ঢাকা, রবিবার ১৫, মার্চ ২০২৬ ২৩:৩০:০২ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
জমে উঠেছে শেষ সময়ের ঈদ বাজার শেষ হলো বইমেলা; ১৭ দিনে বিক্রি ১৭ কোটি টাকা ওমরাহ ভিসার সময়সীমা নির্ধারণ করল সৌদি আরব জাবি শিক্ষার্থী খুন, পুলিশ হেফাজতে ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থী ৪২ জেলা পরিষদে নতুন প্রশাসক নিয়োগ লাইলাতুল কদর উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা বলিউডের আশির দশকের জনপ্রিয় অভিনেত্রী মধু মালহোত্রা মারা গেছেন দেশে ভোজ্য তেলের কোনো সংকট নেই : বাণিজ্যমন্ত্রী

পাবনায় গৃহবধূ হত্যায় স্বামীর যাবজ্জীবন

পাবনা প্রতিনিধি | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০৯:৪৮ পিএম, ১৫ মার্চ ২০২৬ রবিবার

পাবনা জেলা ও দায়রা জজ আদালত। ফাইল ছবি

পাবনা জেলা ও দায়রা জজ আদালত। ফাইল ছবি

পাবনায় গৃহবধূ কানিজ ফাতেমা হত্যা মামলার রায়ে তার স্বামী সাবেক সেনা সদস্য রাকিবুল ইসলামকে (২২) যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে আরও এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

আজ রোববার (১৫ মার্চ) পাবনার বিশেষ জজ (জেলা ও দায়রা জজ) আবু সালেহ মো. সালাউদ্দিন খাঁ এই রায় প্রদান করেন। রায় ঘোষণার সময় আসামি রাকিবুল আদালতে উপস্থিত ছিলেন। পরে তাকে কড়া নিরাপত্তায় জেল হাজতে পাঠানো হয়।

মামলা সূত্রে জানা যায়, প্রায় ৬ বছর আগে পাবনার বেড়া উপজেলার সম্ভুপুর গ্রামের আব্দুর কাদেরের মেয়ে কানিজ ফাতেমার সঙ্গে সাঁথিয়া উপজেলার ফেচুয়ান গ্রামের চাঁদু সেখের ছেলে সেনা সদস্য রাকিবুল ইসলামের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই তাদের দাম্পত্য জীবনে কলহ লেগেই থাকত। পারিবারিক বনিবনা না হওয়ায় রাকিবুল প্রায়ই তার স্ত্রীকে শারীরিক নির্যাতন করতেন।

এরই ধারাবাহিকতায় ২০২১ সালের ১৪ মে রাতে রাকিবুল তার স্ত্রী কানিজ ফাতেমাকে শ্বাসরোধে হত্যা করেন। পরে প্রমাণ লুকানোর উদ্দেশ্যে মরদেহটি সাঁথিয়া উপজেলার সোনাতলা এলাকার ইছামতী নদীতে ফেলে দেন। পরদিন পুলিশ নদী থেকে কানিজ ফাতেমার মরদেহ উদ্ধার করে।

এ ঘটনায় নিহতের বাবা আব্দুল কাদের বাদী হয়ে বেড়া মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলা চলাকালীন অপরাধের গুরুত্ব বিবেচনায় রাকিবুল ইসলামকে সেনাবাহিনী থেকে বরখাস্ত করা হয়। দীর্ঘ তদন্ত ও সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আদালত আজ এই রায় ঘোষণা করেন।

মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে আইনজীবী ছিলেন পিপি অ্যাডভোকেট রাজিউল্লাহ রঞ্জু এবং আসামি পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট মোকিবুল আলম লাবলু।