ঢাকা, বৃহস্পতিবার ২২, অক্টোবর ২০২৬ ১৬:১৬:৫১ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
সুন্দরবন পরিদর্শন শেষে মোংলায় পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী সাজেকে সড়ক অবরোধ, আটকা ৩ হাজার পর্যটক সাতক্ষীরায় প্রতিমায় সিঁদুর দিতে গিয়ে গৃহবধূর মৃত্যু দেশের বাজারে ফের সোনার দামে পতন আজ খুলনা ও বাগেরহাট সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নভেম্বরের শুরুতেই স্কুল-কলেজে টানা ৩ দিনের ছুটি! বিকেলের মধ্যে পর্যটকদের সাজেক ছাড়ার নির্দেশ আবারও চালু হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের ডিভি লটারি

খালেদা জিয়া সাধারণ কয়েদি : আইজি প্রিজন

নিজস্ব প্রতিবেদক | উইমেননিউজ২৪.কম

প্রকাশিত : ০৪:৩০ পিএম, ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ রবিবার

কারা মহাপরিদর্শক (আইজি প্রিজন) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ ইফতেখার উদ্দিন বলেছেন, জেলকোড মেনেই খালেদা জিয়াকে সাধারণ কয়েদি হিসেবে রাখা হয়েছে। তাকে ডিভিশন দেওয়া হয়নি।

 

আজ রোববার দুপুরে কারা অধিদপ্তরে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি।

 

সৈয়দ ইফতেখার উদ্দিন আরো বলেন, ১৯৬৪ ও ২০০৬ সালের কারাবিধি অনুযায়ী বর্তমানে যারা সাংসদ, তারাই ডিভিশন পান। সাবেক প্রেসিডেন্টও পান। তবে সাবেক প্রধানমন্ত্রী পান না। এ কারণেই আমরা তাকে ডিভিশন দিতে পারিনি।

 

তিনি আরো বলেন, খালেদা জিয়া একজন সাধারণ বন্দি। তাকে সঙ্গ দেওয়ার জন্য একজন নারী ডিপ্লোমা নার্স ও চারজন নারী কারারক্ষী আছেন। তাকে কারাগারের খাবার দেওয়া হচ্ছে। তবে বাইরে থেকে শুকনো খাবার দেওয়ার অনুমতি রয়েছে।

 

সৈয়দ ইফতেখার উদ্দীন বলেন, আমরা শুনেছি আদালত ওনাকে ডিভিশন দেওয়ার আদেশ দিয়েছেন। সেই আদেশের কপি এখনো হাতে এসে পৌঁছায়নি। আদালতের কপি পাওয়ার পরেই তা বাস্তবায়ন করা হবে।

 

সাংবাদিকদের প্রশ্নে কারা প্রধান বলেন, রোববার দুপুর পর্যন্ত তারা হাতে খালেদা জিয়ার জন্য কোনো ডিভিশনের কপি পাননি। ডিভিশনের আদেশ পেলে সেক্ষেত্রে অবশ্যই সে ব্যবস্থা করা হবে। একই সঙ্গে তার সামাজিক মর্যাদার বিষয়টিও কারা কর্তৃপক্ষ গুরুত্ব দিয়ে দেখছে। 

 

জানা গেছে, শনিবার দিবাগত রাতেই কারাগারের তিনতলা নারী ওয়ার্ডের দ্বিতীয় তলার ডে-কেয়ার সেন্টারে রাখা হয় খালেদা জিয়াকে। এ সময় তাকে নারী কারারক্ষীরা সহায়তা করেন। খালেদা জিয়ার জন্য ব্যক্তিগত কোনো সেবিকা রাখা না হলেও চিকিৎসার জন্য একজন নার্স রাখা আছে।

 

প্রসঙ্গত, জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় গত ৮ ফেব্রুয়ারি বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেন ঢাকার বিশেষ জজ আদালত। এই মামলায় খালেদা জিয়ার জ্যেষ্ঠ ছেলে ও বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে ১০ বছরের সাজা দেওয়া হয়। মামলার অপর চার আসামিকেও ১০ বছরের কারাদণ্ড ও দুই কোটি ১০ লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।