ঢাকা, মঙ্গলবার ০৩, নভেম্বর ২০২৬ ১০:৪৭:১৯ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
স্কুল খোলার পর ফ্রান্সে আবারও শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ মারুফাকে ছাড়া নারী টি-টোয়েন্টি দল জেল হত্যা দিবস: শোক ও বেদনায় জাতীয় চার নেতাকে স্মরণ সেই বীথি এখন হেড কোচ, স্বপ্নের পরিসর আরও বড় ১২০ কিমি গতিতে অন্ধ্র উপকূলে ‘মুরাসু’র আঘাত বুলগেরিয়ার প্রথম নির্বাচিত নারী প্রেসিডেন্ট হচ্ছেন ইলিয়ানা মিষ্টির আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত এলিজা জামান গাজীপুরে আজও শ্রমিকদের বিক্ষোভ-অবরোধ, যানবাহন ভাঙচুর

জিয়া ছিলেন সবচেয়ে বড় মানবাধিকার লঙ্ঘনকারী: প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০২:১২ পিএম, ১০ ডিসেম্বর ২০১৯ মঙ্গলবার

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান সবচেয়ে বড় মানবাধিকার লঙ্ঘনকারী ছিলেন বলে মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ জারি করার পর এদেশে অনেক মানুষ তার স্বজন হত্যার বিচার পায়নি। যারা মুক্তিযুদ্ধ করে এদেশ স্বাধীন করেছে, তাদের হত্যা করে রাজাকার, আলবদর, আলশামসদের রক্ষা করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১০ ডিসেম্বর) সকালে ঢাকার প্যান প্যাসেফিক হোটেল সোনারগাঁওয়ে ‘বিশ্ব মানবাধিকার দিবস’ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের মানুষের মানবাধিকার রক্ষার জন্য সরকার বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। অনেক হত্যাকাণ্ডের দ্রুত বিচার হচ্ছে। এখন মানুষ বিচার পাচ্ছে। কিন্তু ৭৫-এর পর আমার বিচার চাওয়ার অধিকার ছিল না। তিনি বলেন, যুদ্ধ করে যারা দেশ স্বাধীন করেছে, খুনিরা তাদেরকেই হত্যা করেছে। তাদের মধ্যে কোনো মানবাধিকার ছিল না।

শেখ হাসিনা বলেন, ৭৫-এর ১৫ আগস্ট একটি পরিবারের এতগুলো মানুষকে হত্যা করা হলো অথচ তার বিচার হলো না! ইনডেমনিটি (দায়মুক্তি) অধ্যাদেশ জারি করে বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার বন্ধ করা হয়েছিল। বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে একসময় যারা দম্ভ করে বলেছিল, এই হত্যার বিচার কেউ করতে পারবে না, তাদের রক্ষা করেছিল জিয়াউর রহমান। জিয়া শুধু খুনিদের রক্ষাই করেনি, তাদের বিভিন্ন দূতাবাসে চাকরি দিয়ে পুরস্কৃত করেছে। জিয়া ও তার স্ত্রী খুনিদের রাষ্ট্রপতির পদে নির্বাচন করিয়েছে।

মানবাধিকার লঙ্ঘনকারীদের উদ্দেশে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে তিনি বলেন, মানবাধিকার লঙ্ঘনকারী কেউ রক্ষা পাবে না। যেকোনো হত্যা ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিচার করে দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা হবে। এছাড়া জঙ্গি, সন্ত্রাসী, মাদক ব্যবসায়ী, হত্যাকারী, দুর্নীতিবাজ যতবড় শক্তিশালীই হোক না কেনো কেউ ছাড় পাবে না।

প্রধানমন্ত্রী আশাবাদ ব্যক্ত করেন, দেশের তরুণরা মানুষের মানবাধিকার রক্ষা করবে। যারা মানবাধিকার লঙ্ঘন করবে তরুণরা তাদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াবে।

জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান নাসিমা বেগমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক। স্বাগত বক্তব্য রাখেন জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের সার্বক্ষণিক সদস্য ড. কামাল উদ্দিন আহমেদ। অনুষ্ঠানের শুরুতে মানবাধিকারের ওপর থিম সং পরিবেশন ও মানবাধিকারের ওপর নির্মিত একটি প্রামাণ্য চিত্র প্রদর্শন করা হয়।

-জেডসি