বাদ পড়া ৭২৩ প্রার্থীর অর্ধেকের বেশি স্বতন্ত্র
নিজস্ব প্রতিবেদক | উইমেননিউজ২৪প্রকাশিত : ০৯:৩১ এএম, ৭ জানুয়ারি ২০২৬ বুধবার
ছবি: সংগৃহীত
আসছে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যে ৭২৩ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে, এর মধ্যে ৩৬৬ প্রার্থীই স্বতন্ত্র, যা বাতিল হওয়া প্রার্থীর অর্ধেকেরও বেশি, ৫০ দশমিক ৬২ শতাংশ। বাকি ৩৫৭ প্রার্থী বিভিন্ন নিবন্ধিত দলের হয়ে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন।
এবারের নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হতে ৪৭৮ জন মনোনয়নপত্র দাখিল করেছিলেন। ৩৬৬ জন বাদ পড়ায় মোট স্বতন্ত্র প্রার্থীর তিন-চতুর্থাংশের বেশি, অর্থাৎ ৭৬ দশমিক ৫৭ শতাংশের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। যদিও গত সোমবার থেকে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ে বাদ পড়া সব প্রার্থীর আপিল আবেদন নিতে শুরু করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি), যা চলবে আগামী শুক্রবার পর্যন্ত। এরপর ১০ থেকে ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত চলবে আপিল নিষ্পত্তির শুনানি। সেখানে টিকে গেলে বাদ পড়া প্রার্থীরা তাদের প্রার্থিতা ফিরে পাবেন।
এত স্বতন্ত্র প্রার্থীর বাদ পড়ার কারণ খুঁজতে গিয়ে জানতে পেরেছে, অধিকাংশ মনোনয়নপত্রের সঙ্গে জমা দেওয়া নির্বাচনী এলাকার ১ শতাংশ ভোটারের সমর্থনের তথ্যে গরমিল ছিল। এ ছাড়া ঋণ ও বিলখেলাপি, হলফনামায় ভুল তথ্য দেওয়া এবং মনোনয়নপত্রের সঙ্গে জমা দেওয়া প্রয়োজনীয় কাগজপত্রে নানা ত্রুটিও অনেকের মনোনয়ন বাতিলের কারণ। মৃত ভোটারের সই, মামলার তথ্য গোপন ও দ্বৈত নাগরিকত্বের জটিলতার মতো কারণেও কয়েকজনের মনোনয়ন বাতিল হয়েছে।
তবে বিএনপিসহ প্রভাবশালী প্রার্থীর হস্তক্ষেপে তাদের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন কোনো কোনো স্বতন্ত্র প্রার্থী। মানিকগঞ্জের রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে যাচাই-বাছাইয়ের সময় এক স্বতন্ত্র প্রার্থীকে হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে বিএনপি প্রার্থীর সমর্থকদের বিরুদ্ধে।
৩০ ডিসেম্বর থেকে গত রোববার পর্যন্ত ৩০০ আসনে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া দুই হাজার ৫৬৮ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই চলে। এ সময় এক হাজার ৮৪২ প্রার্থী বৈধ বিবেচিত হলেও ৭২৩ জনের প্রার্থিতা বাতিল হয়। এ ছাড়া বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মৃত্যুজনিত কারণে তিন আসনের তিনটি মনোনয়নপত্রের যাচাই-বাছাই ছাড়াই কার্যক্রম শেষ হয়। সারাদেশের ৬৯ রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে প্রার্থী অথবা তাদের প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে এই বাছাই চলে।
এর আগে ১১ ডিসেম্বর নির্বাচনের তপশিল ঘোষণার পর থেকে ২৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত মনোনয়নপত্র সংগ্রহ ও জমা দেওয়ার শেষ দিন পর্যন্ত মোট তিন হাজার ৪০৬টি মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করা হয়। তবে জমা দেন দুই হাজার ৫৬৮ জন।
