আম্পানে যেসব এলাকায় ১৫ ফুট জলোচ্ছ্বাসের শঙ্কা
নিজস্ব প্রতিবেদক | উইমেননিউজ২৪প্রকাশিত : ১২:৩৫ পিএম, ২০ মে ২০২০ বুধবার
ছবি: সংগৃহীত
বঙ্গোপসাগরে সুপার সাইক্লোনে রূপ নেওয়া আম্পানের প্রভাবে দেশের উপকূলীয় নিচু এলাকায়গুলোয় স্বাভাবিকের চেয়ে ১০ থেকে ১৫ ফুট বেশি উচ্চতার জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
বুধবার সকাল ছয়টায় আবহাওয়া অফিসের বিশেষ বুলেটিনে বলা হয়েছে, ঘূর্ণিঝড়টি সকাল ৬টায় চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ৫৬৫ কি.মি. দক্ষিণপশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ৫৪৫ কি.মি. দক্ষিণপশ্চিমে, মংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ৩৯০ কি.মি. দক্ষিণপশ্চিমে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ৪১০ কি.মি. দক্ষিণপশ্চিমে অবস্থান করছিল। ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়ার আকারে ২২০ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের নিকটে সাগর খুবই বিক্ষুব্ধ রয়েছে।
জলোচ্ছ্বাসের সতর্কতায় বলা হয়, ঘূর্ণিঝড় এবং দ্বিতীয় পক্ষের চাঁদের সময়ের শেষ দিনের প্রভাবে উপকূলীয় জেলা সাতক্ষীরা, খুলনা, বাগেরহাট, ঝালকাঠি, পিরোজপুর, বরগুনা, পটুয়াখালী, ভোলা, বরিশাল, লক্ষ্মীপুর, চাঁদপুর, নোয়াখালী, ফেনী ও চট্টগ্রাম এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরগুলোর নিম্নাঞ্চল স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে থেকে ১০ থেকে ১৫ ফুট অধিক উচ্চতার জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হতে পারে।
আবহাওয়া অফিস জানায়, ঘূর্ণিঝড় আম্পানের কারণে মংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরকে ৭ নম্বর বিপদ সংকেত নামিয়ে তার পরিবর্তে ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। এছাড়া উপকূলীয় জেলা সাতক্ষীরা, খুলনা, বাগেরহাট, ঝালকাঠি, পিরোজপুর, বরগুনা, পটুয়াখালী, ভোলা, বরিশাল, লক্ষ্মীপুর, চাঁদপুর এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরগুলোও এই ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেতের আওতায় থাকবে। তবে চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার সমুদ্র বন্দরে ৬ নম্বর বিপদ সংকেতই দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।
ঘূর্ণিঝড় অতিক্রমকালে সাতক্ষীরা, খুলনা, বাগেরহাট, ঝালকাঠি, পিরোজপুর, বরগুনা, পটুয়াখালী, ভোলা, বরিশাল, লক্ষ্মীপুর, চাঁদপুর, নোয়াখালী, ফেনী ও চট্টগ্রাম জেলাসমূহ এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরসমূহে ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণসহ ঘণ্টায় ১৪০ থেকে ১৬০ কি.মি. বেগে দমকা অথবা ঝড়ো হওয়া বয়ে যেতে পারে বলে আবহাওয়ার বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে।
১৯৭০ সালের প্রলয়ংকরী ঘূর্ণিঝড়ের সময় বাংলাদেশে সবচেয়ে বড় উচ্চতার জলোচ্ছ্বাস দেখা গিয়েছিল। সেই বছরের ১২ নভেম্বর ঘূর্ণিঝড়ের সময় ১০ থেকে ৩৩ ফুট উচ্চতার জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হয়েছিল চট্টগ্রামের নিচু এলাকা। ঝড় উপকূল পার হওয়ার সময় বাতাসের সর্বোচ্চ গতি ছিল ঘণ্টায় ২২৪ কিলোমিটার।
১৯৯১ সালের ঘূর্ণিঝড়ের সময় চট্টগ্রামে ১২ থেকে ২২ ফুট উচ্চতার জলোচ্ছ্বাস দেখা গিয়েছিল। ওই ঝড়ের সময় বাতাসের সর্বোচ্চ গতি ছিল ২২৫ কিলোমিটার।
-জেডসি
- লিচুতে সরগরম বাজার, বাড়ছে সরবরাহ কমছে দাম
- পাখিদের মৃত্যু, প্রকৃতির নিঃশব্দ বিদায়
- ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলে টাকার নৈরাজ্য, নেই নিয়ম-নীতির বালাই
- পাকা কলার পিঠা, একটি মুখরোচক খাবার
- বাম্পার ফলন আমের: ২৭ লাখ টন ছাড়াতে পারে উৎপাদন
- গৌরনদীতে নারীর ক্ষমতায়নে তথ্য আপা প্রকল্প নিয়ে উঠান বৈঠক
- পাঁচ শিক্ষা বোর্ড ও এনসিটিবিতে নতুন চেয়ারম্যান
- আগামী বছর পাঠ্যক্রমে যুক্ত হচ্ছে চার নতুন বই
- দেশের ৮টি অঞ্চলে রাতেই হতে পারে ঝড়
- শিশুদের মাঠে ফেরাতে আধুনিক পার্ক গড়ছে সরকার
- ভুয়ো খবর ছড়ানো নিয়ে কড়া বার্তা মিমির
- হামে একদিনে আরও ৮ শিশুর প্রাণহানী
- এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলের তারিখ জানালেন শিক্ষামন্ত্রী
- বিশ্বকাপে নতুন ৪ ফিচার আনল হোয়াটসঅ্যাপ
- পুশইন ঠেকাতে ভারতকে ১৩টি চিঠি দিয়েছে সরকার
- গ্রামে ১০-১২ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকে না: রুমিন ফারহানা
- বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে ফের পতন
- সৌদি সিনেমার প্রেমে মজেছেন মনিকার
- বিশ্বকাপে নতুন ৪ ফিচার আনল হোয়াটসঅ্যাপ
- এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলের তারিখ জানালেন শিক্ষামন্ত্রী
- সন্ধ্যার মধ্যে দেশের ৯ জেলায় ঝড়-বৃষ্টির শঙ্কা
- বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার ৫ দেশে একসঙ্গে ভূমিকম্প অনুভূত
- পুশইন ঠেকাতে ভারতকে ১৩টি চিঠি দিয়েছে সরকার
- বাম্পার ফলন আমের: ২৭ লাখ টন ছাড়াতে পারে উৎপাদন
- হামে একদিনে আরও ৮ শিশুর প্রাণহানী
- দেশের ৮টি অঞ্চলে রাতেই হতে পারে ঝড়
- শিশুদের মাঠে ফেরাতে আধুনিক পার্ক গড়ছে সরকার
- গৌরনদীতে নারীর ক্ষমতায়নে তথ্য আপা প্রকল্প নিয়ে উঠান বৈঠক
- পাঁচ শিক্ষা বোর্ড ও এনসিটিবিতে নতুন চেয়ারম্যান
- ভুয়ো খবর ছড়ানো নিয়ে কড়া বার্তা মিমির









