ঢাকা, বৃহস্পতিবার ১৯, মার্চ ২০২৬ ৫:৪৬:৩১ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
‘যমুনা’য় ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন প্রধানমন্ত্রী দেশে খাদ্য সংকটের কোনো আশঙ্কা নেই: খাদ্যমন্ত্রী বগুড়ায় ট্রেনের বগি লাইনচ্যুত: আহত ২ শতাধিক হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ পাঠাতে মিত্রদের ‘না’, হতাশ ট্রাম্প মহাসড়কে বাড়ছে যানবাহনের চাপ, ধীরগতিতে চলছে গাড়ি চিকিৎসার অভাবে ৪৯ লাখ শিশুর মৃত্যু, জাতিসংঘের উদ্বেগ ধর্ষণ রোধে সমন্বিত সরকারি অ্যাকশন

জয়পুরহাটে মিষ্টি কুমড়ার বাম্পার ফলন

নিজস্ব প্রতিবেদক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০১:৪৮ পিএম, ১৮ এপ্রিল ২০২২ সোমবার

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

ধান, আলুর জন্য বিখ্যাত জেলা জয়পুরহাটে এবার মিষ্টি কুমড়ার বাম্পার ফলন হয়েছে। মূল্য পাওয়ায় কৃষকের মুখে ফুটেছে হাসি।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, জেলার বিঘাপ্রতি জমিতে মাত্র ৩ হাজার টাকা খরচ করে মিষ্টি কুমড়ার চাষ করে সেই কুমড়া বিক্রি হচ্ছে ৬০ হাজার টাকা পর্যন্ত। এতে লাভ থাকছে প্রায় ২০ গুন। বাজারে এমন দাম পাওয়ায় জেলার অনেক চাষী মিষ্টি কুমড়া চাষে আগ্রহী হয়ে উঠেছেন। 

জয়পুরহাটে এবার ১৫৫ হেক্টর জমিতে মিষ্টি কুমড়ার চাষ হয়েছে। সারা বছর কম-বেশি কুমড়ার চাষ হলেও আলুর মৌসুমে এর চাষ বেশি হয় বলে জানা গেছে। কৃষক আলু রোপণের পর সেই জমিতেই মিষ্টি কুমড়ার বীজ রোপণ করেন। যে কারণে জমিতে নতুন করে চাষ করতে হয় না। জেলার আক্কেলপুর উপজেলা এবার কুমড়া চাষে এগিয়ে।  

 দেখা যায়, ব্যবসায়ীরা সরাসরি কৃষকদের জমি থেকেই পাইকারী দরে কুমড়া কিনে নিয়ে যাচ্ছেন। খুচরা বাজারে ২৫-৪০ টাকা কেজি দরে কুমড়া বিক্রি হলেও কৃষক ব্যবসায়ীদের কাছে বিক্রি করছেন মাত্র ১৩ থেকে ১৫ টাকা দরে। পূর্ব মাতাপুর গ্রামের কৃষক আবুল ফজল বলেন, এক বিঘা জমিতে প্রথমে আলুর আবাদ করেছিলাম। আলুর সঙ্গে মিষ্টি কুমড়ার বীজও রোপণ করেছিলাম। আলু তোলার পর এখন ফলন আসতে শুরু করেছে। এক বিঘায় ৬০ হাজার টাকার মিষ্টি কুমড়া বিক্রি হবে বলে আশা করছি। 

কৃষক মিলন হোসেন বলেন, মিষ্টি কুমড়ায় একবার সেচ ও হালকা কিছু সার দিতে হয়। এতে শ্রমিকের খরচসহ বিঘাপ্রতি সর্বোচ্চ ৩ হাজার টাকা খরচ হয়। আর কুমড়া বিক্রি হবে ৬০ থেকে ৭০ হাজার টাকা। আমার জমিতে থাইল্যান্ড ও ব্যাংককের মিষ্টি কুমড়া রয়েছে। 


জামালগঞ্জের কৃষক আশরাফুল ইসলাম বলেন, থাইল্যান্ড, ব্যাংকক, সুইটি ও ওয়ার্ডারবলসহ বিভিন্ন জাতের কুমড়া আমার জমিতে রয়েছে। ৮ শতক জমিতে খরচ পড়েছে ৮০০ টাকা। ১৮ হাজার টাকার কুমড়া বিক্রি করেছি। 

এ বিষয়ে জয়পুরহাট কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক শফিকুল ইসলাম জানান, জয়পুরহাট জেলায় এবার ১৫৫ হেক্টর জমিতে কুমড়া চাষ হয়েছে। এবার বাজারমূল্যও ভালো। প্রতি হেক্টরে প্রায় ২০ মেট্রিক টন ফলন পাওয়া যায়। এ ব্যাপারে কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে কৃষকদের সব ধরনের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি।