ঢাকা, বৃহস্পতিবার ০৪, জুন ২০২৬ ৫:২৭:৫৮ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
সেই বৃদ্ধার ছেলে যুগ্মসচিব আনিসুরকে প্রত্যাহার মিরপুরের বৃদ্ধার মৃত্যু: তদন্ত কমিটি চেয়ে রিট তৃণমূলের সব সাংগঠনিক কমিটি ভেঙে দিলেন মমতা হামে প্রাণ গেল আরো ৭ শিশুর, মোট মৃত্যু ৬০০ ছাড়ালো সাগরিকার শেষ সময়ের গোলে সাফের ফাইনালে বাংলাদেশ এক মামলায় জামিন পেলেন দীপু মনি, ছয়টিতে রুল

জামিন পেলেন নাবালক তিন সন্তানের সেই মা

নিজস্ব প্রতিবেদক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০৮:৪৩ পিএম, ১৩ মে ২০২৬ বুধবার

প্রতীকী ছবি।

প্রতীকী ছবি।

অবশেষে জামিন পেলেন নওগার কারাগারে বন্দি নাবালক তিন সন্তানের মা আঁখি খাতুন। আজ বুধবার বিকেল চারটার দিকে তিনি জামিন পান। মাদক মামলায় ভ্রাম্যমান আলাদাতের আদেশে গেল ১৫ দিন ধরে নওগার জেলা কারাগার বন্দি ছিলেন তিনি। গত মার্চ মাসে মারা যান বাবা। একমাত্র আশ্র‍য় মাও জেলে। আর জেল গেটে এসে দিনের পর দিন দাঁড়িয়ে থাকে অসহায় শিশু সন্তানরা। সামান্য আইনী সহায়তা দেওয়ার কেউ ছিলনা অসহায় তিন প্রতিবন্ধী সন্তানের মায়ের।

এমন সংবাদ প্রচারিত হয় একটি বেসরকারি টেলিভিশিনে। যা নজর এড়ায়নি প্রধানমন্ত্রীর। এরপর সাথে সাথেই বিষয়টি খতিয়ে দেখতে ও অসহায় সেই নারীকে আইনী সহায়তা সহায়তা দেয়ার জন্য নির্দেশ দেন। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে স্থানীয় বিএনপি নেতৃবৃন্দ নামেন আইনি লড়াইয়ে। অবশেষে যথাযথ আইনী প্রক্রিয়ায় শেষে জামিন পান আঁখি খাতুন।

জানা গেছে, গতকাল রাতে মহাদেবপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি রবিউল আলম বুলেটকে নির্দেশ দেন আইনী সহায়তা দিয়ে পরিবারটির পাশে দাড়ানোর জন্য। পরে যথাযথ আইনী প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই নাবালক তিন সন্তানের জননী অসহায় সেই আঁখি খাতুনে জামিনের ব্যবস্থা হয় । জামিনের পর আজই কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন তিনি।

মুক্তির পর তিনি তিন সন্তানকে বুকে জড়িয়ে নেন তিনি। অনেকটা আবেগ আপ্লুত হয়ে পড়েন । দীর্ঘদিন পর সন্তানদের এভাবে বুকে জড়িয়ে নিয়ে তিনি যেন অন্যরকম এক শক্তির নিঃশ্বাস ফেললেন। একইসঙ্গে তার সন্তানরাও প্রধানমন্ত্রীর এমন মানবিক উদ্যোগে যেন অন্ধকারে দিশা খুঁজে পেলেন।

এ বিষয়ে নওগাঁ জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বর্তমান সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) মো. শাহরিয়ার বলেন, আমাকে জানানো হয় প্রধানমন্ত্রী বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখার নির্দেশ দিয়েছেন। ওই নারী যেন আইন অনুযায়ী ন্যায়বিচার ও প্রতিকার পান, সে বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে এবং অগ্রগতি জানানোসহ বিষয়টি খতিয়ে দেখার নির্দেশ দেন।এর পরপরই তাৎক্ষণিকভাবে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয়। পরে বিষয়টি বিজ্ঞ সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ রকনুজ্জামান–এর নজরে আনা হলে আদালত আসামিপক্ষকে আবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন। আসামিপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট আবু জায়েদ মোহাম্মদ রফিকুল আলম রফিক আবেদন উপস্থাপন করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত সন্তুষ্ট হয়ে ওই নারীকে জামিন মঞ্জুর করেন।

তিনি বলেন, “ভদ্র মহিলা ইতোমধ্যে কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন। তিনি এখন আমাদের এখানেও উপস্থিত আছেন। আইন অনুযায়ী তিনি যে প্রতিকার পাওয়ার অধিকারী ছিলেন, সেটিই তিনি পেয়েছেন।”