কোথায় কতজন স্বতন্ত্র প্রার্থী বাদ
ইসি প্রকাশিত তালিকা অনুযায়ী, ১০টি অঞ্চলের মধ্যে সবচেয়ে বেশি স্বতন্ত্র প্রার্থী বাদ পড়েছেন ঢাকার আট জেলায়, ৮৩ জন। এ ছাড়া রংপুর অঞ্চলের আট জেলায় ৩২; রাজশাহী অঞ্চলের আট জেলায় ৩৩; খুলনা অঞ্চলের ১০ জেলায় ৪১; বরিশাল অঞ্চলের ছয় জেলায় ২১; ময়মনসিংহ অঞ্চলের চার জেলায় ২৮; সিলেট অঞ্চলের চার জেলায় ১৬; কুমিল্লা অঞ্চলের ছয় জেলায় ৫৩ এবং চট্টগ্রাম অঞ্চলের পাঁচ জেলায় ২৬ স্বতন্ত্র প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল হয়।
আলোচিত স্বতন্ত্র প্রার্থী
বাতিল হওয়া স্বতন্ত্র প্রার্থীর মধ্যে আলোচনার শীর্ষে আছেন জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) থেকে পদত্যাগ করা ঢাকা-৯ আসনের ডা. তাসনিম জারা। গত ২৭ ডিসেম্বর দল থেকে পদত্যাগ করে এক দিনের মধ্যে নির্বাচনী এলাকার পাঁচ হাজারের বেশি ভোটারের সমর্থনসূচক সই জোগাড় করে আলোচনায় আসেন তরুণ এই চিকিৎসক।
গত শনিবার মনোনয়ন যাচাই-বাছাইকালে ১ শতাংশ ভোটারের সমর্থনসূচক সইয়ের তথ্যে গরমিল থাকায় তাঁর মনোনয়নপত্র বাতিল করেন ঢাকার রিটার্নিং কর্মকর্তা। মনোনয়ন বাতিলের কারণ হিসেবে তাসনিম জারা নিজেই সাংবাদিকদের বলেন, স্বতন্ত্র প্রার্থীর সংশ্লিষ্ট আসনের মোট ভোটারের ১ শতাংশের সই নিতে হয়। আমি প্রয়োজনীয় সইয়ের চেয়ে প্রায় ২০০ জনের সই বেশি জমা দিয়েছি। সেখান থেকে নির্বাচন কমিশন ১০ জনের তথ্য যাচাই করেছিল, এর মধ্যে আটজনের তথ্য সঠিক পেয়েছে। বাকি দুজন ঢাকা-৯ আসনের ভোটার নন। যদিও সই দেওয়া ব্যক্তিরা জানতেন তারা ঢাকা-৯ আসনের ভোটার। তাদের ঠিকানা খিলগাঁও হলেও এলাকার কিছু অংশ ঢাকার আরেকটি আসনের সঙ্গে যুক্ত।
গত সোমবার মনোনয়নপত্রের বৈধতা পেতে ইসিতে আপিল করে তাসনিম জারা বলেন, মাত্র দেড় দিনের মাথায় প্রায় পাঁচ হাজার মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে সই দিয়েছেন। নিজেরাই স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে বুথ করেছেন। যারা সই করেছেন তারা চান, আমি যেন নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারি। সে জন্যই আপিল করেছি। ভোটারদের প্রতি সম্মান জানিয়ে আইনি প্রক্রিয়ার লড়াইটাও চালিয়ে যাব। তাসনিম জারার আইনজীবী আরমান হোসেন বলেন, আশা করি আমরা আপিলে জয় পাব।
ঝরে পড়া আরও প্রার্থী
বাদ পড়া স্বতন্ত্র প্রার্থীর বেশির ভাগই বলছেন, আইন অনুযায়ী মনোনয়নপত্রের সঙ্গে ১ শতাংশ ভোটারের সমর্থনসূচক সই যুক্ত করেই তারা মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। তবে সেখান থেকে দ্বৈবচয়নের ভিত্তিতে মাত্র ১০ জন ভোটার বাছাই করে নির্বাচন কমিশন কর্মকর্তারা তথ্য যাচাই-বাছাই করেছেন। কোনো অসংগতি পাওয়া মাত্র প্রার্থিতা বাতিল যুক্তিসংগত নয়।
