ঢাকা, রবিবার ২১, জুন ২০২৬ ১৩:২৩:৫০ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
‘২৫ হাজার মিডওয়াইফ নিয়োগ দেওয়া হবে’ বিশ্বকাপের ১০০০তম ম্যাচে তিউনিসিয়াকে উড়িয়ে দিল জাপান লিবিয়া উপকূলে নারীসহ ১৫ অভিবাসীর লাশ উদ্ধার নারী টি-২০ বিশ্বকাপ: পাকিস্তানকে হারিয়ে ইতিহাস গড়ল টাইগ্রেসরা স্পেনের প্রধানমন্ত্রীর স্ত্রীর দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা প্রথম বিদেশ সফরে আজ মালয়েশিয়া, এরপর চীন যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী এলয় রুমের দেয়ালে থামল ইকুয়েডর, স্বপ্ন দেখছে কুরাসাও

ইউক্রেনে ১৫ হাজার যুদ্ধাপরাধ ঘটেছে: ইরিনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ১১:৪৭ এএম, ১ জুন ২০২২ বুধবার

ইরিনা ভেনেডিকটভা।  ছবি : সংগৃহীত

ইরিনা ভেনেডিকটভা। ছবি : সংগৃহীত

যুদ্ধবিধ্বস্ত ইউক্রেনের প্রধান কৌঁসুলি ইরিনা ভেনেডিকটভা অভিযোগ করেছেন, রুশ আগ্রাসন শুরুর পর থেকে তার দেশে এ পর্যন্ত প্রায় ১৫ হাজারের মতো যুদ্ধাপরাধ ঘটেছে। হেগ শহরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই অভিযোগ করেন। 

আজ বুধবার এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম বিবিসি।

ইরিনা ভেনেডিকটভা জানান, এসব ঘটনায় ৬০০ সন্দেহভাজনকে চিহ্নিত করা হয়েছে। ৮০টি ঘটনার বিচার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

এই সন্দেহভাজনদের তালিকায় রুশ সেনাবাহিনীর সিনিয়র পর্যায়ের কর্মকর্তারা ছাড়াও দেশটির রাজনীতিক এবং রাশিয়ার পক্ষে কাজ করা ‘প্রোপাগান্ডা’ এজেন্টদের নাম রয়েছে।
 
রাশিয়া অবশ্য বরাবরই বেসামরিক নাগরিকদের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করার অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে।

ভেনেডিকটভা জানান, ১৫ হাজার যুদ্ধাপরাধের ঘটনার মধ্যে কয়েক হাজার হয়েছে পূর্বাঞ্চলীয় ডনবাস অঞ্চলে, যেখানে ইউক্রেনের সেনাদের সঙ্গে রুশ বাহিনীর তীব্র লড়াই হয়েছে। অঞ্চলটিতে যুদ্ধাপরাধের যেসব ঘটনা ঘটেছে তার মধ্যে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত করার বিষয়টিও রয়েছে। বিশেষ করে প্রাপ্তবয়স্ক ও শিশুদের রাশিয়ার দুইটি আলাদা এলাকায় পাঠিয়ে দেওয়ার অভিযোগ করা হয়েছে রুশ বাহিনীর বিরুদ্ধে।

ইউক্রেনের প্রধান কৌঁসুলি বলেন, নির্যাতন, বেসামরিক নাগরিক হত্যা, বেসামরিক অবকাঠামো ধ্বংস করাও সন্দেহভাজন যুদ্ধাপরাধের মধ্যে রয়েছে। তার ভাষায়, ‘লড়াই চলাকালে তদন্ত করা খুব কঠিন কাজ।’

এস্তোনিয়া, লাটভিয়া ও স্লোভাকিয়াও এসব ঘটনার তদন্ত প্রক্রিয়ায় সম্পৃক্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি। পোল্যান্ড ও লিথুয়ানিয়া আগে থেকেই সহায়তা করছে।