ঢাকা, বৃহস্পতিবার ২৯, জানুয়ারি ২০২৬ ১:৪৬:৫২ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
সারা দেশে অবাধে শিকার ও বিক্রি হচ্ছে শীতের পাখি ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ অ্যাপে এখন পর্যন্ত ১৩ লাখ নিবন্ধন নারী, সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তা বিষয়ে ১০ দফা সুপারিশ প্রধান উপদেষ্টার কাছে কর কাঠামো পুনর্বিন্যাসের সুপারিশ ইরানের পরিস্থিতি খারাপ হলে কঠোর হবে তুরস্ক

‘উপহার’ হিসেবে পেয়েছিলেন ডিভোর্সের নোটিশ

বিনোদন ডেস্ক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ১১:০৭ এএম, ১৫ জানুয়ারি ২০২৬ বৃহস্পতিবার

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

বলিউডের গ্ল্যামার জগত থেকে দূরে থাকলেও ব্যক্তিগত জীবনের টানাপোড়েন নিয়ে ফের আলোচনায় অভিনেত্রী সেলিনা জেটলি। তবে এবারের চর্চা কোনো সিনেমার প্রচার নিয়ে নয়, বরং নিজের জীবনসঙ্গীর দেওয়া এক চরম 'উপহার' এবং সন্তানদের ফিরে পাওয়ার আকুলতা নিয়ে। অভিনেত্রী নিজেই জানিয়েছেন, বিয়ের ১৫তম বার্ষিকীর শুভক্ষণে স্বামীর কাছ থেকে উপহার হিসেবে পেয়েছেন ডিভোর্স বা বিবাহবিচ্ছেদের নোটিশ।

সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ইনস্টাগ্রামে একটি দীর্ঘ পোস্টে নিজের জীবনের এই অন্ধকার অধ্যায়টি তুলে ধরেন সেলিনা। তিনি জানান, স্বামী পিটার হাগের সঙ্গে দীর্ঘ এক দশকেরও বেশি সময়ের দাম্পত্য জীবনে এমন এক মোড় আসবে, যা তিনি স্বপ্নেও ভাবেননি।

সেলিনার ভাষ্যমতে, দিনটি ছিল ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরের শুরুতে। পিটার তাকে জানান, বিবাহবার্ষিকীর বিশেষ উপহার কিনতে তিনি কাছের একটি পোস্ট অফিসে যাবেন। ভালোবেসে নিজেই গাড়ি চালিয়ে স্ত্রীকে সেখানে নিয়ে যান পিটার। কিন্তু সেই সুন্দর মুহূর্তটি মুহূর্তেই বিষাদে রূপ নেয়, যখন পিটার কোনো গয়না বা স্মারক নয়, বরং সেলিনার হাতে ডিভোর্সের আইনি কাগজপত্র ধরিয়ে দেন।

শুধু বিচ্ছেদই নয়, অস্ট্রিয়া ত্যাগের সেই ভয়াবহ রাতের স্মৃতিও রোমন্থন করেছেন এই অভিনেত্রী। সেলিনা লেখেন, ‘২০২৫ সালের ১১ অক্টোবর, রাত ১টা। নিজের মর্যাদা এবং সন্তানদের রক্ষা করতে প্রতিবেশীদের সহায়তায় কোনোমতে অস্ট্রিয়া ত্যাগ করি। সেই সময় আমার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে সামান্য কিছু টাকা ছিল। সেই সম্বলটুকু নিয়েই ভারতে নিজের বাড়িতে আশ্রয় নিই।’

তিনি দাবি করেছেন, বিয়ের বহু আগে ২০০৪ সালে কেনা তার নিজস্ব সম্পত্তিও নিজের বলে দাবি করেছেন পিটার। এমনকি আদালতের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও তিন সন্তানের সঙ্গে তাকে দেখা করতে দেওয়া হচ্ছে না। সন্তানদের ‘ব্রেনওয়াশ’ এবং ভয় দেখানো হচ্ছে বলেও অভিযোগ তার।