চট্টগ্রাম-৫ আসনে তিন স্বতন্ত্র প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল হয়েছে। তারা হলেন– বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক উপকোষাধ্যক্ষ এস এম ফজলুল হক, সাবেক হুইপ ওয়াহিদুল আলমের মেয়ে ব্যারিস্টার সাকিলা ফারজানা ও মোহাম্মদ ইমাম উদ্দিন রিয়াদ। একই কারণে স্বতন্ত্র প্রার্থী চট্টগ্রাম-৮ আসনের আজাদ চৌধুরী, চট্টগ্রাম-৯ আসনের মিলন কান্তি শর্মা, চট্টগ্রাম-১০ আসনের মোহাম্মদ আরমান আলী এবং ওমর ইউসুফ খানের মনোনয়নপত্র অবৈধ ঘোষণা করা হয়। এ ছাড়া ১ শতাংশ ভোটারের সইযুক্ত নথিতে গরমিলের কারণে চট্টগ্রাম-১৪ আসনে মিজানুল হক চৌধুরী ও নুরুল আনোয়ার; চট্টগ্রাম-২ আসনে জিন্নাত আক্তার ও আহমদ কবির এবং চট্টগ্রাম-১১ আসনে মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর ভূঁইয়া ও এ কে এম আবু তাহেরের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়।
মনোনয়নপত্র বাছাই প্রক্রিয়ায় আরও দেখা গেছে, নির্বাচনী এলাকার ১ শতাংশের এক-দুটি বা সামান্য কম ভোটারের সই থাকলেও মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে। এ কারণে ফেনী-১ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী নিজাম উদ্দিন ভূঁইয়া, ফেনী-২ আসনে মোহাম্মদ ইয়াকুব নবী ভূঁইয়া, মো. ইসমাইল ও এসএম হুমায়ুন কবির পাটোয়ারীর মনোনয়ন বাতিল হয়। অথচ এর আগে ২০১৮ ও ২০২৪ সালের নির্বাচনে ১ শতাংশ থেকে চার থেকে ছয়জন কম ভোটারের সই থাকলেও ছাড় দিয়ে মনোনয়নপত্র গ্রহণ করেছিলেন রিটার্নিং কর্মকর্তারা। এবার কোনো রকম ছাড় পাননি বলে অনেক স্বতন্ত্র প্রার্থী অভিযোগ করেছেন।
আবার সমর্থনযুক্ত ভোটার তালিকার গরমিলের পাশাপাশি ঋণখেলাপি হওয়ায় চট্টগ্রাম-৩ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মোয়াহেদুল মাওলার মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। একই কারণ ছাড়াও চলমান সরকারি কাজের কার্যাদেশ থাকায় ফেনী-৩ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী মাহবুবুল হক রিপনের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়। এ ছাড়া ফেনী-৩ আসনে ১ শতাংশ ভোটারের সইয়ে মৃত ভোটার ও ভোটারের তথ্য না পাওয়ায় খালেদ মাহমুদের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়।
বাতিল হওয়া লালমনিরহাট-১ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী শাহাবুদ্দিন গত সোমবার ইসিতে আপিল আবেদন জমা দিয়েছেন। তিনি বলেন, বাছাইয়ে দু-তিনজন ভোটারের সই অস্বীকারের কারণে আমার মনোনয়নপত্র বাদ পড়েছে। আপিলে প্রার্থিতা ফিরে পাব আশা করি। প্রয়োজনে ওই ভোটারদের শুনানির সময় উপস্থিত করব।
এদিকে, দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে মানিকগঞ্জ-৩ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছিলেন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য আতাউর রহমান আতা। গত রোববার জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে বাছাইকালে তাঁর মনোনয়নপত্র বাতিল হয়। পরে বিএনপির প্রার্থী আফরোজা খানমের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হলে তিনি ওই প্রার্থীর বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা ও অনিয়ম-সংক্রান্ত প্রমাণপত্র উপস্থাপনের চেষ্টা করেন। এ সময় জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা তাঁকে কথা বলতে না দিয়ে থামিয়ে দেন। পরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষ থেকে বের হওয়ার সময় বিএনপি প্রার্থীর সমর্থক নেতারা তাঁকে ধাক্কা এবং অকথ্য ভাষায় গালাগাল ও হেনস্তা করেন। পরে বিএনপির এই নেতাকে ধাক্কা দেওয়ার ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে সমালোচনার সৃষ্টি হয়।
