মিয়ানমারে চলছে সাধারাণ নির্বাচন, বঞ্চিত রোহিঙ্গারা
আন্তর্জাতিক ডেস্ক | উইমেননিউজ২৪প্রকাশিত : ০১:২৫ পিএম, ৮ নভেম্বর ২০২০ রবিবার
ছবি: ইন্টারনেট
দীর্ঘ পাঁচ দশক সামরিক শাসনের পর মিয়ানমারে দ্বিতীয়বারের মতো অনুষ্ঠিত হচ্ছে সাধারণ নির্বাচন। রোববার সকাল থেকেই শুরু হয় ভোট গ্রহণ। ইয়াঙ্গুনের পাশের শহরতলী ওক্কালাপাতে ছিল মাস্ক ও ফেস শিল্ড পরিহিত ভোটারদের দীর্ঘ লাইন। তবে নিপীড়িত রোহিঙ্গাসহ প্রায় ১৩ লাখ সংখ্যালঘুকে ভোটাধিকারবঞ্চিত করে অনুষ্ঠিত হচ্ছে এই নির্বাচন। খবর সিএনএন ও বিবিসি
নির্বাচনে অং সান সুচির ন্যাশনাল লীগ ফর ডেমোক্রেসিসহ জাতীয় পর্যায়ে দুটি দল অংশ নিচ্ছে। তবে আঞ্চলিক পর্যায়ে অংশগ্রহণ করছে ৯২ টি দল। যদিও প্রধান প্রতিপক্ষ দল ইউনিয়ন সলিডারিটি এন্ড ডেভেলপমেন্ট পার্টি করোনার কারণে নির্বাচন পিছিয়ে দেওয়ার দাবি জানিয়েছিল।
এবারের নির্বাচনে ৩ কোটি ৭০ লাখ মানুষ তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবে। তবে রোহিঙ্গাসহ জাতিগত সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ১৩ লাখ মানুষ এবারও ভোটাধিকার বঞ্চিত থাকছে।
ধারণা করা হচ্ছে, অং সান সু চির দল এনএলডি আবারও ক্ষমতায় আসবে। গত বছর হেগের আদালতে ‘রোহিঙ্গা গণহত্যা’র অভিযোগ প্রশ্নে মিয়ানমারের পক্ষে সাফাই গাওয়ার পর দেশের ভেতরে তার জনপ্রিয়তা আরো বেড়েছে। তবে জাতিগত সংখ্যালঘুদের মধ্যে নির্বাচন নিয়ে ক্রমাগত বাড়ছে অনীহা, বাড়ছে ক্ষোভ।
নোবেলজয়ী অং সান সু চি ও তার দল এনএলডি ২০১৫ সালের নির্বাচনে বিপুল ভোটে বিজয় অর্জন করে। ৫০ বছর ধরে সামরিক শাসনে থাকার পর দেশটি পায় প্রথম বেসামরিক সরকার। মিয়ানমারের মানুষ আশা করছিল, দেশের উন্নয়ন ও গণতন্ত্রে রূপান্তরের এ ধারাকে সু চি এগিয়ে নিয়ে যাবেন। পাঁচ বছর পর সেখানে সু চির জনপ্রিয়তা একই রকম থেকে গেছে।
তবে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তিনি এখন আর গণতন্ত্রের আদর্শ বলে বিবেচিত হন না। রোহিঙ্গা মুসলিমদের ওপর সেনাবাহিনীর চালানো নিপীড়নের ব্যাপারে তার ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ।
দেশটির গণতান্ত্রিক আন্দোলনের নেত্রী ও রাষ্ট্রীয় উপদেষ্টা সুচিও রোহিঙ্গাদের পক্ষে কোনো ইতিবাচক ভূমিকা পালন করেননি। বরং গণহত্যাকে আড়াল করার চেষ্টা করেছেন তিনি। রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশ থেকে ফিরিয়ে নিতেও কোনো উদ্যোগ নেননি। উল্টো প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়ায় কোনো অগ্রগতি না হওয়ার দায় বাংলাদেশের ওপর চাপিয়েছেন। রোহিঙ্গাদের জাতিগত পরিচয়ও অস্বীকার করে আসছেন সুচি।
-জেডসি
- সাংবাদিকের কলমে ভয় দেখানোর অধিকার কারও নেই
- অবহেলিত নারীদের স্বপ্ন পূরণ করছে ‘নীলসাগর’
- স্নাতক পাসেই নিয়োগ দেবে এনসিসি ব্যাংক, নেই বয়সসীমা
- বদলে গেল মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের নাম
- এবার সংগ্রাম ও মাতৃত্বের গল্পে দেখা যাবে পরীমনিকে
- বায়ুদূষণে ঢাকার উন্নতি, শীর্ষে লাহোর
- মস্তিষ্ককে সচল রাখতে প্রতিদিন সকালে যে ৫ কাজ করবেন
- শীতকালীন শাকসবজি চাষে ব্যস্ত বগুড়ার কৃষকরা
- অন্ধ্র উপকূলে আঘাত হানতে পারে ঘূর্ণিঝড় অর্ণব, বাংলাদেশে কী প্রভাব
- তেঁতুলিয়ায় জেঁকে বসেছে শীত, তাপমাত্রা ১৫.৪ ডিগ্রি
- সাংবাদিকদের নিয়ে আইজিপির বক্তব্য প্রত্যাহারের আলটিমেটাম ডিআরইউর
- জাপানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে শীর্ষ বৈঠকে তারেক রহমান
- ইয়ামাল-এমবাপের হৃদয় ভেঙে ব্যালন ডি’অর কেইনের
- জর্ডানের ভয়াবহ বিমান হামলা, নারী-শিশুসহ নিহত ৭
- সীতাকুণ্ডে লরিচাপায় নারী-শিশুসহ নিহত ৫
- আজ স্পেন যাচ্ছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
- বিমানে করে আমার জন্য একজন শিউলি ফুল পাঠিয়েছেন: পরীমণি
- কী অদ্ভুত এই স্বাধীনতা! যে দেশে মুক্তিযোদ্ধার কবরও নিরাপদ নয়
- সাংবাদিকদের ফুল ফান্ডেড ফেলোশিপ দিচ্ছে জাতিসংঘ
- জাপানে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
- নির্বাসন শেষে ভেনেজুয়েলায় ফিরলেন নোবেলজয়ী মাচাদো
- চতুর্থবার কমলো স্বর্ণের দাম, ভরিতে কমেছে ৩৩২৪ টাকা
- তানজিন তিশার বিরুদ্ধে তদন্তে সিআইডি
- অবহেলিত নারীদের স্বপ্ন পূরণ করছে ‘নীলসাগর’
- সীতাকুণ্ডে লরিচাপায় নারী-শিশুসহ নিহত ৫
- জনপ্রিয়তা পাচ্ছে ‘অনিন্দিতা’র শাড়ি-গয়না
- পিএসসির সদস্য হলেন ড. শামীমা সুলতানা
- মস্তিষ্ককে সচল রাখতে প্রতিদিন সকালে যে ৫ কাজ করবেন
- স্নাতক পাসেই নিয়োগ দেবে এনসিসি ব্যাংক, নেই বয়সসীমা
- জর্ডানের ভয়াবহ বিমান হামলা, নারী-শিশুসহ নিহত ৭








