বিধি-নিষেধে বিপাকে পশ্চিমবঙ্গের পশু খামারিরা
আন্তর্জাতিক ডেস্ক | উইমেননিউজ২৪প্রকাশিত : ০১:৩৮ পিএম, ১৮ মে ২০২৬ সোমবার
ছবি: সংগ্রহিত।
কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে ভারতের পশ্চিমবঙ্গে গবাদি পশু জবাই ও পশুর হাট পরিচালনায় নতুন প্রশাসনিক বিধিনিষেধ জারির পর বড় অনিশ্চয়তায় পড়েছেন রাজ্যের পশু খামারিরা। বিশেষ করে ক্ষুদ্র খামারিদের অভিযোগ, কঠোর শর্ত আর আইনি জটিলতার আশঙ্কায় ক্রেতারা হাটমুখী না হওয়ায় বাজার প্রায় ফাঁকা পড়ে আছে। এতে বছরের সবচেয়ে বড় বিক্রির মৌসুমেও লোকসানের মুখে পড়ছেন তারা।
স্থানীয় সূত্রগুলো জানিয়েছে, রাজ্য সরকারের নতুন নির্দেশনায় নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ ছাড়া গরু, বলদ বা মহিষ জবাই করা যাবে না। প্রতিটি পশু জবাইয়ের আগে স্থানীয় প্রশাসনের প্রতিনিধি ও সরকারি পশু চিকিৎসকের যৌথ অনুমোদন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। পশুর বয়স, স্বাস্থ্যগত অবস্থা ও শারীরিক সক্ষমতা যাচাইয়ের পাশাপাশি গর্ভবতী পশু জবাইয়ের ওপরও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।
এ ছাড়া প্রকাশ্য স্থানে পশু জবাই পুরোপুরি নিষিদ্ধ করে শুধুমাত্র অনুমোদিত কসাইখানায় জবাইয়ের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আইন অমান্য করলে জরিমানা ও কারাদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।
এই সিদ্ধান্তের পর থেকেই রাজ্যের বিভিন্ন পশুর হাটে ক্রেতার উপস্থিতি কমে গেছে বলে অভিযোগ খামারিদের। তাদের ভাষ্য, সারা বছর ঋণ করে পশু পালন করার পর ঈদের মৌসুমে বিক্রির ওপরই তাদের বড় আশা থাকে। কিন্তু এখন ক্রেতারা আইনি জটিলতার ভয়ে হাটে আসতে চাইছেন না।
মুর্শিদাবাদসহ কয়েকটি জেলার হাট ঘুরে স্থানীয় সাংবাদিকরা দেখেছেন, ব্যবসায়ী ও ক্রেতা—দুই পক্ষের মধ্যেই অনিশ্চয়তা কাজ করছে। কয়েকজন খামারি জানিয়েছেন, গরু বিক্রি না হলে সংসার চালানোই কঠিন হয়ে পড়বে।
খামারিদের আরেকটি বড় উদ্বেগ পশুর বয়স নির্ধারণ নিয়ে। তাদের দাবি, অধিকাংশ ক্ষেত্রেই পশুর বয়স প্রমাণের মতো নির্ভরযোগ্য নথি থাকে না। ফলে মাঠপর্যায়ে হয়রানি ও হয়তো অযথা হয়রানির শিকার হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
তারা আরও বলছেন, একটি গরুকে ১৪ বছর বা তার বেশি সময় ধরে লালন-পালন করা সাধারণ কৃষকের পক্ষে প্রায় অসম্ভব। নির্দিষ্ট বয়সের পর পশুর উৎপাদনক্ষমতা কমে গেলে খাদ্য ও পরিচর্যার ব্যয় বহন করা কঠিন হয়ে পড়ে।
এদিকে সমালোচকদের প্রশ্ন, একদিকে স্থানীয় খামারিদের ওপর কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করা হলেও অন্যদিকে ভারত আন্তর্জাতিক বাজারে বিপুল পরিমাণ মাংস রপ্তানি করছে। এতে নীতিগত বৈষম্যের অভিযোগ তুলছেন অনেকেই।
খামারিদের আশঙ্কা, দ্রুত পরিস্থিতির সমাধান না হলে পশ্চিমবঙ্গের প্রান্তিক কৃষক ও পশুপালননির্ভর পরিবারগুলো বড় ধরনের আর্থিক সংকটে পড়তে পারে।
- সেই বৃদ্ধার ছেলে যুগ্মসচিব আনিসুরকে প্রত্যাহার
- ইউএনজিএ নির্বাচনে জয় ১৭ কোটি বাংলাদেশির: শামা
- নিলামে উঠছে পেলের প্রথম বিশ্বকাপ জার্সি
- মিরপুরের বৃদ্ধার মৃত্যু: তদন্ত কমিটি চেয়ে রিট
- সোনা: পৃথিবীর সবচেয়ে কাঙ্ক্ষিত ধাতুর গল্প
- এবার বিশ্ববাজারে কমেছে স্বর্ণের দাম
- তৃণমূলের সব সাংগঠনিক কমিটি ভেঙে দিলেন মমতা
- হামে প্রাণ গেল আরো ৭ শিশুর, মোট মৃত্যু ৬০০ ছাড়ালো
- সাগরিকার শেষ সময়ের গোলে সাফের ফাইনালে বাংলাদেশ
- এক মামলায় জামিন পেলেন দীপু মনি, ছয়টিতে রুল
- নারীদের টি-টোয়েন্টি র্যাঙ্কিংয়ে নিগার-তৃষ্ণার উন্নতি
- হায় জীবন, মায়ের মরদেহের পাশে পচে যায় মানবিকতা!
- ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে মৃদু তাপপ্রবাহ অব্যাহত থাকতে পারে
- নারী-শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে শিগগিরই দেশব্যাপী কর্মসূচি
- খানজাহান আলী (রহ:) মাজারের দিঘির কুমিরটি সরিয়ে নেয়া হবে
- ডরোথি হাইট: নাগরিক অধিকার আন্দোলনের ‘গডমাদার’
- কুমিরে টেনে নেয়া শিশু ফাতেমার লাশ উদ্ধার
- ভাঙ্গায় ট্রাকে গাড়ির ধাক্কা, শিশুসহ নিহত ৫
- রামিসা হত্যা মামলায় আজ থেকে সাক্ষ্যগ্রহণ
- রামিসা হত্যা: দোষির সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি রামিসার বাবার
- টেনিসে ফিরছেন টেনিস কিংবদন্তি সেরেনা
- সাংবাদিকদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে পেন্টাগন
- মধ্যপ্রাচ্য উত্তেজনায় আবারও কমল স্বর্ণের দাম
- বায়ু দূষণে শীর্ষে কিনশাসা, ঢাকার অবস্থান ১২
- দুপুরের মধ্যে যে অঞ্চলে ঝড়ের শঙ্কা
- ৩ পদে নিয়োগ দেবে একুশে টেলিভিশন
- মায়ের মরদেহে পচন, যুগ্ম-সচিব ছেলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে
- ত্রিদেশিয় সিরিজে প্রথম জয় পেল বাংলাদেশের মেয়েরা
- দরোজায় কড়া নাড়ছে ফুটবলের মহা আয়োজন
- ছুটি শেষে সচিবালয়ে ফিরেছে কর্মচাঞ্চল্য





