ঢাকা, রবিবার ২৮, জুন ২০২৬ ১৫:৩৩:৪৩ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
দেশের ১২ অঞ্চলে বজ্রসহ ঝড়-বৃষ্টির আভাস, সতর্কবার্তা জারি তীব্র তাপপ্রবাহে কাঁপছে ইউরোপ, ঝুঁকিতে ১৫ কোটি মানুষ বিঘ্ন ঘটার ১০ মিনিট পর স্বাভাবিক হলো মেট্রোরেল চলাচল দেশব্যাপী ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন শুরু ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পে মৃত্যু বেড়ে ১৪৩০ নতুন যে বিশ্ব রেকর্ড গড়লেন মেসি

বইমেলার উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

বাসস | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০৬:৫৫ পিএম, ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২২ মঙ্গলবার

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

বাংলা একাডেমি আয়োজিত ‘অমর একুশে বইমেলা ২০২২’ উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মঙ্গলবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৪টায় গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে বইমেলার উদ্বোধন ঘোষণা করেন তিনি।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ডিজিটাল ডিভাইসে বই পড়ার চেয়ে একটা বই হাতে নিয়ে পাতা উল্টে-পাল্টে পড়া অনেক আনন্দের। বই না পড়লে মনে হয় কী যেন হলো না, কি যেন জানলাম না। এই মেলা হচ্ছে আমাদের প্রাণের মেলা, কোনো কারণে এই মেলা হতে না পারলে আমাদের সকলেরই খারাপ লাগে।

তিনি বলেন, একটি জাতি সব সময় উন্নতি করতে পারে যদি তার ভাষা-সংস্কৃতিক উন্নতি হয়। আমাদের প্রতিটি আন্দোলনে আমাদের সংস্কৃতি সেবীদের অবদান রয়েছে। কবি, সাহিত্যিক, লেখক, সংস্কৃতিসেবী প্রত্যেকেই কিন্তু আমাদের আন্দোলন-সংগ্রাম এবং আমাদের অর্জনের পেছনে অবদান রেখে গেছেন।

উল্লেখ্য,  ৩৮তম এ বইমেলা চলবে আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। এবারের বইমেলার মূল প্রতিপাদ্য- ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবর্ষ এবং স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী’।

ফেব্রুয়ারি মাসের ১ তারিখ থেকে বইমেলা শুরু হওয়ার রীতি থাকলেও করোনাভাইরাস পরিস্থিতির কারণে এবার বইমেলা শুরু হচ্ছে মাসের মাঝামাঝিতে। এই বইমেলা ছুটির দিন ছাড়া প্রতিদিন দুপুর ২টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত খোলা থাকবে। রাত ৮টার পর নতুন করে কেউ মেলায় প্রবেশ করতে পারবেন না। ছুটির দিন বইমেলা বেলা ১১টা থেকে রাত ৯ টা পর্যন্ত চলবে। এছাড়া মহান একুশে ফেব্রুয়ারি মেলা শুরু হবে সকাল ৮টা থেকে চলবে রাত ৯টা পর্যন্ত।

বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণ এবং ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের প্রায় সাড়ে ৭ লাখ বর্গফুট জায়গায় বইমেলা অনুষ্ঠিত হবে। মেলায় মোট ৩৫টি প্যাভিলিয়নসহ একাডেমি প্রাঙ্গণে ১০২টি প্রতিষ্ঠানকে ১৪২টি এবং সোহরাওয়ার্দী উদ্যান অংশে ৪৩২টি প্রতিষ্ঠানকে ৬৩৪টি ইউনিট; মোট ৫৩৪ টি প্রতিষ্ঠানকে ৭৭৬ টি ইউনিট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।