ঢাকা, রবিবার ১৮, অক্টোবর ২০২৬ ২১:৩৫:২৮ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
ডেঙ্গুতে আরও ৬ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ২ হাজার ৮৮ মূল্যস্ফীতির চাপে ঋণের ফাঁদে দেশের ৪৭ শতাংশ পরিবার বাংলাদেশের নারী টি-টোয়েন্টি দলের নতুন অধিনায়ক নাহিদা ভারতে মন্দিরের কাছে ট্রাকচাপায় ১২ ভক্ত নিহত তৃণমূলে স্তন ক্যানসার স্ক্রিনিংয়ের উদ্যোগ ছদ্মনামে লিখে সাহিত্য পুরস্কার জিতলেন ইসাবেল আলেন্দে কলকাতায় পূজামণ্ডপ ভেঙে ১৩ নারীসহ ১৯ জনের প্রাণহানী ঢাকায় বৃষ্টি ঝরবে কিনা, জানাল আবহাওয়া অধিদফতর

পর্যটন শিল্পের উন্নয়নে দুই বছরের রূপরেখা রয়েছে: প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ১২:২১ পিএম, ৮ এপ্রিল ২০২৬ বুধবার

প্রতীকী ছবি।

প্রতীকী ছবি।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতীয় সংসদে বলেন, দেশের পর্যটন শিল্পের উন্নয়নে আগামী দুই দশকের একটি সমন্বিত উদ্যোগ ও কৌশলগত রূপরেখা প্রস্তুত করা হয়েছে।

ঢাকা-১৯ আসনের সংসদ সদস্য দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিনের প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, পর্যটন একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক খাত। বর্তমান সরকার এ খাতের অগ্রগতিতে নানা কর্মপরিকল্পনা নিয়েছে।

নির্বাচনী ইশতেহারে পর্যটন সংশ্লিষ্ট পাঁচটি প্রতিশ্রুতি রয়েছে—পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, ট্যুর গাইড প্রশিক্ষণ, রন্ধনশৈলী পর্যটন প্রসার, কমিউনিটি ও এথনিক ট্যুরিজম, ওয়াটার ও ইকো ট্যুরিজম এবং গ্রাম পর্যটন উন্নয়ন।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘জাতীয় পর্যটন মহাপরিকল্পনা’র খসড়া ইতোমধ্যে প্রস্তুত হয়েছে। এতে আইন ও নীতিমালা প্রণয়ন, পর্যটন ক্লাস্টার গঠন, স্থানীয় ঐতিহ্য সংরক্ষণ, অবকাঠামোগত উন্নয়ন, উপকূলীয় পর্যটন ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ, কার্বন নিঃসরণ হ্রাস এবং জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলার বিস্তারিত রূপরেখা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

তিনি জানান, বর্তমানে দেশের ৩০টির বেশি জেলায় স্বীকৃত ও আকর্ষণীয় পর্যটন গন্তব্য রয়েছে। প্রত্যেক জেলার সম্ভাবনা বিবেচনা করে স্থানীয় ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিভিত্তিক পর্যটন সুবিধা সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এই মহাপরিকল্পনা সার্বিকভাবে পর্যটন শিল্পকে সামঞ্জস্যপূর্ণ ও টেকসই উন্নয়নের পথে নিয়ে যাবে।

এছাড়া সংসদে ফ্যামিলি কার্ড ও নারী শিক্ষা নিয়েও প্রধানমন্ত্রী বিস্তারিত মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, প্রাথমিক পর্যায়ে ৩৭,৮১৪টি পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে প্রায় ৪ কোটি প্রান্তিক পরিবারকে এ কর্মসূচির আওতায় আনা হবে। পাশাপাশি দেশের প্রত্যেক উপজেলা সদরে একটি করে মহিলা কলেজ সরকারিকরণের পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে।