ঢাকা, বৃহস্পতিবার ১৯, মার্চ ২০২৬ ১৯:৩৬:২৬ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
তিন সপ্তাহে ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধে মৃত্যু ২৫ হাজারের বেশি ঈদযাত্রায় বাস-ট্রেন-লঞ্চে ঘরেফেরা মানুষের ঢল ঈদের আগে স্বস্তি: পাঁচ দিনের যুদ্ধবিরতিতে পাকিস্তান–আফগানিস্তান আজও মধ্যপ্রাচ্যের ৭ দেশে ২৬ ফ্লাইট বাতিল খুলনায় ঘুমন্ত অবস্থায় একই পরিবারের ৪ জনকে গুলি বগুড়ায় ট্রেন লাইনচ্যুত: ২১ ঘণ্টা পর রেল চলাচল স্বাভাবিক কোন দেশে কবে ঈদ

পরীমনির জামিনের জন্য আবেদন করা হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০৩:২১ পিএম, ১৩ আগস্ট ২০২১ শুক্রবার

সংগৃহীত ছবি

সংগৃহীত ছবি

মাদক মামলায় চিত্রনায়িকা পরীমনির জামিনের আবেদন করেছেন তার আইনজীবী মজিবুর রহমান। আজ শুক্রবার জামিনের আবেদন শুনানি ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ধীমান চন্দ্র মণ্ডলের আদালতে অনুষ্ঠিত হবে।

আইনজীবী মজিবুর রহমান জামিনের আবেদনে বলেছেন, আসামি পরীমনি একজন প্রথম সারির চিত্রনায়িকা। ‘ফোর্বস ম্যাগাজিন’ এর ডিজিটাল তারকা হিসেবে বিশ্বের ১০০ জনের মধ্যে আসামির নাম রয়েছে। যা বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের জন্য গৌরবজনক। পরীমনি জেলহাজতে আটক থাকলে চলচ্চিত্রের অঙ্গনের অপূরণীয় ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলেও উল্লেখ করেছেন আইনজীবী মজিবুর রহমান। তাছাড়া বিভিন্ন কোম্পানি ও চলচ্চিত্র নির্মাতাদের সাথে যে চুক্তি হয়েছে তা ভঙ্গেরও সম্ভাবনা রয়েছে। সম্প্রতি ‘প্রীতিলতা’ নামক সরকারি সিনেমার জন্য ফটোশুট হয়েছে। এছাড়াও কয়েকটি চলচ্চিত্রের শুটিংয়ের শিডিউল ভেঙে পড়েছে। 

আবেদনে আরও বলা হয়, পরীমণির বিরুদ্ধে ১৮.৫ লিটার মদ ও অন্যান্য মাদক রাখার অভিযোগ করা হয়েছে, যা আসামির বাসা থেকে উদ্ধার করা হয় নাই।

জামিন আবেদনে আরও বলা হয়, পরীমনি একজন ‘প্যানিক অ্যাটাক’র রোগী। দীর্ঘ সময় পুলিশ কাস্টডিতে থেকে অমানবিক নির্যাতনের শিকার হয়ে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছেন তিনি। চিকিৎসার স্বার্থে আসামিকে জামিন দেওয়া দেওয়ার আর্জি জানান তার আইনজীবী। 

পরীমনিকে ৬ দিন রিমান্ডে রাখার পর তার কাছ থেকে কোনো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উদঘাটন করতে পারেনি উল্লেখ করে মজিবুর রহমান বলেন, পরীমনি একজন স্বনামধন্য ব্যক্তি। ফলে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে আসামি জামিন পেতে পারেন।

আইনজীবী মজিবুর রহমান জামিনের আবেদনে আরও বলেন, পরীমনি অভিযান পরিচালনার সময় দ্য আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন অর্ডিন্যান্স ১৯৭৯ এর ৬ এবং ৬এ ধারায় লঙ্ঘন করে অভিযান পরিচালনা করা হয়। যার ফলে একটি ভিত্তিহীন মামলা দায়ের করা হয় তার বিরুদ্ধে। তাই তিনি জামিন পেতে পারেন।