ঢাকা, শনিবার ২৪, অক্টোবর ২০২৬ ১৪:২২:১৭ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
রাজধানীতে প্রতিদিন গড়ে ভাঙছে প্রায় ৪৪টি সংসার সৌদিতে বাংলাদেশি নারী কর্মীদের সুরক্ষার ব্যবস্থা কতটা আছে মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে বাস খাদে,৩জনের প্রাণহানী কমছে না পোলাওর চাল ও আটা-ময়দার দাম ঢাকা-কক্সবাজার রুটে ২৬ অক্টোবর থেকে চলবে মহানগর এক্সপ্রেস তিব্বতে ৭ মাত্রার ভূমিকম্প: নিহত ১৬, আহত অর্ধশতাধিক অপ্রতীম হত্যা মামলার চার্জশিট দাখিল

ডেঙ্গুতে অন্তঃসত্ত্বা সিনিয়র সহকারী সচিবের মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০৭:২৪ পিএম, ২৫ জুলাই ২০২৩ মঙ্গলবার

সংগৃহীত ছবি

সংগৃহীত ছবি

ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব এস এম নাজিয়া সুলতানা মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন)। মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর বারডেম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। তিনি আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন ।

মঙ্গলবার (২৫ জুলাই) মন্ত্রণালয়ের তথ্য ও জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. হায়দার আলী এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি জানান, ৩০তম বিসিএসের মেধাবী এই কর্মকর্তা আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন এবং ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে গত দুইদিন ধরে বারডেম হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। আজ সকালে তিনি ইন্তেকাল করেন। 


এদিকে এস এম নাজিয়া সুলতানার মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি ও সিনিয়র সচিব তপন কান্তি ঘোষ।

আজ এক শোকবার্তায় বাণিজ্যমন্ত্রী ও সিনিয়র সচিব মরহুমার বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।

বাণিজ্যমন্ত্রী শোকবার্তায় বলেন, নাজিয়া সুলতানা অত্যন্ত মেধাবী ও চৌকস কর্মকর্তা ছিলেন। তিনি তার উপজেলার উপজেলা নির্বাহী অফিসার থাকাকালীন অর্পিত দায়িত্ব সততা ও নিষ্ঠার সাথে পালন করেছিলেন। নাজিয়া সুলতানার অকাল মৃত্যুতে আমরা একজন সৎ ও যোগ্য কর্মকর্তাকে হারালাম।

সিনিয়র সচিব তার শোকবার্তায় বলেন, নাজিয়া সুলতানা ছিলেন একজন দক্ষ ও কর্তব্যপরায়ণ কর্মকর্তা। বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসে তার অবদান স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

গতকাল সোমবার ডেঙ্গুতে ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। মারা যাওয়া সবাই ঢাকার বাসিন্দা। এ সময় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে সারা দেশে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ২ হাজার ২৯৩ জন। এর মধ্যে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১ হাজার ২৩৮ জন, আর ঢাকার বাইরের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১ হাজার ৫৫ জন।