ঢাকা, মঙ্গলবার ২১, জুলাই ২০২৬ ০:১৮:৫২ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
দীর্ঘ সময় গ্যাস সংকটে ভুগবেন যেসব এলাকার বাসিন্দারা পেরুতে ৫.৫ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প, নিহত ৬ উজানের ঢল আর ভারি বৃষ্টিতে বাড়ছে তিস্তার পানি হার মেনে নিয়ে যা বললেন মেসি গোল্ডেন বল জিতলেন রদ্রি, গোল্ডেন গ্লাভ পেলেন সিমন টানা দ্বিতীয়বার গোল্ডেন বুট জিতলেন এমবাপ্পে আর্জেন্টিনাকে কাঁদিয়ে ১৬ বছর পর বিশ্বচ্যাম্পিয়ন স্পেন

রাস্তার ধারে কান্না, ব্যাগে শুধু খাবার—উদ্ধার হলো দুই শিশু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ১১:৩৯ এএম, ২২ মে ২০২৬ শুক্রবার

প্রতীকী ছবি।

প্রতীকী ছবি।

নিঃসঙ্গ এক সড়কের পাশে বসে কাঁদছিল দুই ছোট্ট শিশু। আশপাশে কেউ নেই, নেই কোনো স্বজনের ছায়া। শুধু পাশে পড়ে ছিল একটি ছোট ব্যাকপ্যাক—ভেতরে কিছু খাবার আর পানির বোতল। এমন হৃদয়বিদারক দৃশ্য দেখে থমকে দাঁড়ান পথ দিয়ে যাওয়া এক গাড়িচালক। পরে উদ্ধার করা হয় পাঁচ বছরের কম বয়সী দুই ফরাসি শিশুকে।

ঘटनাটি ঘটেছে দক্ষিণ পর্তুগাল-এর আলকাসের দো সাল এলাকায়। স্থানীয় পুলিশ জানিয়েছে, শিশু দুটিকে সম্পূর্ণ অসহায় অবস্থায় রাস্তার পাশে পাওয়া যায়। তাদের কাছে কোনো পরিচয়পত্রও ছিল না। শিশুদের আতঙ্কিত ও ক্লান্ত দেখাচ্ছিল বলে জানিয়েছে উদ্ধারকারীরা।

পরে তদন্তে জানা যায়, শিশু দুটিকে নিয়ে গত ১১ মে ফ্রান্স-এর কোলমার শহর থেকে নিখোঁজ হওয়ার অভিযোগ করেছিলেন তাদের বাবা। এরপর থেকেই পুরো ইউরোপজুড়ে শিশু দুটিকে খুঁজতে সতর্কতা জারি করা হয়।

ঘটনার পর স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে শিশুদের মা ও তার সৎ বাবাকে গ্রেপ্তার করে। আলকাসের দো সাল থেকে প্রায় ১৮০ কিলোমিটার দূরের ফাতিমা শহরের একটি ক্যাফের বাইরে তাদের গাড়ি শনাক্ত করা হয়।

পর্তুগালের ন্যাশনাল রিপাবলিকান গার্ড জানিয়েছে, গ্রেপ্তার হওয়া নারীটির বয়স ৪১ এবং পুরুষটির বয়স ৫৫ বছর। তাদের বিরুদ্ধে শিশু পরিত্যাগ, বিপদের মুখে ফেলে দেওয়া এবং পারিবারিক সহিংসতার অভিযোগে তদন্ত চলছে।

এই ঘটনার পর ইউরোপজুড়ে শিশু নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন—কীভাবে এত ছোট দুটি শিশুকে এভাবে রাস্তার পাশে ফেলে যাওয়া সম্ভব?

শিশু দুটিকে বর্তমানে নিরাপদ আশ্রয়ে রাখা হয়েছে। তাদের শারীরিক ও মানসিক অবস্থার খোঁজ নিচ্ছেন চিকিৎসক ও সমাজকর্মীরা।