ঢাকা, শনিবার ৩১, জানুয়ারি ২০২৬ ১০:২৪:০৫ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
অন্তর্বর্তী সরকার: প্রতিরক্ষা ক্রয়ে বিশেষ মনোযোগ ভোট ছাড়াই ফেরত এসেছে ১১ হাজার পোস্টাল ব্যালট আজ সিরাজগঞ্জ ও টাঙ্গাইলে যাচ্ছেন তারেক রহমান দিল্লিতে শেখ হাসিনার সঙ্গে যুক্তরাজ্য আ.লীগ নেতাদের সাক্ষাৎ বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন

রিমা‌ন্ডে নারীকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ, ওসি-প‌রিদর্শক‌ প্রত্যাহার

নিজস্ব প্রতিবেদক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০৩:৩০ পিএম, ৫ জুলাই ২০২১ সোমবার

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

বরিশালের উজিরপুর উপজেলায় হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার এক নারীকে (৩০) রিমান্ডে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ ওঠায় দুই পুলিশ কর্মকর্তাকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। পাশাপাশি তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের নির্দেশও দেয়া হয়েছে।

এই দুজন হলেন- উজিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিয়াউল আহসান ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পরিদর্শক (তদন্ত) মো. মাইনুল ইসলাম। তা‌দের বরিশাল পু‌লিশ লাই‌ন্সে সংযুক্ত করার নি‌র্দেশ দেয়া হ‌য়ে‌ছে।

আজ সোমবার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন বরিশাল রেঞ্জের উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) এস এম আক্তারুজ্জামান।

তিনি জানান, বরিশালে নারী আসামিকে রিমান্ডে নিয়ে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে উজিরপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) এর বিরুদ্ধে। এছাড়া এই ঘটনায় দায়িত্বে অবহেলা করেছেন থানার ওসি। তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলাও দায়ের করা হবে। আজ সকালে তাদের প্রত্যাহার করা হয়েছে।

আদালত সূত্র জানায়, গত ২৬ জুন বরিশালের উজিরপুর উপজেলার জামবাড়ি এলাকা থেকে বাসুদেব চক্রবর্তী নামে এক ব্যক্তির মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় তার ভাই বরুন চক্রবর্তী ঐদিনই থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। ঐ মামলায় আসামি করা হয় এক নারীকে। যার সাথে তার ভাইয়ের পরকীয়া সম্পর্ক ছিলো বলে দাবি করেন বরুন। এই মামলার আসামি হিসেবে ঐদিন সেই নারীকে গ্রেফতার করে পুলিশ। থানা পুলিশের ৫ দিনের রিমান্ডের আবেদনের প্রেক্ষিতে গত ৩০ জুন বরিশালের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট উজিরপুর আমলী আদালত নারী আসামির ২ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। রিমান্ড শেষে গত ২ জুলাই ঐ নারীকে আদালতে হাজির করে পুলিশ। এ সময় তাকে খুড়িয়ে হাঁটতে দেখে এর কারণ জানতে চান আদালত। ঐ নারী আদালতের কাছে তাকে শারীরিক এবং যৌন নির্যাতনের অভিযোগ করেন পুলিশের বিরুদ্ধে। আদালত একজন নারী কনস্টেবল দিয়ে তার দেহ পরীক্ষা করে শারীরিক এবং যৌন নির্যাতনের প্রাথমিক সত্যতা পান।

এরপর আদালত তার যথাযথ চিকিৎসা প্রদান এবং তাকে নির্যাতনের বিষয়ে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে প্রতিবেদন দেওয়ার নির্দেশ দেন শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালককে। পরিচালক তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিয়েছেন যাতে আঘাতের চিহ্নর কথা উল্লেখ রয়েছে।

-জেডসি