ঢাকা, শুক্রবার ১০, জুলাই ২০২৬ ১৩:১৮:২৮ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
প্রাথমিক বৃত্তির ফল ফাঁস, তদন্তে তিন সদস্যের কমিটি কঙ্গোয় ইবোলার ভয়াবহ বিস্তার, প্রাণহানী ৬০০ ঢাকায় অবিরাম বৃষ্টি, ১৪ অঞ্চলে ভারি বর্ষণ অব্যাহত টানা তৃতীয়বার বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ফ্রান্স টানা বৃষ্টিতে বাজারে অস্থিরতা, সবজির দাম আরও চড়া

টানা তৃতীয়বার বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ফ্রান্স

খেলাধুলা ডেস্ক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ১১:২৪ এএম, ১০ জুলাই ২০২৬ শুক্রবার

ছবি: সংগ্রহিত।

ছবি: সংগ্রহিত।

একের পর এক আক্রমণ করেও গোলের দেখা পাচ্ছিল না ফ্রান্স। তার ওপর পেনাল্টি পেয়েও গোলরক্ষক ইয়াসিন বুনোকে পরাস্ত করতে পারেননি কিলিয়ান এমবাপ্পে। প্রথমার্ধের সেই হতাশা দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই দূর করল ফ্রান্স। মরক্কোর জালে দু’বার বল জড়াল তারা। ২০২২ সালের স্মৃতি ফিরিয়ে এনে মরক্কোকে হারিয়ে সেমিফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করল ফ্রান্স।

আজ শুক্রবার (১০ জুলাই) বাংলাদেশ সময় রাত ২টায় বোস্টন স্টেডিয়ামে কোয়ার্টার ফাইনালে মুখোমুখি হয়েছিল ফ্রান্স আর মরক্কো। দারুণ লড়াই শেষে মরক্কোকে ২-০ গোলে হারিয়েছে ফ্রান্স।

এর আগে ২০২২ সালেও সেমিফাইনালে মুখোমুখি হয়েছিল ফ্রান্স আর মরক্কো। সেই ম্যাচেও ২-০ গোলের জয় পেয়েছিল ফ্রান্স। জায়গা করে নিয়েছিল ফাইনালে।

ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ছিল ফ্রান্স। চতুর্থ মিনিটেই কিলিয়ান এমবাপ্পের শট দিয়ে প্রথম হুমকি। একই মিনিটে কর্নার থেকে দায়ো উপামেকানোর হেড ঠেকিয়ে দেন গোলরক্ষক ইয়াসিন বুনু।

দশম মিনিটে এমবাপ্পের পাস থেকে দেজিরে দুয়ের শট ব্লক হয়। ১৮তম মিনিটে ওসমান দেম্বেলের হেড বাইরে যায়, আরেকটি শটও ঠেকান বুনু। প্রথম ২০ মিনিটেই একাধিক আক্রমণে মরক্কোর রক্ষণ কাঁপিয়ে দেয় ফ্রান্স।

ম্যাচের ২৫তম মিনিটে ধারাবাহিক আক্রমণের সুফল পেয়েছিল ফ্রান্স। ডিফেন্সে গড়বড় করে বসে মরক্কো। বক্সের মধ্যে এমবাপ্পেকে ফাউল করায় পেনাল্টির বাঁশি বাজান রেফারি। অবশ্য ২৭তম মিনিটে পেনাল্টি মিস করেন এমবাপ্পে।

ম্যাচের মাঝামাঝি সময়েও একই চিত্র। ৩৫ ও ৩৬তম মিনিটে কর্নার থেকে জুল কুন্দের হেড ব্লক হয়। শেষ দিকে যোগ করা সময়ের প্রথম মিনিটে মানু কোনো দূরপাল্লার শট নিলেও সেটিও রক্ষণে আটকে যায়। বাকি সময়েও গোল পায়নি কোনো দল। ফলে গোলশূন্য সমতায় থেকেই বিরতিতে যায় দুই দল।

দ্বিতীয়ার্ধে মাঠে নেমেই আক্রমণের গতি বাড়ায় ফ্রান্স। টানা কয়েকটি আক্রমণ করে তারা, যার বেশিরভাগই আসে বাম দিক দিয়ে এমবাপ্পেকে ঘিরে। অবশেষে ম্যাচের ৬০তম মিনিটে ডেডলক ভাঙেন এমবাপ্পে। বক্সের বাইরে থেকে নেওয়া দারুণ বাঁকানো শটে বল জালে জড়ান তিনি।

গোলের পর আরও আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে ফ্রান্স। মাত্র ছয় মিনিট পরই আসে দ্বিতীয় গোল। ৬৬তম মিনিটে দ্রুত আক্রমণ থেকে বল পেয়ে নিচু কোনোকুনি শটে গোল করেন ওসমান দেম্বেলে। গোলরক্ষক বুনো ঝাপিয়ে পড়েও বলের নাগাল পাননি।

দুই গোল পিছিয়ে পড়ে মরক্কো কিছুটা আক্রমণে ওঠার চেষ্টা করে। ব্রাহিম দিয়াজ, উনাহি এবং হাকিমি মাঝমাঠ থেকে বল এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করলেও ফাইনাল থার্ডে কার্যকর হতে পারেনি তারা।

পুরো ম্যাচে মরক্কোর অন টার্গেট শট ছিল মাত্র একটি, যা ফ্রান্সের রক্ষণ সহজেই সামলে নেয়। অন্যদিকে, পুরো ম্যাচজুড়ে আক্রমণে দাপট দেখায় ফ্রান্স। মোট ২২টি শটের মধ্যে ৯টি ছিল লক্ষ্যে।