ঢাকা, শুক্রবার ১০, জুলাই ২০২৬ ৭:৪৯:৪২ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
ইরানের বিরুদ্ধে কোনো যুদ্ধে অংশ নেবে না ইতালি: মেলোনি শেখ হাসিনাকে ফেরানোর চেষ্টায় কূটনৈতিক ঘাটতি নেই: শামা ওবায়েদ মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়ার ৭০ বছর পর ব্রিটিশ নারীর সাজা পরিবর্তন শিক্ষক পদে ৪৬ হাজার পরীক্ষার্থীর ফল পুনরায় প্রকাশের নির্দেশ জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি হচ্ছেন আইরিন খান বান্দরবানে পাহাড়ধস, ঘুমন্ত অবস্থায় শিশুসহ ৫ জনের প্রাণহানি

শিক্ষায় চিনের চেয়ে পিছিয়ে আছে ভারত

অনলাইন ডেস্ক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০৩:৫৬ এএম, ৩১ মার্চ ২০১৯ রবিবার

ভারতে স্কুলের সংখ্যা বেশি, বিদ্যালয়ে পড়ুয়াদের ভর্তির হারও প্রায় ৯৭ শতাংশ। তবু স্কুল ছুটের সংখ্যা থেকে শুরু করে শিক্ষার মান অত্যন্ত দৈন্য। চলতি দশকে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ১০০% অন্তর্ভুক্তির নিয়ম আনায় শিক্ষার অধিকার আইনের ক্ষেত্রে সঠিক উত্তরণ ঘটেছে। তবে শিক্ষার গুনগত মানের ক্ষেত্রে ঘাটতি রয়ে গেছে।

বর্তমানে নতুন এক গবেষনায় দেখা গেছে, নীতি আয়োগের মাধ্যমে স্কুল শিক্ষার মান উন্নত করার জন্য প্রাচীন কৌশলগুলি পরিবর্তনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। বহু বছর কঠোর পরিশ্রম করে, পাঠ্যক্রমসূচি পরিবর্তন করে, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ দিয়ে এমনকি পড়ুয়াদের অ্যাসেসমেনট দিয়ে কোন সুরাহা হয় নি। কারণ শিক্ষার পরিকাঠামোতেই গণ্ডগোল রয়ে গেছে। “

ভারত বর্তমানে দ্বৈত সমস্যায় ভুগছে। নিম্ন মানের সাব স্কেল স্কুল এবং স্কুলগুলিতে শিক্ষক সংখ্যার ঘাটতির কারণে। যা স্কুলের হস্তক্ষেপকে কেবলমাত্র একাংশে সফলতা দিয়েছে। ” বলেন নীতি আয়োগের উপদেষ্টা অলোক কুমার ও বোস্টন কাউন্সিলিং গ্রুপের ডিরেক্টর ( সোশ্যাল ইমপ্যাক্ট ) সীমা বনসল।

তালিকা ভুক্তির ক্ষেত্রে জোর দেওয়ার কারণে ভারত প্রতিটি শহরে জনবসতির খুব কাছাকাছি স্কুল নির্মাণের কৌশল গ্রহণ করের। ফলে, স্কুলের সংখ্যা নিদারুণভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। ” জন সংখ্যা প্রায় সমান হওয়া সত্ত্বেও বর্তমানে ভারতে স্কুলের সংখ্যা ১৫ লক্ষ যেখানে চিনে স্কুলের সংখ্যাটা ৫ লক্ষ। যার মধ্যে ৪ লক্ষের মত স্কুলে পড়ুয়া সংখ্যা ৫০ জন। শিক্ষকের সংখ্যা ২ জন। ” বলছে নীতি আয়োগের রিপোর্ট। দেড় কোটির মত ভারতীয় পড়ুয়ারা এই রকম স্কুলেই পড়াশুনো করে।

শিক্ষকদের ক্ষেত্রে শূন্যপদ একটা বৃহত্তর সমস্যা। দেশের নিরিখে এখনও ১০ লক্ষের মত শিক্ষকের ঘাটতি রয়ে গেছে। ঝাড়খণ্ড, ওড়িশা, মধ্যপ্রদেশ, রাজস্তানের মত রাজ্যগুলি এই সমস্যায় ভুগছে। ” স্কুলে শিক্ষকের ঘাটতি ওড়িশায় একটি বড় সমস্যা, বিশেষত গ্রামীণ এলাকায়। শিক্ষাগত কাজের বদলে মিড ডে মিল বানানো, সমীক্ষা, ভোটের ডিউটি করতেই ব্যস্ত থাকেন শিক্ষকরা। ” বলছেন ময়ুরভঞ্জের একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক খগেশ্বর পাল।

রিপোর্টটির সমাধান হিসেবে পড়ুয়াদের স্কুলে আসার খরচটাও দেবার কথা বলা হয়েছে। দ্বিতীয়ত, যেসমস্ত স্কুলে বাড়তি শিক্ষক রয়েছেন সেখান থেকে শিক্ষকদের এনে যে সমস্ত স্কুলে শিক্ষকের সংখ্যা কম সেই স্কুলে বদলি করতে হবে। শিক্ষক নিয়োগ করতে হবে অবিলম্বে।

মধ্যপ্রদেশ ইতিমধ্যেই অনলাইনে শিক্ষক সংযুক্তিকরণ শুরু করেছে। ১০,০০০ শিক্ষককে বাড়তি থেকে ঘাটতিপূর্ণ অঞ্চলের স্কুলে স্থানান্তরিত করা হয়েছে।বর্তমানে শিক্ষাক্ষেত্রে আমূল পরিবর্তনের ডাক দিয়েছে নীতি আয়োগ।