আতাউর রহমান আতা নিজের প্রার্থিতা ফিরে পেতে আপিলের পাশাপাশি জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। লিখিত অভিযোগ পাওয়ার তথ্য স্বীকার করে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক নাজমুন আরা সুলতানা বলেন, অভিযোগটি ইলেকটোরিয়াল মনিটরিং কমিটির কাছে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে কমিটি পদক্ষেপ নেবে।
জানতে চাইলে ইসির জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমেদ বলেন, মনোনয়নপত্র ও এর সঙ্গে জমা দেওয়া কাগজপত্রে ত্রুটির কারণে স্বতন্ত্র ও দলীয় প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল হয়। তবে তাদের রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিলের সুযোগও দেওয়া হয়েছে। আপিলের শুনানিতে যৌক্তিক কারণ উপস্থাপন করতে পারলে তাদের প্রার্থিতা পুনর্বহাল করা হবে।
- সারা দেশে অবাধে শিকার ও বিক্রি হচ্ছে শীতের পাখি
- পরোয়ানার ২ ঘণ্টার মধ্যে জামিন সিমিন রহমানের
- ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ অ্যাপে এখন পর্যন্ত ১৩ লাখ নিবন্ধন
- দুবাইয়ে তৈরি হচ্ছে বিশ্বের প্রথম ‘স্বর্ণের রাস্তা’
- ‘কিছুই পাল্টায়নি, এখনও মেয়েদের হেনস্তা করা হচ্ছে’
- মেয়েদের টানা জয়ের প্রভাব পড়েছে আইসিসি র্যাঙ্কিংয়ে
- স্কুল জীবনের বন্ধুত্ব ভাঙলেন সাইফ কন্যা
- ঋতুপর্ণার হ্যাটট্রিকে ১৩-০ গোলের জয়
- নিরপেক্ষ নির্বাচন চাই: পাপিয়া
- ৪০ হাজার কোটির রাজস্ব হলেও ক্ষতি ৮৭ হাজার কোটি
- গণভোট নিয়ে কারিগরি-মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের ৮ উদ্যোগ
- সাবস্ক্রিপশন পরীক্ষা করবে মেটা
- আয়রনের ঘাটতি, যে কারণে শুধু সাপ্লিমেন্ট যথেষ্ট নয়
- নারী, সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তা বিষয়ে ১০ দফা সুপারিশ
- প্রধান উপদেষ্টার কাছে কর কাঠামো পুনর্বিন্যাসের সুপারিশ
- নতুন বছরে বাজারে এলো ৪ ডিভাইস
- আজ মেঘলা থাকবে রাজধানী ঢাকার আকাশ
- দেশের নারী ভোটার: ৬.২৮ কোটি, মোট ভোটারের অর্ধেক
- নির্বাচনকালীন ৬ দিন স্বাস্থ্য খাতে সর্বোচ্চ সতর্কতা
- আয়ারল্যান্ডকে হারিয়ে ইতিহাস গড়ল ইতালি
- ‘বাড়ি এসে তো দেখবে ছেলে-বউয়ের কবর’
- মাস্টার্স শেষ পর্ব পরীক্ষার ফরম জমার সময় বাড়ল
- ভোটের মাঠে তাসনিম জারার নতুন প্রচার কৌশল
- গণভোটে ‘হ্যা’র পক্ষে প্রচারণার নির্দেশ কেন্দ্রীয় ব্যাংকের
- সারাদেশে প্রচারণার উৎসব
- ভূমধ্যসাগরে নৌকাডুবি, নিহত অন্তত ৫০
- একটি পক্ষ নির্বাচন বানচালের চেষ্টা করছে: তারেক রহমান
- শাকিবের বাবা হওয়ার গুঞ্জনে যা বললেন অপু বিশ্বাস
- পোস্টাল ভোট কী, কারা দিতে পারবেন এবং যেভাবে আবেদন করবেন
- খৈ খৈ মারমাকে বাড়ি দিচ্ছে জেলা প্রশাসন











