ঢাকা, বুধবার ২২, জুলাই ২০২৬ ১২:৪১:০৬ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
জামায়াত এমপির ভিডিওকাণ্ড: তদন্ত দাবি তাসনিম জারার সবজির দামে সেঞ্চুরি, কাঁচা মরিচের কেজি ২৪০ টাকা ছাড়াল তিস্তার পানি বেড়ে বিপৎসীমার ছুঁই ছুঁই তনু হত্যা মামলায় আরও দুই সন্দেহভাজনের ডিএনএ সংগ্রহের নির্দেশ রাহুল-প্রিয়াঙ্কা আটকের ২ ঘণ্টা পর মুক্ত গৌরনদীতে আবাসিক মাদ্রাসা ভবনে ঝুলছিল ছাত্রীর লাশ

‘প্রতিটি শিশুর স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে আমি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ’

অনলাইন ডেস্ক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ১১:৪২ এএম, ২৫ মার্চ ২০২৬ বুধবার

ছবি: সংগ্রহিত।

ছবি: সংগ্রহিত।

যুক্তরাষ্ট্রের ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্পের আমন্ত্রণে ওয়াশিংটন ডিসিতে অনুষ্ঠিত ‘ফস্টারিং দ্য ফিউচার টুগেদার গ্লোবাল কোয়ালিশন সামিট’-এ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভাষণ দিয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান।

ভাষণে ডা. জুবাইদা রহমান বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও উদ্ভাবনী প্রযুক্তি শিশুদের শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবায় আমূল পরিবর্তন আনতে পারে। তিনি উন্নত দেশগুলোর প্রতি বাংলাদেশকে এ ক্ষেত্রে সহায়তা প্রদানের আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, “প্রতিটি দেশের ভবিষ্যৎ লেখা হয় সেই দেশের শিশুদের জীবনেই। আজ আমরা যে শিক্ষা দিচ্ছি এবং যে মূল্যবোধে তাদের বড় করছি, তার মাধ্যমেই আগামীদিনের জাতি গঠিত হয়।”

ডা. জুবাইদা রহমান আরও বলেন, শিশুদের স্বাস্থ্যসেবায় শুধু চিকিত্সা নয়, রোগ প্রতিরোধ ও প্রাথমিক জীবনের যত্নের ওপরও বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার। শহর-গ্রামের বৈষম্য কমাতে প্রযুক্তি, বিশেষ করে শিক্ষা-প্রযুক্তি (এড-টেক)-এর কেন্দ্রীয় ভূমিকা রয়েছে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, প্রযুক্তির নিরাপদ ও নৈতিক ব্যবহার নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি, যাতে শিশুরা নিরাপদ ও সহায়ক পরিবেশে বেড়ে উঠতে পারে।

নারীর ক্ষমতায়নের বিষয়েও তিনি বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেন। ডা. জুবাইদা উল্লেখ করেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া মেয়েদের দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত বিনামূল্যে শিক্ষা চালু করেছিলেন। বর্তমান সরকার নারীদের জন্য স্নাতকোত্তর পর্যায় পর্যন্ত বিনামূল্যে শিক্ষা নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

সম্মেলনের উদ্বোধন করেন যুক্তরাষ্ট্রের ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্প। দুই দিনব্যাপী এই আন্তর্জাতিক সম্মেলনে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে অংশগ্রহণকারীরা শিশুদের সম্ভাবনা বিকাশ এবং জাতির ভবিষ্যৎ নির্মাণে একত্রিত হয়েছেন।

ডা. জুবাইদা রহমানের এই ভাষণ বাংলাদেশের শিশু উন্নয়ন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে প্রযুক্তির ব্যবহার নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ইতিবাচক আলোচনার সূচনা করেছে বলে মনে করা হচ্ছে।