ঢাকা, বৃহস্পতিবার ০৪, জুন ২০২৬ ৫:৩১:৩২ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
সেই বৃদ্ধার ছেলে যুগ্মসচিব আনিসুরকে প্রত্যাহার মিরপুরের বৃদ্ধার মৃত্যু: তদন্ত কমিটি চেয়ে রিট তৃণমূলের সব সাংগঠনিক কমিটি ভেঙে দিলেন মমতা হামে প্রাণ গেল আরো ৭ শিশুর, মোট মৃত্যু ৬০০ ছাড়ালো সাগরিকার শেষ সময়ের গোলে সাফের ফাইনালে বাংলাদেশ এক মামলায় জামিন পেলেন দীপু মনি, ছয়টিতে রুল

নবম পে স্কেলে প্রথম ধাপেই শতভাগ বেসিকের দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০৯:০৮ পিএম, ৩১ মে ২০২৬ রবিবার

প্রতীকী ছবি।

প্রতীকী ছবি।

নবম পে স্কেল বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে প্রথম ধাপেই শতভাগ মূল বেতন (বেসিক) কার্যকরের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ সমিতি। একই সঙ্গে দীর্ঘ ১১ বছর পর নতুন পে স্কেল চালুর উদ্যোগ নেওয়ায় সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে সংগঠনটি।

রোববার সংগঠনের আহ্বায়ক আবদুল মালেক ও সদস্যসচিব আশিকুল ইসলামের স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ দাবি জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত এক দশকের বেশি সময় ধরে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতনের কাঠামোয় মৌলিক কোনো পরিবর্তন আসেনি। অথচ এ সময়ে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম কয়েকগুণ বেড়েছে। ফলে বর্তমান বেতনে জীবনযাত্রার ব্যয় সামাল দেওয়া অনেক কর্মচারীর জন্য কঠিন হয়ে পড়েছে।

সংগঠনটির নেতারা বলেন, বিভিন্ন গণমাধ্যমে নবম পে স্কেল তিন ধাপে বাস্তবায়নের সম্ভাবনার কথা প্রচারিত হচ্ছে। যদিও এ বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা আসেনি। তবে প্রথম ধাপে যদি মাত্র ৫০ শতাংশ বেসিক বৃদ্ধি করা হয় এবং একই সঙ্গে বিদ্যমান ১৫ শতাংশ বিশেষ ভাতা সমন্বয় বা প্রত্যাহার করা হয়, তাহলে নিম্ন আয়ের কর্মচারীরা কাঙ্ক্ষিত সুবিধা পাবেন না।

তাদের মতে, অতীতের পে স্কেল বাস্তবায়নের অভিজ্ঞতায় প্রথম ধাপেই শতভাগ বেসিক কার্যকর করা হতো এবং পরবর্তী ধাপে বিভিন্ন ভাতা সমন্বয় করা হতো। সেই ধারাবাহিকতায় এবারও প্রথম ধাপে পূর্ণ বেসিক বাস্তবায়ন করা হলে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জীবনযাত্রার মান কিছুটা হলেও উন্নত হবে।

নেতারা আরও বলেন, সরকারের আর্থিক সক্ষমতা বিবেচনায় ভাতাগুলো পরবর্তী দুই ধাপে বাস্তবায়ন করা যেতে পারে। এতে একদিকে কর্মচারীদের অসন্তোষ কমবে, অন্যদিকে সরকারের ওপরও অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হবে না।

সংগঠনটির দাবি, শতভাগ বেসিক কার্যকর না করে বিশেষ ভাতা সমন্বয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া হলে তা কর্মচারীদের মধ্যে হতাশা ও ক্ষোভ সৃষ্টি করতে পারে। তারা আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, যদি তিন বছর ধরে ধাপে ধাপে পে স্কেল বাস্তবায়ন করা হয়, তাহলে বাজারে দ্রব্যমূল্যও পর্যায়ক্রমে বাড়তে পারে, যা বেতন বৃদ্ধির সুফলকে অনেকটাই ম্লান করে দেবে।

সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে কল্যাণ সমিতির নেতারা বলেন, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জীবনযাত্রার বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে এমন একটি পে স্কেল বাস্তবায়ন করা উচিত, যা দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণ করবে এবং সরকারি কর্মচারীদের আর্থিক স্বস্তি এনে দেবে।