ঢাকা, সোমবার ১৫, জুন ২০২৬ ৫:০৯:০৫ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
আজ রাতে জার্মানির মুখোমুখি হচ্ছে ক্ষুদ্র দ্বীপরাষ্ট্র কুরাসাও নারীদের জন্য ১৫০০ বেডের দুটি হাসপাতাল হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী হামের উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু কনোলির বিধ্বংসী ইনিংসে অস্ট্রেলিয়ার নাটকীয় জয় এইচএসসি পরীক্ষায়ও থাকছে সিসিটিভির নজরদারি মিরপুর স্টেডিয়ামে খেলা উপভোগ করছেন জাইমা রহমান বাজেটে সরকার সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়েছে শিক্ষাকে: শিক্ষামন্ত্রী

গাইবান্ধায় শীতজনিত রোগে এক মাসে শিশুসহ ৫ জনের মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ১২:২৪ পিএম, ৭ ডিসেম্বর ২০২২ বুধবার

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

গাইবান্ধায় শীতজনিত রোগের প্রকোপ বৃদ্ধি পেয়েছে। গত এক সপ্তাহে শুধু জেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছে শিশুসহ তিন শতাধিক মানুষ। আর এক মাসে নিউমোনিয়া, ডায়রিয়া ও শ্বাসকষ্টে চার শিশুসহ ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

 দেখা যায়, হাসপাতালের দ্বিতল ভবনের মহিলা ও পুরুষ ওয়ার্ড রোগী দিয়ে কানায় কানায় পূর্ণ। জায়গা না পেয়ে বারান্দায় চলছে চিকিৎসা। এদের মধ্যে বেশির ভাগই নিউমোনিয়া, শ্বাসকষ্ট ও ডায়রিয়া রোগে আক্রান্ত। এছাড়া প্রতিদিনই জেলার সাত উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে চিকিৎসা নিতে হাসপাতাল, ক্লিনিক ও স্থানীয় চিকিৎসাকেন্দ্রে আসছেন নানা বয়সের মানুষ।

হাসপাতালে ডায়রিরা ওয়ার্ডে কথা হয় বেবী বেগম নামে এক নারীর সঙ্গে। তিনি বলেন, গতকাল রাত থেকে আমার বাচ্চার পাতলা পায়খানা শুরু হয়। বাচ্চা রাতে ঠিকমতো ঘুমাতে পারেনি। পরে উপায় না দেখে সকালে হাসপাতালে এসে ভর্তি করিয়েছি।

সদর উপজেলার কুপতলা ইউনিয়নের দুর্গাপূর গ্রামের ফাতেমা বেগম বলেন, তিন দিন ধরে আমার বাচ্চার অনবরত পায়খানা। কিছুতেই ঠিক হচ্ছিল না। স্থানীয় চিকিৎসকের পরামর্শেও কোনো কাজ হয়নি। তাই গতকাল রাতে হাসপাতালে এনে ভর্তি করিয়েছি। খাবার স্যালাইন ও ওষুধ খাওয়ার পর কিছুটা সুস্থ হয়েছে।

ফুলছড়ি উপজেলার কঞ্চিপাড়া থেকে আসা মুসলিমা বেগম বলেন, আমার বাচ্চার বয়স এক বছর। হঠাৎ করে দুদিন আগে অনরবত পায়খানা করার কারণে বাচ্চার শরীর একেবারে ঝিমিয়ে গেছে। বাধ্য হয়ে গতকাল সকালে  হাসপাতালে ভর্তি করেছি।


গাইবান্ধা সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের দায়িত্বরত মেডিকেল অফিসার ডা. রফিউল আলম বলেন, গত এক সপ্তাহে শিশু ও বৃদ্ধসহ প্রায় ৫ শতাধিক রোগীকে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। আরও অন্তত ৬০ জন শিশু ও বৃদ্ধ নিউমোনিয়া এবং ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আছেন। গত এক মাসে ঠান্ডাজনিত অসুখে চার শিশু ও এক বৃদ্ধসহ পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, শীতের এই সময়ে প্রত্যেককেই গরম কাপড় পরিধান করতে হবে। পাশাপাশি ধুলা পরিহারসহ পরিচ্ছন্ন থাকতে হবে। এছাড়া শিশু ও বয়স্কদের বাড়তি যত্ন নিতে হবে।