ঢাকা, বুধবার ২২, জুলাই ২০২৬ ১৫:২৯:৪৭ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
জামায়াত এমপির ভিডিওকাণ্ড: তদন্ত দাবি তাসনিম জারার সবজির দামে সেঞ্চুরি, কাঁচা মরিচের কেজি ২৪০ টাকা ছাড়াল তিস্তার পানি বেড়ে বিপৎসীমার ছুঁই ছুঁই তনু হত্যা মামলায় আরও দুই সন্দেহভাজনের ডিএনএ সংগ্রহের নির্দেশ রাহুল-প্রিয়াঙ্কা আটকের ২ ঘণ্টা পর মুক্ত গৌরনদীতে আবাসিক মাদ্রাসা ভবনে ঝুলছিল ছাত্রীর লাশ

দেশে প্রতি বছর প্রায় পৌনে দুই লাখ কিশোরী মা হচ্ছে

আপডেট: ০৭:৪৭ পিএম, ১১ নভেম্বর ২০১৪ মঙ্গলবার

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, উইমেননিউজ২৪.কম, ঢাকা : কিশোরী বয়সে মা হওয়ার প্রবণতা বাংলাদেশসহ পুরো দক্ষিণ এশিয়াজুড়ে চরম সংকট তৈরি করছে। এ অঞ্চলে ২৫ শতাংশ মেয়ে কিশোরী বয়সে মা হয়। বাংলাদেশে প্রতিবছর প্রায় এক লাখ ৭০ হাজার মেয়ের কিশোরী বয়সে বিয়ে হচ্ছে। প্রতি ১০ জনে একজন ১৫ বছরে পৌছানোর আগেই গর্ভধারণ করে। এতে কিশোরীদের স্বাস্থ্য সংকটে পড়ছে। গত imagesবছর অক্টোবরে ইউএনএফপিএ'র ‘বিশ্ব জনসংখ্যা প্রতিবেদন রিপোর্ট’এ এমন তথ্য প্রকাশ করা হয়। ইউএনএফপিএ বাংলাদেশ অফিসের ইনচার্জ পর্নচাই সুচিতা বলেন, উন্নয়নশীল দেশে এটা বিরাট সমস্যা। বাংলাদেশেও এ সমস্যা প্রকট। তাই কিশোরীদের স্বাস্থ্যের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হলে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ করতে হবে। তিনি বলেন, সামাজিক নিরাপত্তাহীনতা কৈশোরে মাতৃত্ব প্রতিরোধ না হওয়ার সবচেয়ে বড় কারণ। অনেকক্ষেত্রে অভিভাবকরা দারিদ্র্য, কুসংস্কার ও ইভটিজিংসহ অন্যান্য কারণে কন্যা সন্তানের দ্রুত বিয়ে দিতে চায়। তথ্য বলছে, বাংলাদেশে বাল্যবিবাহের শিকার মেয়েদের ৫১ শতাংশ কৈশোরেই গর্ভধারণ করে। ৮ শতাংশ কিশোরী এমনকি দুটি সন্তান জন্ম দেয়। এর ফলে ফিস্টুলা, মৃত্যুবরণ করাসহ বহুমুখী স্বাস্থ্য জটিলতায় পড়ে তারা। জানা গেছে, প্রতিবছর এদেশে আনুমানিক ১০ লাখ মেয়েদের এমআর করানো হয়। অর্থ্যাৎ এরা অনাকাঙ্খিতভাবে গর্ভধারণ করে তা নষ্ট করতে আসছে। এমআর করাতে গিয়ে মেয়েরা দীর্ঘমেয়াদী স্বাস্থ্য জটিলতায় পরছে। প্রতিবেদনে দেখা গেছে, ১৯৯৭ সালে এ দেশে মেয়েদের গড় বিয়ের বয়স ছিল ১৪ দশমিক ২। ২০১১ সালে এসেও সেটা মাত্র ১৫ দশমিক ৮ হয়েছে। অর্থ্যাৎ, শিক্ষাসহ অন্যান্য ক্ষেত্রে উন্নতি হলেও এক্ষেত্রে বাংলাদেশ পিছিয়ে আছে। সিলেট ও চট্টগ্রামে গড় বিয়ের বয়স বেশি হলেও সেখানে পরিবারপ্রতি সন্তান জন্মের হার (টিএফআর) নিয়ন্ত্রণে নেই। এদিকে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব এম এম নিয়াজ উদ্দিন দেশে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচী সফল উল্লেখ করে সাংবাদিকদের বলেন, সরকারের সাফল্যে জন্ম নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি ব্যবহার বেড়েছে। কয়েকটি বিভাগে প্রতিস্থাপনযোগ্য জন্মহার চলে এসেছে। ১২.১১.২০১৪