শহীদ আলতাফ মাহমুদ পদক পাচ্ছেন দুই গুণী
বিনোদন ডেস্ক | উইমেননিউজ২৪.কমআপডেট: ০৮:২০ পিএম, ২৭ আগস্ট ২০১৮ সোমবার
শহীদ আলতাফ মাহমুদ পদক-২০১৮ পাচ্ছেন দুই গুণীজন ফেরদৌসী মজুমদার এবং সৈয়দ হাসান ইমাম।আগামী ৩০ আগস্ট সন্ধ্যায় শহীদ আলতাফ মাহমুদ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে এ পদক প্রদান করা হবে। রাজধানীর শিল্পকলা একাডেমীর সঙ্গীত ও নৃত্যকলা ভবনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ওই দুই গুণীজনের হাতে আলতাফ পদক, সম্মানী এবং উত্তরীয় তুলে দেয়া হবে।
শহীদ আলতাফ মাহমুদ কন্যা শাওন মাহমুদ এ তথ্য জানিয়েছেন।
২০০৫ সাল থেকে প্রতিবছর আলতাফ মাহমুদের অন্তর্ধান দিবস ৩০ আগস্টে নিয়মিত এই আয়োজন করে আসছে শহীদ আলতাফ মাহমুদ ফাউন্ডেশন।
‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি’ গানের সুরকার শহীদ আলতাফ মাহমুদের অন্তর্ধান দিবস ৩০ আগস্ট। ১৯৭১ সালের এই দিনে রাজারবাগ পুলিশ লাইনের উল্টোদিকে নিজ বাড়ি থেকে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী তাকে ধরে নিয়ে যায়। এরপর তিনি আর ফিরে আসেননি।
শহীদ আলতাফ মাহমুদ স্মরণে তার পরিবার ও ক্র্যাক প্লাটুন গেরিলা মুক্তিযোদ্ধাদের সমন্বয়ে গঠিত হয় শহীদ আলতাফ মাহমুদ ফাউন্ডেশন। প্রতিবছর একজন বা দুজনকে সম্মাননা জানানোর ধারাবাহিকতায় এ বছর সম্মানিত করা হচ্ছে সৈয়দ হাসান ইমাম এবং ফেরদৌসী মজুমদারকে।
২০১৬ সালে এই পদক পেয়েছেন কথাসাহিত্যিক হাসান আজিজুল হক ও সঙ্গীত পরিচালক আলাউদ্দীন আলী। ২০১৭ সালে এই পদক পেয়েছেন সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব আলী যাকের ও শিল্পসমালোচক-মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের প্রতিষ্ঠাতা ট্রাস্টি মফিদুল হক।
আলতাফ মাহমুদ দেশি একজন বিশিষ্ট সুরকার, সংস্কৃতিকর্মী ও স্বাধীনতা যুদ্ধে শহিদ মুক্তিযোদ্ধা। ভাষা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধে তার ব্যাপক ভূমিকা ছিলো। শহিদ দিবস নিয়ে রচিত আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো গানটির বর্তমান সুরটি তার করা। এই গানের সুরকার হিসেবেই তিনি সমাধিক পরিচিত।
১৯৩৩ সালের ২৩ ডিসেম্বর বরিশাল জেলার মুলাদী উপজেলার পাতারচর গ্রামে আলতাফ মাহমুদ জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৪৮ সালে বরিশাল জিলা স্কুল থেকে তিনি মেট্রিকুলেশন পরীক্ষা পাশ করে বিএম কলেজে ভর্তি হন। পরে তিনি চিত্রকলা শিখতে ক্যালকাটা আর্টস স্কুলে ভর্তি হন। বিদ্যালয়ে থাকা অবস্থাতেই আলতাফ মাহমুদ গান গাইতে শুরু করেন। তিনি প্রথমে প্রসিদ্ধ ভায়োলিনবাদক সুরেন রায়ের কাছে সঙ্গীতে তালিম নেন। এছাড়া তিনি গণসঙ্গীত গাইতে শিখেছিলেন, যা সেই সময় তাকে অসম্ভব জনপ্রিয়তা ও বিপুল খ্যাতি এনে দেয়। তার স্ত্রী সারা আরা মাহমুদ। তাদের মেয়ে শাওন মাহমুদ।
১৯৭১ সালের ৩০ আগস্ট বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী আলতাফ মাহমুদকে ঢাকার আউটার সার্কুলার রোডের বাসা থেকে চোখ বাঁধা অবস্থায় কোথাও নিয়ে যায়। পরবর্তীতে তাঁর আর কোন খোঁজ পাওয়া যায়নি।
- মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে বাস খাদে,৩জনের প্রাণহানী
- মেয়ের বিচার চাইতে গিয়েছিলাম, মব সৃষ্টি করতে নয়: রুমি
- কমছে না পোলাওর চাল ও আটা-ময়দার দাম
- রাজধানী ঢাকার তাপমাত্রা কেমন থাকবে জেনে নিন
- ঢাকা-কক্সবাজার রুটে ২৬ অক্টোবর থেকে চলবে মহানগর এক্সপ্রেস
- তিব্বতে ৭ মাত্রার ভূমিকম্প: নিহত ১৬, আহত অর্ধশতাধিক
- অপ্রতীম হত্যা মামলার চার্জশিট দাখিল
- এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে ঢাকায় আনা সেই রাবি শিক্ষার্থী আর নেই
- টানা তিন দফা কমল স্বর্ণেল দাম, ভরি কত?
- এক বাটি উষ্ণতায় মিশুক মিষ্টি কুমড়ার স্যুপ
- বাজারে ক্রেতা কম, তবু দামে স্বস্তি নেই
- আজ থেকে রাত ৮টায় বন্ধ হবে দোকানপাট ও শপিং মল
- সুন্দরবন পরিদর্শন শেষে মোংলায় পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী
- ফিলিস্তিনের পক্ষে সরব মার্কিন নারী আইনপ্রণেতা
- সাজেকে সড়ক অবরোধ, আটকা ৩ হাজার পর্যটক
- রাজধানী ঢাকার তাপমাত্রা কেমন থাকবে জেনে নিন
- অপ্রতীম হত্যা মামলার চার্জশিট দাখিল
- ঢাকা-কক্সবাজার রুটে ২৬ অক্টোবর থেকে চলবে মহানগর এক্সপ্রেস
- এক বাটি উষ্ণতায় মিশুক মিষ্টি কুমড়ার স্যুপ
- বাজারে ক্রেতা কম, তবু দামে স্বস্তি নেই
- তিব্বতে ৭ মাত্রার ভূমিকম্প: নিহত ১৬, আহত অর্ধশতাধিক
- টানা তিন দফা কমল স্বর্ণেল দাম, ভরি কত?
- আজ থেকে রাত ৮টায় বন্ধ হবে দোকানপাট ও শপিং মল
- এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে ঢাকায় আনা সেই রাবি শিক্ষার্থী আর নেই
- মেয়ের বিচার চাইতে গিয়েছিলাম, মব সৃষ্টি করতে নয়: রুমি
- কমছে না পোলাওর চাল ও আটা-ময়দার দাম
- মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে বাস খাদে,৩জনের প্রাণহানী







