুঁড়ল ইরান অস্কার ২০২৬: তারকাদের ঝলমলে ফ্যাশনে মুখর রেড কার্পেট ‘হ্যামনেট’-এ অনবদ্য অভিনয়, অস্কারে সেরা অভিনেত্রী জেসি বাকলি সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি মির্জা আব্বাস ঈদে টানা ৭ দিন ছুটি, আজ সরকারি চাকরিজীবীদের শেষ কর্মদিবস ঈদে ফিরতি ট্রেনযাত্রা: চতুর্থ দিনের টিকিট বিক্রি শুরু লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় মৃত্যু ৮৫০ ছাড়াল পাকিস্তানের বিরুদ্ধে জয়ে ক্রিকেট দলকে প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন

আনোয়ারা সৈয়দ হক: গল্পের সুঁতোয় মনস্তত্ব

শারমিন সুলতানা | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০৬:৪৭ পিএম, ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ রবিবার

আনোয়ারা সৈয়দ হক, ফাইল ছবি

আনোয়ারা সৈয়দ হক, ফাইল ছবি

এবছর ভাষা ও সাহিত্যে একুশে পদক প্রাপ্ত আনোয়ারা সৈয়দ হক শুধুমাত্র একজন কথাসাহিত্যিকই নন। পাশাপাশি তিনি একজন মনোরোগ বিশেষজ্ঞ ও অধ্যাপক। 

মানসিক সমস্যার গল্প, গলে যাচ্ছে ঝুলন্ত পদক, তৃষিতা, সোনার হরিণ, বাজিকর, স্বপ্নের ভেতর, অবরুদ্ধ, নারীর কিছু কথা আছে, ছানার নানার বাড়িসহ রচনা করেছেন অসংখ্য ছোট গল্প, উপন্যাস, কাব্যগ্রন্থ, প্রবন্ধ, ভ্রমণ কাহিনী, শিশু সাহিত্য, অনুবাদ গ্রন্থ ও স্মৃতিকথা। 

কাজের স্বীকৃতি স্বরুপ পেয়েছেন অনন্যা সাহিত্য পুরস্কার, বাংলা একাডেমি পুরস্কার, ভাষা ও সাহিত্যে একুশে পদকসহ আরো অনেক পুরস্কার।

কথাসাহিত্যিক আনোয়ারা সৈয়দ হকের জন্ম ১৯৪০ সালের ৫ নভেম্বর যশোর জেলার চুড়িপট্টি গ্রামে। তাঁর বাবার নাম গোলাম রফিউদ্দিন চৌধুরী। তিনি পেশায় একজন একজন ব্যবসায়ী ছিলেন। মা আছিয়া খাতুন ছিলেন একজন গৃহিণী। দেশের প্রখ্যাত সব্যসাচি লেখক প্রয়াত সৈয়দ শামসুল হক তার জীবনসঙ্গি। 

পড়ালেখার প্রথম পাঠ তিনি শুরু করেন মায়ের কাছেই।এরপর ভর্তি হন যশোরের চুড়িপট্টির মোহনগঞ্জ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। প্রাথমিক শিক্ষা শেষে মধুসূদন তারাপ্রসন্ন উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি এবং মাইকেল মধুসূদন দত্ত স্কুল ও কলেজ থেকে এইসএসসি পাস করেন। এইসএসসি পাস করে তিনি ভর্তি হন ঢাকা মেডিকের কলেজ। সেখান থেকে এমবিবিএস পাস করেন ১৯৬৫ সালে। পরবর্তীতে তিনি লন্ডন থেকে মনোবিজ্ঞানের উপর এমআরসি ডিগ্রী নিয়েছেন।

আনোয়ারা হক বিমান বাহিনী মেডিকেলে লেফটেন্যান্ট হিসেবে তাঁর পেশাজীবন শুরু করেন। পরবর্তীতে ১৯৯৯ থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত মনোরোগ বিশেষজ্ঞ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন যুক্তরাজ্য ও স্কটল্যান্ডের বিভিন্ন হাসপাতালে। বর্তমানে তিনি ঢাকার বারডেম হাসপাতালের মনোরোগ বিভাগে বিশেষজ্ঞ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।