ঢাকা, শুক্রবার ২৪, জুলাই ২০২৬ ২১:০৪:২৭ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
কে হতে পারেন নতুন রাষ্ট্রপতি? রাজনৈতিক অঙ্গনে ঘুরছে যেসব নাম প্রেসিডেন্টের পদত্যাগ ইস্যুতে বিকাল ৫টায় ব্রিফিং করবেন স্পিকার পদত্যাগ করলেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন কারাগারের নিরাপত্তায় যুক্ত হচ্ছে এআই প্রযুক্তি দেশের বাজারে কমল সোনার দাম, ভরিতে কত কমলো ভারতে শিশুদের চেয়ে গরু বেশি নিরাপদ: মেহবুবা মুফতি সরকার আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের শত্রু মনে করছে: সোনিয়া গান্ধী উজানের ঢল ও ভারী বৃষ্টিতে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি বৃষ্টিতে সরবরাহে ধাক্কা, সবজি-ডিম-মাছের বাজারে অস্বস্তি

তিন হাজার হাজতিকে মুক্তি দিতে পারে সরকার

নিজস্ব প্রতিবেদক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০৯:০২ পিএম, ১ এপ্রিল ২০২০ বুধবার

তিন হাজার হাজতিকে মুক্তি দিতে পারে সরকার

তিন হাজার হাজতিকে মুক্তি দিতে পারে সরকার

তিন হাজার হাজতিকে মুক্তি দিতে পারে সরকার। দেশের কারাগারগুলোতে করোনাভাইরাসের ঝুঁকি এড়াতে তিন হাজারেরও বেশি হাজতিকে সাময়িক মুক্তি দেওয়ার কথা ভাবছে সরকার। এ জন্য হাজতিদের একটি তালিকা তৈরি করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে প্রস্তাবও পাঠিয়েছে কারা কর্তৃপক্ষ।

আজ বুধবার কারা অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক আবরার হোসেন বলেন, ‘করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে এ প্রস্তাব দিয়েছি, এটা মন্ত্রণালয়েরই আদেশে।’

তিনি বলেন, ‘যাদের মামলা এখনও বিচারাধীন, জামিনযোগ্য অপরাধ হলে এদের জামিন দেওয়া যায় কি না, জামিনযোগ্য ছোট-খাটো অপরাধে যারা কারাগারে রয়েছেন, এরকম তিন হাজারের সামান্য বেশি হাজতির নাম প্রস্তাব আকারে মন্ত্রণালয়ে দিয়েছি।’

অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক আরও বলেন, ‘স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন পেলে ওই প্রস্তাব যাবে আইন মন্ত্রণালয়ে। সেখানে আপত্তি না থাকলে পাঠানো হবে আদালতে। শেষ পর্যন্ত বিচারকই সিদ্ধান্ত নেবেন জামিন দেওয়া যায় কি না। মুক্তির বিষয়টা বিচারকদের হাতে, আমাদের হাতে নয়।’

আবরার হোসেন জানান, প্রক্রিয়া হিসেবে বছরের বিভিন্ন সময়ে তারা কিছু বন্দীর মুক্তির সুপারিশ করতেন। যাদের অল্প সাজা বাকি আছে, যারা অচল, অক্ষম বা বৃদ্ধ- এরকম বন্দীদের তালিকা করে নিয়মিতভাবে মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়।

তিনি জানান, মন্ত্রণালয় মিটিং করে, বোর্ড করে তাদের মধ্যে থেকে মুক্তির ব্যবস্থা করে। এরকম বন্দীদের সাধারণত ঈদ, নববর্ষ, বা জাতীয় দিবস সামনে রেখে মুক্তি দেওয়া হয়। সেরকম বন্দীদের একটি প্রস্তাবও আলাদাভাবে মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে।