ঢাকা, বৃহস্পতিবার ২২, অক্টোবর ২০২৬ ২৩:৫৮:৪২ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
সুন্দরবন পরিদর্শন শেষে মোংলায় পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী সাজেকে সড়ক অবরোধ, আটকা ৩ হাজার পর্যটক সাতক্ষীরায় প্রতিমায় সিঁদুর দিতে গিয়ে গৃহবধূর মৃত্যু দেশের বাজারে ফের সোনার দামে পতন আজ খুলনা ও বাগেরহাট সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নভেম্বরের শুরুতেই স্কুল-কলেজে টানা ৩ দিনের ছুটি! বিকেলের মধ্যে পর্যটকদের সাজেক ছাড়ার নির্দেশ আবারও চালু হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের ডিভি লটারি

চুল বেণি করায় ছাত্রীদের মারধর, প্রতিবাদে শিক্ষিকার মাথা ন্যাড়া

নিজস্ব প্রতিবেদক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০৮:৫৯ পিএম, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২২ শুক্রবার

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

বেণি করে চুল বাঁধায় চট্টগ্রামের একটি বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের নিয়ে গঠিত কাবাডি দলের খেলোয়াড়দের মারধর করার অভিযোগ উঠেছে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে। এর প্রতিবাদে বিদ্যালয়ের শারীরিক শিক্ষা বিভাগের সহকারী শিক্ষক ও কাবাডি দলের কোচ জাহিদা পারভীন নিজের মাথা ন্যাড়া করে প্রতিবাদ জানিয়েছেন।

অভিযোগ উঠেছে, বেণি করে চুল বাঁধায় গত ৭ সেপ্টেম্বর কোতোয়ালি এলাকার ইয়াকুব আলী দোভাষ বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের কয়েকজন ছাত্রীকে মারধর করা হয়। এ ছাড়া তাদেরকে মাঠে খেলতে নামার অনুমতিও দেওয়া হয়নি। এই ঘটনার প্রতিবাদে নিজের মাথা ন্যাড়া করে ছবি তুলে বৃহস্পতিবার রাতে ফেসবুকে পোস্ট করেছেন বিদ্যালয়ের শারীরিক শিক্ষা বিভাগের শিক্ষিকা।

তিনি ছবির ক্যাপশনে লেখেন, স্কুলের মেয়েদের মাসখানেক কষ্ট করে খেলা শিখিয়ে মাঠে নিতে যাওয়ার আগের দিন তাদের ফ্রেঞ্চ বেণি করে ছবি তোলা ও খেলতে যাওয়ার অপরাধে আমার স্কুলের হেড মাস্টার মেয়েদের চুল ধরে মারা ও বকার প্রতিবাদে নিজের মাথার চুল ফেলে দিয়েছি। খুব কি খারাপ দেখা যাচ্ছে?

জানা গেছে, ৪৯তম জাতীয় গ্রীষ্মকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতা চলছে। এ জন্য ১২ জন ছাত্রী নিয়ে গঠিত কাবাডি দলকে মাসখানেকেরও বেশি সময় ধরে প্রশিক্ষণ দিয়ে আসছিলেন জাহিদা পারভীন।

এ বিষয়ে তিনি বলেন, দীর্ঘদিন পরিশ্রম করে ছাত্রীদের খেলার জন্য উপযোগী করে তুলেছি। কিন্ত খেলার আগের দিন তাদের ফ্রেঞ্চ বেণি করে ছবি তোলা ও খেলতে যাওয়ায় তাদের চুল ধরে মারধর করেন প্রধান শিক্ষিকা। তাদের বকাঝকাও করেছেন। এমনকি বেণি করায় মেয়েদের খেলায় অংশ নিতেও দেয়নি। এতে আমি কষ্ট পেয়েছি।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা নিপা চৌধুরী অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, চুল বেণি করায় কোনো ছাত্রীকে মারধর করা হয়নি। বরং বেণি করে আসা ছাত্রীদের সঙ্গে আমি ছবি তুলেছি।

এ বিষয়ে জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ফরিদুল আলম গণমাধ্যমকে বলেন, বিদ্যালয় পরিদর্শককে বিষয়টি খতিয়ে দেখতে বলেছি। কেউ নিয়ম ভঙ্গ করলে সেটি তদন্ত করা হবে।